Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Durga Puja 2020

বসছে না স্টল, জমায়েত-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা! পুজোয় নিয়ম মেনেই জনসংযোগ চায় তৃণমূল

দূরত্ববিধি মেনে জনসংযোগ আদৌ সম্ভব?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২০, ১২:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ১০, ২০২০, ১২:৩৫

options
link
বসছে না স্টল, জমায়েত-আড্ডায় নিষেধাজ্ঞা! পুজোয় নিয়ম মেনেই জনসংযোগ চায় তৃণমূল zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: পুজোর (Durga Puja 2020) আগে থেকে সংযমের পাঠ নিয়ে প্রচার শুরু করে দিয়েছে রাজ্যের শাসকদল (TMC)। পুজো কমিটিগুলির সঙ্গে বৈঠকে কোভিড বিধি নিয়ে পইপই করে সচেতন করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। কিন্তু সামনের বছর ভোট। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। জনসংযোগের মোক্ষম সুযোগ এই দুর্গাপুজো। দূরত্ব রেখে কি জনসংযোগ সম্ভব? “সম্ভব করতে হবে।” বলছেন দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম বিখ্যাত পুজো একডালিয়া এভারগ্রিনের কর্তা মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, “যেমন অবস্থা তেমন ব্যবস্থাই করতে হবে। এবার সবটাই হবে। তবে কম করে। আড্ডাটা চলবেই। দূরত্ব রেখেই সেটা করতে হবে।”

দলীয় কার্যালয়ের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পাড়ায় বা পুজোমণ্ডপের সামনে কোনওরকম স্টল করা যাবে না। প্রতি বছর পুজো কমিটির তরফ থেকে বা স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের তরফ থেকে হেল্পডেস্কের ব্যবস্থা থাকে। অথবা দলীয় পুজোসংখ্যা-সহ নানা পুজোসংখ্যা বিক্রির জন্য স্টল করা হয়। দলনেত্রীর লেখা বইও বিক্রি হয়। এবার সে সবে নিষেধাজ্ঞা। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের সজল ঘোষ বলছেন, এবারের দুর্গাপুজোর উচ্ছ্বাসে সংযমই আসল মন্ত্র।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘ধনকড়জির বিরুদ্ধে কথা বলার আগে দু’বার ভাববেন’, আঙুল উঁচিয়ে তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি বাবুলের]

রাসবিহারীর বিধায়ক মন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় যেমন বলছেন, “আলাপ হবে। ছোট ছোট আড্ডা হবে। অঞ্জলি দেওয়া হবে। পুজো দেখা হবে। কিন্তু বিধি মেনে। যে নিয়ম মানলে মানুষ ভাল থাকে, সে নিয়ম মানতেই হবে।” কোলাকুলি নয়, হাত মেলানো নয়। স্রেফ হাতজোড় করে দূর থেকে শুভেচ্ছা জানানো চলবে বলে জানাচ্ছেন মানিকতলার বিধায়ক পরেশ পাল। এবার পুজোয় এলাকার মানুষের সাহায্যার্থে তিনি নিজেই মেডিক্যাল টিম সঙ্গে নিয়ে ঘুরবেন মানুষের দোরে দোরে। বলেছেন, “সারা বছরই জনসংযোগে থাকি। এবার পরিস্থিতি খারাপ। তাই এই ব্যবস্থা।”

এক রাজ্যস্তরের নেতা জানাচ্ছেন, “দুর্গাপুজোয় এমনিতেই মানুষ মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করে। আড্ডা, খাওয়া—দাওয়া চলে। কিন্তু এবার পরিস্থিতি খারাপ। পুজো করা যাচ্ছে এটুকুই বাড়তি পাওনা। তা বলে বাড়তি উচ্ছ্বাস দেখানো যাবে না। মানুষকে বুঝতে হবে পরিস্থিতি যতটা নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, তত বেশিদিন আমরা ভাল থাকব।” সোশ্যাল মিডিয়ায় পুজোর প্রচারে জোর দিচ্ছেন অনেকেই। বিধাননগরের বিধায়ক তথা মন্ত্রী সুজিত বসুর মতে, এবার পুজোয় সোশ্যাল মিডিয়ার একটা বড় ভূমিকা থাকবে। 

[আরও পড়ুন: পুজোর আগে ঊর্ধ্বমুখী রাজ্যের করোনা গ্রাফ, দৈনিক সংক্রমণে ফের শীর্ষে কলকাতা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.