Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Purba Bardhaman

সালিশি সভায় ডেকে তৃণমূল নেতাকে শাবল দিয়ে মারধর! ৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল নেতার নাম মিহির ঘোষ। বয়স ৬২ বছর। তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের বাসিন্দা ছিলেন। মিহির মঙ্গলকোট অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ মে গ্রামের কয়েক জন বাসিন্দা মিহিরবাবুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান।

Advertisement
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৪:০৯

link
ধীমান রায়
ধীমান রায়

শেষ আপডেট: জুন ৭, ২০২৬, ১৪:০৯

options
link
সালিশি সভায় ডেকে তৃণমূল নেতাকে শাবল দিয়ে মারধর! ৮ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মৃত্যু zoom
মৃত তৃণমূল নেতা মিহির ঘোষ। নিজস্ব চিত্র।

সালিশি সভায় ডেকে তৃণমূল নেতাকে ব্যাপক মারধর! গুরুত্বর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। ঘটনার ৮ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হল তাঁর। পরিবারে অভিযোগের ভিত্তিতে খুনের মামলা দায়ের করে তদন্তে নেমেছে পুলিশ। ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার পুরাতনহাট গ্রামে চাপা উত্তেজনা।

পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত তৃণমূল নেতার নাম মিহির ঘোষ। বয়স ৬২ বছর। তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলার মঙ্গলকোটের বাসিন্দা ছিলেন। মিহির মঙ্গলকোট অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি ছিলেন। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ মে গ্রামের কয়েক জন বাসিন্দা মিহিরবাবুকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যান। এলাকার বারোয়ারি পুজো কমিটির আর্থিক হিসাব নিয়ে ডাকা সালিশি সভায় তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ।

Advertisement

পুত্রবধূ প্রিয়াঙ্কা ঘোষ জানান, রাতনহাট ধর্মরাজতলায় বসা ওই সালিশি সভায় বচসার সৃষ্টি হয়।সেখানে উপস্থিত সদস্যদের মধ্যে কয়েকজন মিহিরবাবুর উপর চড়াও হন। অভিযোগ, শাবল দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাঁকে একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। সেখানে টানা কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর রবিবার সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

মিহিরবাবুর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। পরিবারের তরফে মঙ্গলকোট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযুক্তদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের জন্য তল্লাশি শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ ও মারধরের নেপথ্যের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ দিন মিহিরের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পরিবারে শোকের ছায়া।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.