স্টাফ রিপোর্টার: ক্ষোভ জানিয়ে নিজের বক্তব্য ফেসবুকে পোস্ট করেছিলেন। পরে তার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিলেন। জানিয়ে দিলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপরেই আস্থা রয়েছে। তাঁর আদর্শে কাজ করার কথা জানিয়ে সেই পোস্ট প্রত্যাহার করে নিলেন তৃণমূলের আইনজীবী নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়।
[বিধানসভায় এলেন মনু সিংভি, মমতার সাক্ষাৎ চান কং-প্রার্থী]
একদিন আগেই রাজ্যসভায় দলের প্রার্থী ঘোষণা করেছেন মমতা। আরও তিন প্রার্থীর পাশাপাশি দলের দীর্ঘদিনের একনিষ্ঠ কর্মী আরও এক আইনজীবী নেতা শুভাশিস চক্রবর্তীর নামও ঘোষণা করে দেন। এতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন বৈশ্বানর। রাতে ফেসবুকে লেখেন, “আমি আর এই নোংরা রাজনীতিতে থাকব না। আমার মনে হচ্ছে আমি এসবের ক্ষেত্রে বেমানান। আমি আর আমার কাজ চালিয়ে যেতে পারছি না। বিদায়।” সূত্রের খবর, দীর্ঘদিন দলে একনিষ্ঠভাবে কাজ করে যাওয়ার সূত্রে বৈশ্বানর অনেকদিন ধরেই দলের কাছে কিছু প্রত্যাশায় ছিলেন। এই মুহূর্তে তিনি কলকাতা পুরসভার ৮ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান। ৯০ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর। দলের অন্যতম সাধারণ সম্পাদক।
সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর এই বিতর্কিত পোস্ট দলের নজর এড়ায়নি। শনিবার সকালেই তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের তরফে তাঁকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। বলা হয়, তিনি যা করেছেন ঠিক করেননি। দল তার অনুমোদন দেয় না।
[শুক্রবার ছেলেরা দাহ করলেন, শনিবার ‘মৃত’ ব্যক্তি ফিরলেন বাড়িতে!]
পরে শনিবার সন্ধ্যায় সংবাদমাধ্যমে তিনি নিজের মানসিক যন্ত্রণার কথা জানান। বলেন, “রাজনীতি ও ব্যক্তিগত জীবনে অনেক দিন ধরেই আমার মানসিক চাপ ছিল। আমি মানসিক যন্ত্রণায় ছিলাম। একটা হতাশা আমার মধ্যে কাজ করছিল। তার থেকেই এই ফেসবুক পোস্ট। তবে সেই পোস্ট আমি তুলে নিয়েছি। যা বলেছি, তা প্রত্যাহার করে নিচ্ছি।” এই মানসিক যন্ত্রণার ব্যাখ্যা চাইলে তিনি বলেন, “আমার থেকে জুনিয়র হয়েও আমার আগে একজন সুযোগ পেয়ে গেল।” যদিও এরপরই ক্ষোভ প্রত্যাহারের ঢঙে তিনি জানিয়ে দেন, “দলে আমি প্রথম থেকে আছি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে। আমি তাঁর আদর্শ মেনেই আজীবন কাজ করব।”
[সমাজবাদী পার্টির সম্পত্তি পাঁচ বছরে বাড়ল ১৯৮%]
সর্বশেষ খবর
-
‘প্লিজ, ছেড়ে যেও না’, নেইমারকে কাতর আর্তি বাবার, অবসর ভেঙে ফিরবেন ব্রাজিল মহাতারকা?
-
‘শুধু খেলতে আসিনি, দেখিয়ে দিলাম জিততে এসেছি’, বলছেন ব্রাজিল বধের নায়ক হালান্ড
-
পরিবারের জন্য অপরিহার্য পাঁচ জরুরি বিমা কভার, জেনে নিন বিস্তারিত
-
দুই রাজ্যে দুই সংসার, দ্বিতীয় স্ত্রীকে রেখে ৪০ বছর পর প্রথমার সন্তানদের কাছে ফিরলেন মোতাহার
-
স্কুলেই জীবনরক্ষার পাঠ, রাজ্য সরকারের অভিনব এই উদ্যোগ সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়