Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Amdanga

‘অত্যন্ত ভালো, শিক্ষিত ছেলে’, আমডাঙায় গুলি-বোমা কাণ্ডে ধৃতকে ‘সার্টিফিকেট’ তৃণমূল বিধায়কের!

বোমাবাজি, শুটআউট, পুলিশের উপর হামলা-সহ একগুচ্ছ অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য রাকিবুর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৫, ২২:২৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৫, ২২:২৬

options
link
‘অত্যন্ত ভালো, শিক্ষিত ছেলে’, আমডাঙায় গুলি-বোমা কাণ্ডে ধৃতকে ‘সার্টিফিকেট’ তৃণমূল বিধায়কের! zoom
Advertisement

অর্ণব দাস, বারাসত: আমডাঙায় বোমাবাজি, শুটআউট, পুলিশের উপর হামলা-সহ একগুচ্ছ অভিযোগে অবশেষে গ্রেপ্তার হল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য। ধৃতের নাম রাকিবুল ইসলাম মণ্ডল। আমডাঙা ব্লকের বোদাই পঞ্চায়েতের সদস্য রাকিবুল। তবে দলীয় নেতার গ্রেপ্তারির ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়েই প্রশ্ন তুললেন আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান। শুধু তাই নয়, ধৃত রাকিবুর ‘অত্যন্ত ভালো, শিক্ষিত ছেলে’ বলে বড়সড় সার্টিফিকেটও দিলেন তিনি! তা নিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে।

২০২৪ সালের আগস্ট মাসের শেষের দিকে আমডাঙার খুঁড়িগাছি গ্রামে রাতভর তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল এলাকা। মুহুর্মুহু বোমাবাজি, গুলি চলে। বাড়ি ভাঙচুরও হয়। এই তাণ্ডবের খবর পেয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘটনাস্থলে গিয়েছিল বিরাট পুলিশ বাহিনী। তখন পুলিশকে লক্ষ্য করেও বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। গোষ্ঠী সংঘর্ষের এই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন তৃণমূল কর্মী নাসিরউদ্দিন মণ্ডল। অভিযোগ উঠেছিল বোদাই পঞ্চায়েতের সদস্য রাকিবুল-সহ তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অধরা ছিলেন তৃণমূল নেতা রাকিবুল। তাঁর বিরুদ্ধে আদালতের নির্দেশে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়। এরপরই তৎপর হয়ে বৃহস্পতিবার রাতে দত্তপুকুর থানার কদম্বগাছি এলাকা থেকে রাকিবুরকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। শুক্রবার তাকে বারাসত আদালতে পেশ করা হলে ৫ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন বিচারক।

Advertisement

রাকিবুরের এই গ্রেপ্তারিতে সরব হয়েছেন আমডাঙার তৃণমূল বিধায়ক রফিকুর রহমান। তাঁর কথায়, ”রাকিবুল ঘটনায় যুক্ত ছিল কি না, বলতে পারব না। তবে ও অত্যন্ত ভালো শিক্ষিত ছেলে। শুনছি ওকে (রাকিবুল) মাদক পাচারের মামলা দেবে। এমনটা যদি হয়, তাহলে খুব অন্যায় করবেন আমডাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক। মানুষ মেনে নেবে না, পথে নামবে। আমডাঙা থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিকের মতো কয়েকজন পুলিশ খাকি উর্দিকে কলঙ্কিত করছে।” এর আগেও আমডাঙা থানার আইসি-কে ‘দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে তোপ দেগেছিলেন বিধায়ক। এবার দলের সদস্যের গ্রেপ্তারিতেও পুলিশকেই দুষলেন। তাঁর এই মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধী শিবির।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.