রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: ‘দল না ছাড়লে প্রাণে মেরে ফেলব।’ তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতের উপপ্রধানকে হুমকি চিঠি পাঠাল মাওবাদীরা। ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায়। থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এ রাজ্যের শাসকদলের ওই নেতা।
[আরও পড়ুন: চরমে অন্তর্দ্বন্দ্ব, বনগাঁর পুরপ্রধানকে পদত্যাগের নির্দেশ তৃণমূলের]
পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় জুমকি গ্রাম পঞ্চায়েতটি তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় সর। এগরারই বিলচাউলদা গ্রামে থাকেন তিনি। উপপ্রধানের দাবি, শনিবার সকালে তাঁর কাছে একটি চিঠি আসে। চিঠিতে লেখা ছিল, ‘সাবধান, রাজনীতি থেকে দূরে থাকুন। আর তা না করলে কয়েক মাসের মধ্যে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেব। পার্টি থেকে নিজেকে সম্পূর্ণভাবে সরিয়ে নিন। না হলে ছ’মাসের মধ্যে স্ত্রীকে সাদা থানা পরিয়ে দেব।’ চিঠির নিচে লেখা, ‘মাওবাদী, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর।’ ঘটনাটি জানাজানি হতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়।
একসময়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে বহু নিরীহ মানুষকে খুন করেছে মাওবাদীরা। রাজনৈতিক নেতারাই শুধু নন, রেহাই পাননি সাধারণ মানুষও। রাজ্যে পালাবদলের পর, পশ্চিম মেদিনীপুরের বুড়িশোলের জঙ্গলে পুলিশের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে মারা যায় মাওবাদী নেতা কিষেণজি। এগরার জুমকি গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূল উপপ্রধানকে যে চিঠি পাঠানো হয়েছে, সেই চিঠিতে কিষেণজিকে ‘হত্যা’র বদলা নেওয়ার কথা উল্লেখ করেছে মাওবাদীরা। আর তাতে আতঙ্ক আরও বেড়েছে। এগরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান উদয় সর।
দিন কয়েক আগে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জে খোদ তৃণমূল বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধানকে হুমকি চিঠি পাঠিয়েছিলেন এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। চিঠি এসেছিল বিধায়কের বাড়ির ঠিকানায়। চিঠিতে লেখা ছিল, ‘খুব সাবধানে থাকবেন ও কোনওক্রমে মেখলিগঞ্জে মেখলিগঞ্জে যাবেন না। মিটিং-মিছিলে যাবেন না, ঘটনা ঘটবে।’
[আরও পড়ুন: কোলিয়ারি অঞ্চলের ‘সরকার ডাক্তার’-ই গরিবদের ‘অগ্নিশ্বর’]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’