গোবিন্দ রায়, বসিরহাট: “সরকারের সুবিধে নিলে সরকারকেও দেখতে হবে। যদি অন্য দলকে সমর্থন করেন, পরিষেবাও অন্য দল থেকে নিতে হবে।” কাটিয়াহাটের ব্লকের তৃণমূল সভাপতির ফরমান ঘিরে তোলপাড় বসিরহাটে। সমালোচনায় সরব বিরোধীরা।
শনিবার উত্তর ২৪ পরগনার কাটিয়াহাটে একটি স্কুলের মাঠে ‘লক্ষ্মীর ভাণ্ডার’-সহ রাজ্য সরকারের নানা সামাজিক ও উন্নয়মূলক প্রকল্পের নাম নথিভূক্তকরণের জন্য ‘দুয়ারে সরকার’ প্রকল্পের কাজ চলছিল। সেখানেই গিয়েছিলেন তৃণমূলের কাটিয়াহাটের ব্লক সভাপতি প্রকাশ সরদার। এরপর লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মহিলাদের রীতিমতো শাসিয়ে প্রকাশ সরদারের আরও ফরমান, “পাবলিককে মনে করিয়ে দিচ্ছি, মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর পরিষেবার অনুদান নেবে, অথচ পরিষেবার ক্ষেত্রে যেটা করার দরকার, সেটা করবে না, সেটা কিন্তু চলবে না।” আরও বলেন, “লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন তো? মুখ্যমন্ত্রীর কথা মনে রাখতে হবে। সামনে পঞ্চায়েত ভোট, দিদির কথা কিন্তু মনে রাখতেই হবে। বলতে হয় না যেন, আর একটা লোকও যেন বাকি না থাকে।”
[আরও পড়ুন: বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ডাকা বৈঠকে উপাচার্যই গরহাজির, পৌষমেলা নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত]
শনিবার তৃণমূলের নেতা প্রকাশ সর্দারের এই বক্তব্য ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে এলাকায়। এনিয়ে প্রশ্ন তুলে বসিরহাটের বিজেপির যুব সভাপতি পলাশ সরকার বলেন, “একটি সরকারি কর্মসূচিতে গিয়ে কিভাবে রাজনৈতিক প্রচার চালাতে পারেন ব্লক সভাপতি ? কিভাবে জনগণকে হুশিয়ারি দেওয়া যায়?”
[আরও পড়ুন: লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে উলটো সুর! ‘ক্ষমতায় এলে ৫০০’র বদলে ২ হাজার দেব’, প্রতিশ্রুতি সুকান্তর]
সর্বশেষ খবর
-
১৯৭০-এর মডেল, ৬,১৭৫ গ্রাম সোনা! ফুটবল বিশ্বকাপ ট্রফির দাম শুনলে চমকে যাবেন
-
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে ইস্তফা আলাপনের স্ত্রীর! সোনালি চক্রবর্তীর পদক্ষেপ ঘিরে জল্পনা
-
শৈশবের ট্রমা সহজে কাটে না! প্রভাব পড়তে পারে প্রেমের সম্পর্কেও, বোঝা যায় এই লক্ষ্মণেই
-
সপ্তাহে ২ দিন হাওড়ার মঙ্গলাহাটে হকারদের বসার অনুমতি, শর্ত বেঁধে দিল প্রশাসন
-
এবার রাডারে অভিষেকের ডায়মন্ড হারবার এফসি, ‘টাকা আসত কোথা থেকে?’, প্রশ্ন ক্রীড়ামন্ত্রী নিশীথের