দলীয় কার্যালয়। সেখানে দলীয় কর্মীদের বৈঠক হবে। সাংগঠনিক বিষয়ে আলোচনা হবে। সেটাই তো স্বাভাবিক। কিন্তু আরামবাগে তৃণমূল দলীয় কার্যালয় যেন সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর! ভোটের ফল প্রকাশের পরেই আরামবাগ (Arambag) বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তৃণমূলের পার্টি অফিসে হানা দিয়েছিল পুলিশ। আর সেখানে গিয়েই চোখ কপালে ওঠে আধিকারিকদের। পার্টি অফিসেই উদ্ধার হয়েছিল একাধিক ধারালো অস্ত্র। শুধু তাই নয়, পার্টি অফিসের ছাদ থেকেও উদ্ধার হয়েছিল কাঁড়ি কাঁড়ি বোমা।
পার্টি অফিসে অস্ত্র-বোমা মজুত কেন? তদন্তে নামতেই এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যান আরামবাগ শহরের দাপুটে তৃণমূল নেতা তথা জেলা সাধারণ সম্পাদক রাকেশ আলি। এরপর থেকেই ওই নেতার খোঁজে হন্যে হয়ে অভিযান চালায় পুলিশ। অবশেষে রবিবার তাঁকে পাকড়াও করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে গা ঢাকা দিয়েও পুলিশের নাগাল থেকে ছাড়া পাওয়া গেল না। পার্টি অফিসে অস্ত্র-বোমা মজুত রাখার অভিযোগে পলাতক রাকেশ আলিকে গ্রেপ্তার করে আরামবাগ থানার পুলিশ। উল্লেখ্য, রাকেশ আলি তৃণমূলের আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সম্পাদক পদে ছিলেন। আরামবাগ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তিনি দাপিয়ে বেড়াতেন বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন:
আরামবাগের বিজেপি বিধায়ক হেমন্ত বাগের অভিযোগ, “আরামবাগকে যাঁরা সন্ত্রাসের আঁতুড়ঘর করে তুলেছিল, তাঁদের মধ্যে রাকেশ আলি অন্যতম। রাকেশ আলি তৃণমূলের ক্রিমিনাল। যাঁর নেতৃত্বে পার্টি অফিস চলত, সেখান থেকেই অস্ত্র বোমা উদ্ধার হয়েছে।” ভোটের ফলপ্রকাশের পরই আরামবাগেই তৃণমূলের অন্য একটি পার্টি অফিসেও বাক্স ভর্তি বোমা উদ্ধার হয়েছিল। স্থানীয় কাউন্সিলর সঞ্জয় ঘড়ুইয়ের মদতে হিংসার পরিকল্পনার অভিযোগ তুলেছিলেন স্থানীয়রা।
সর্বশেষ খবর
-
তিন খণ্ড তৃণমূল! খোলা ময়দান পেয়ে মমতার ধাঁচে বছরভর কর্মসূচি ঘোষণা কংগ্রেসের
-
ধরনার জেরে আটক, কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ ছাড়ল রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে, মুক্ত বাকি কংগ্রেস নেতারাও
-
তরুণীর সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে জামাত নেতা! ভিডিও ভাইরাল হতেই শোরগোল
-
মারামারিতেও মেসির সতীর্থের শাস্তি মকুব ফিফার, ড্রেসিংরুমে অশান্তিতেই হার আর্জেন্টিনার?
-
প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে ধরনায় আটক রাহুল-প্রিয়াঙ্কা, মন্দির মার্গ থানায় হাজির সোনিয়া