ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, বোলপুর: এবার রথযাত্রা নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mandal)। হুঁশিয়ারি দিয়ে বললেন, “ওই দিন সবাই নাচবে, তারপর আমি খেলা দেখাব।” সিএএ প্রসঙ্গেও তোপ দাগলেন বিজেপি সরকারকে।
শুক্রবার বীরভূমের নানুরের জনসভা করেন অনুব্রত মণ্ডল। সেখানে ছিলেন তৃণমূলের জেলা সহ-সভাপতি অভিজিৎ সিংহ, সাংসদ অসিত মাল, করিম খান, কাজল সেখ, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ আনান্য নেতারা। ওই সভা থেকে এদিন অনুব্রত মণ্ডল বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শুধু মিথ্যা কথা বলেন। ওঁর পকেটে মিথ্যে কথা থাকে। বাংলায় এসে পকেট থেকে মিথ্যে কথা বের করবে আর বলবে। বাংলার মানুষ বোকা নয়। মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করার করবেন। ২০ লক্ষ মানুষকে বাড়ি করে দেবেন।” এরপরই আগামী ৯ তারিখে তারাপীঠে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার রথযাত্রা প্রসঙ্গে অনুব্রত বলেন, “ওই দিন সবাই নাচবে আমি দেখবো। তারপর আমি খেলা শুরু করব, ওরা দেখবে।”
[আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দিতেই খুনের হুমকি, শান্তিপুরের বিধায়ক অরিন্দম ভট্টাচার্যের নামে পোস্টার]
এদিনের বাজেট নিয়ে অনুব্রত বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী যে বাজেট ঘোষণা করেছেন, তা সাধারণ মানুষের জন্য। এই বাজেটে মানুষ খুব খুশি।” সিএএ প্রসঙ্গে এদিন বাংলার তৃণমূল সভাপতি বলেন, “ওরা আগে চালু করে দেখাক। এই বাংলা রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বিবেকানন্দ, নেতাজির। এখানে এই সব করা যাবে না। বাংলার মানুষ মেনে নেবে না।” এবার ভোটে কোন খেলা হবে? প্রশ্ন করা হলে অনুব্রত মণ্ডল, “আমার অনেক রকম খেলা জানা আছে। তোমরা যেটা বলবে সেই খেলাটা খেলব।” খেলায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ ওপেনিংয়ে নামলে কী করবেন? এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বললেন, “নামুক, ও এক সাইডে থাকবে আমি অন্য সাইডে। ওরা খেলা জানে, ঘুঁটি সাজাতে জানে না।”
[আরও পড়ুন: ‘দলে সম্মান পাইনি’, ক্ষোভ প্রকাশ করে এবার তৃণমূল ছাড়লেন পুরুলিয়ার সাধারণ সম্পাদক]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’