সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিধায়ক (MLA) পদে দায়িত্ব পাওয়ার একাধিকবার বেফাঁস মন্তব্য করেছেন বলাগড়ের তৃণমূল বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী। কালীপুজোর সকালে ফের বিস্ফোরক তৃণমূল বিধায়ক। নিজে দু্র্নীতিগ্রস্ত নন, তা বোঝাতে গিয়ে আক্রমণ করলেন দলেরই বিধায়কদের।
বৃহস্পতিবার অর্থাৎ কালীপুজোর দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের বিধায়ক ভাতা উল্লেখ করেছেন বিধায়ক মনোরঞ্জন ব্যাপারী (Manoranjan Byapari)। সেখানেই নিজের আর্থিক পরিস্থিতি বোঝাতে দলের অন্য বিধায়কদের সুকৌশলে আক্রমণ করেছেন তিনি। ইঙ্গিতে বুঝিয়েছেন, সকল বিধায়কই অন্য পথে আমদানি করেন। অর্থাৎ দুর্নীতিগ্রস্ত। কিন্তু তিনি তেমনটা নন। ফলে নিজের খরচ চালানো পর এলাকাবাসীদের দাবিদাওয়া পূরণ তাঁর পক্ষে সমস্যার হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
[আরও পড়ুন: কালীপুজোর সকালে হাতির হানায় মৃত্যু ঝাড়গ্রামের যুবকের, দ্রুত সরকারি সাহায্যের আশ্বাস বনদপ্তরের]
তিনি জানান, তাঁর মাসিক আয় ৮৭৫০০ টাকা। তুলে ধরেন খরচের খতিয়ান। লেখেন, “আমাকে একটা গাড়ি ভাড়া করতে হয়েছে। গাড়ির ভাড়া আর সারা দিনের যা তেল পোড়ে সব মিলিয়ে হাজার দুই টাকা। ড্রাইভার নেন মাসে বারো হাজার আর খাওয়া খরচ ধরে নিন আর তিনি হাজার। সিকিউরিটি দুজনের খাওয়ার জন্য ধরুন আর ছয় হাজার। আমার সংসার খরচ দিনে পাঁচশো মাসে পনেরো হাজার। সব মিলিয়ে হয়ে যায় ৯৬ হাজার। চা-টিফিন, প্রেট্রল-ডিজেল, ধরুন আরও তিন চার হাজার। ডুমুরদহ ও জিরাটের অফিসে দু’জন কাজ করে। তাঁদের দিয়ে বারো হাজার। সব মিলিয়ে মাসে খরচ প্রায় এক লাখ বারো পনেরো হাজার।”
এরপরই অন্য বিধায়কদের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “মানুষ আমাকে অন্য বিধায়কের মতো বেশ আমদানি করা ভেবে কেউ চাঁদা নিতে দৌড়ে আসছে। কেউ মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা চাইছে। কেউ এসে বলছে কলেজে ভরতির টাকা দাও। কেউ বলছে ওষুধ কিনতে পারছি না টাকা দাও। পাগল হয়ে যাচ্ছি এতো টাকা টাকা শুনে।” এই মন্তব্য করে ফের দলকেই অস্বস্তিতে ফেললেন বিধায়ক।
[আরও পড়ুন: প্রাপ্ত নম্বর ৯৯.৫ শতাংশ, উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম হওয়া রুমানা চমকে দিলেন সর্বভারতীয় মেডিক্যালেও]
সর্বশেষ খবর
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের
-
১৯৬৭-তে চন্দননগরে আসেন সন্ন্যাসী সুভাষচন্দ্র! কেউ জানত না?