Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
TMC leader Anubrata Mandal Locket Chatterjee

ফের স্বমেজাজে, এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ‘বোকা’ বলে কটাক্ষ অনুব্রতর

শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়া নিয়ে অনুব্রত মণ্ডল সরাসরি কিছু বলতে অস্বীকার করেন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২০, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৮, ২০২০, ২০:৩৬

options
link
ফের স্বমেজাজে, এবার লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ‘বোকা’ বলে কটাক্ষ অনুব্রতর zoom

ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমায় বিরোধীদের উদ্দেশ্যে করা মন্তব্যে সিদ্ধহস্ত অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। কারোর বিরুদ্ধে মতপ্রকাশ করতে কোনও রাখঢাক রাখেন না তিনি। আর এবার তাঁর নিশানায় লকেট চট্টোপাধ্যায়। তৃণমূলের বিরুদ্ধে মন্তব্য করায় বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে একহাত নিলেন তিনি।

শুভেন্দু অধিকারীর মন্ত্রিত্ব ছাড়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর শোরগোল। সেই ইস্যুতেই শাসকদলকে বারবার খোঁচা দিচ্ছে গেরুয়া শিবির। বাদ যাননি লকেট চট্টোপাধ্যায়ও (Locket Chatterjee)। তিনি বলেছেন, “আগামী দিনে তৃণমূলে মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়া কেউ থাকবে না।” এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেন বীরভূম জেলা তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। বিজেপি সাংসদকে ‘বোকা’ বলে কটাক্ষ করেন। বলেন, “এটা বোকার মতো কথা। আমি কিছু বললে ও হিরো হয়ে যাবে। ওর জিরো থাকাই ভাল। সিপিএমে শুধু বিমান বসু আছেন আর কেউ নেই? কংগ্রসে শুধু প্রদীপ ভট্টাচার্য আছেন আর কেউ নেই? বোকা বোকা কথা।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: কেন মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন শুভেন্দু অধিকারী? কারণ উল্লেখ করে টুইট অমিত মালব্যর]

তবে শুভেন্দু অধিকারীর (Subhendu Adhikari) মন্ত্রিত্ব ছাড়া নিয়ে অনুব্রত মণ্ডল সরাসরি কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “এটা রাজ্যের ব্যাপার। রাজ্যের নেতারা বলবেন।” পরে তিনি শুভেন্দুর নামে এদিক-ওদিক পোস্টার নিয়ে অনুব্রত বলেন, “শুভেন্দুর নামে কেন আমার নামেও মেদিনীপুর, নদিয়া, মুর্শিদাবাদেও পোস্টার দেওয়া হয়। লেখা থাকে অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গে থাকতে চাই। অনুব্রত মণ্ডলের সঙ্গী হতে চাই। ফেসবুকেও লেখে। আসলে মানুষ যে যাকে ভালবাসে।”

তৃণমূলে বিধায়ক মিহির গোস্বামীর (Mihir Goswami) বিজেপিতে যোগ দেওয়ার প্রসঙ্গেও মুখ খোলেন অনুব্রত। তিনি বলেন, “যে বিধায়ক যোগ দিয়েছে তার নিজের এলাকায় কি অবস্থা সেটা আগে দেখতে হবে। এখানে গদাধর হাজরা, মনিরুল ইসলাম গিয়ে ছিল তাদের কি অবস্থা আমদের থেকে আপনারা আরও ভাল জানেন।” গদাধর হাজরার তৃণমূলে ফিরে আসার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ফিরে আসতেই পারে, কিন্তু দেখতে হবে পায়ের জোর কতটা আছে দেখতে হবে।” বিরোধীদের আক্রামণের পাশাপাশি রাজ্যের উন্নয়নের কথাও তুলে ধরেন অনুব্রত। বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা বলেন, “রাজ্যে দশ কোটি মানুষকে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড দেওয়া হবে। এখন পরিবারের সবাই এই কার্ড পাবে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেওয়া হবে। রাজ্যে ১৩৭টি এবং বীরভূমে ৫৯টি হাসপাতাল যুক্ত। ভেলোরেও চিকিৎসা করানো হবে। এই সুবিধা ভারতে একমাত্র এই রাজ্যে আছে।”

[আরও পড়ুন: ফের অশান্তি শান্তিনিকেতনে, সোনাঝুরি হাটে ছুরি নিয়ে হামলা, মারধর ব্যবসায়ীকে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.