BREAKING NEWS

১৩ মাঘ  ১৪২৮  বৃহস্পতিবার ২৭ জানুয়ারি ২০২২ 

READ IN APP

Advertisement

গাড়ি আটক করাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের গোষ্ঠী সংঘর্ষ, উত্তাল রামপুরহাট

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: July 18, 2018 8:35 pm|    Updated: July 18, 2018 8:35 pm

TMC faction feud in Rampurhat, cops watch meekly

ফাইল ছবি

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: তৃণমূল কর্মীর গাড়ি আটকে কাগজ দেখতে চেয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় দলীয় সংঘর্ষে জড়ালো তৃণমূল কর্মীরা। দফায় দফায় গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে দিনভর উত্তপ্ত রইল রামপুরহাটের নিশ্চিন্তপুর এলাকা। পুলিশের সামনেই চলল মারধর ও ভাঙচুর। এর জেরে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। থানায় অভিযোগও দায়ের হয়েছে।

[জলপাইগুড়িতে ছেলেধরা সন্দেহে মহিলাকে গণপিটুনি, অভিযুক্ত বিজেপি নেত্রী]

জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে বনহাট গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন রামপুরহাট পুরসভার দু’নম্বর ওয়ার্ডের তণমূল কর্মী খায়রুল বাসার। স্থানীয় ঝনঝনিয়া সেতুর কাছে তাঁর গাড়ি আটকে কাগজ দেখতে চায় পুলিশ। এলাকায় নামডাক রয়েছে খায়রুল বাসারের। তাঁর গাড়ির কাগজ দেখতে চেয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে খায়রুলের অনুগামীরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান দলীয়কর্মীরা। সঙ্গে যান স্থানীয় ক্লাবের সদস্যরাও। অভিযোগ, তল্লাশি নিয়ে পুলিশের সামনেই বাকবিতন্ডায় জড়ায় দুই তরফ। ক্লাবের সদস্য মহম্মদ সরফরাজ ও হিরু শেখকে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করে তৃণমূলকর্মীরা। আক্রান্তদের পরিবারের লোকজন উদ্ধার করতে গেলে তাদেরও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ গিয়ে তাঁদের উদ্ধার করে রামপুরহাট হাসপাতালে ভরতি করে। তারই জেরে বুধবার সকালে ক্লাবের ছেলেরা বনহাটের দু’জনকে আটকে রাখে। অভিযোগ, এরপরেই তৃণমূলের পার্টি অফিস থেকে কিছু লোকগিয়ে পুলিশের সামনেই ক্লাবে ভাঙচুর চালায়। পাশাপাশি আটক দু’জনকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

[এই প্রথমবার খড়গপুর আইআইটি-র সমাবর্তনে আমন্ত্রিত মুখ্যমন্ত্রী]

এদিকে গোষ্ঠী সংঘর্ষের প্রসঙ্গে উঠতেই খায়রুল বাসার বলেন, আমাদের দলের দুই কর্মী মিরাজ শেখ ও মন্টু শেখ বাচ্চাদের স্কুলে দিতে যাচ্ছিলেন। সে সময় তাঁদের ক্লাবে আটকে রাখে। পুলিশের সামনে তাঁদের উদ্ধার করে দলীয়কর্মীরা। ক্লাবে কোনও ভাঙচুর চালানো হয়নি। তাছাড়া ওই ক্লাবের লোকজন সমাজবিরোধী, ওরা তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত নয়। যদিও ক্লাবের সদস্য মহম্মদ সরফরাজের দাবি, তাঁরা তৃণমূল করেন। তাঁদের নেতা মন্ত্রী আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। সরফরাজ বলেন,  “আমরা খবর পেয়ে মঙ্গলবার রাতে ঝনঝনিয়া সেতুর কাছে যাই। সে সময় পার্টি অফিসের কয়েকজন পুলিশকে মারতে যাচ্ছিল। আমরা তাতে বাধা দিই। পুলিশকে মারতে না দেওয়ায় আমাদের তুলে নিয়ে গিয়ে ওরা মারধর করে।” খায়রুল বাসার ক্লাবের তিন সদস্যের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। এদিকে অভিযোগ পালটা অভিযোগ উত্তপ্ত গোটা এলাকা।

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে