BREAKING NEWS

১৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

তৃণমূল কার্যালয় ভাঙচুর, সাংবাদিককে মারধর, ভারতী ঘোষের মিছিল ঘিরে রণক্ষেত্র পূর্ব মেদিনীপুর

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: November 22, 2020 7:38 pm|    Updated: November 22, 2020 7:38 pm

An Images

রঞ্জন মহাপাত্র, কাঁথি: ভারতী ঘোষের (Bharati Ghosh) নেতৃত্বে বাইক মিছিলকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর। শাসকদলের কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন সাংবাদিকরা। এই ঘটনায় দুই রাজনৈতিক দলই একে অপরকে দুষতে শুরু করেছে।

রাজ্যের শাসকদল সন্ত্রাস করছে, এই অভিযোগে রবিবার ভারতী ঘোষের নেতৃত্বে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুরের ভূপতিনগরে বাইক র‍্যালির আয়োজন করেছিল বিজেপি। মিছিলটি মাধাখালী যাওয়ার পথে এক্তারপুর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তৃণমূলের (TMC) পার্টি অফিস ভাঙচুর চালায়। ভাঙচুরের ছবি তুলতে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা। এক সাংবাদিককে রাস্তায় ফেলে বাঁশ দিয়ে মারধর করা হয়। ভেঙে দেওয়া হয় তাঁর ফোন, হেলমেট। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আয়ত্তে আসে পরিস্থিতি।

[আরও পড়ুন: কোভিড রোগীর পরিবারকে ঘরবন্দি থাকার নোটিস, ‘বেআইনি’ কাজ করে বিতর্কে কোন্নগর পুরসভা]

এই অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্যে শাসকদলকেই দায়ী করেছে বিজেপি। দলের কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অনুপ চক্রবর্তী অভিযোগ করেন, তাঁদের র‍্যালি আঁটকাতে সারা রাস্তায় বারবার অতর্কিতে হামলা চালিয়েছে তৃণমূল। জুখিয়া বাজারের পর থেকেই দফায় দফায় বিজেপি কর্মীদের উপর হামলার চেষ্টা হয়। বিজেপির বাইক মিছিল লক্ষ্য করে ইট ছোঁড়া হয়। এমনকি এই কর্মসূচীতে আসার পথে বিজেপি কর্মীদের মারধরও করা হয়। তিনি বলেন, এদিন ভারতী ঘোষ এর গাড়ির সামনে গাছের গুঁড়ি ফেলে দেওয়া হয়েছিল। পাশাপাশি তাঁর সাফাই, এক্তারপুরের কাছে তৃণমূল পার্টি অফিস থেকে এই হামলা চালানো হচ্ছিল বলেই পালটা দেয় বিজেপি কর্মীরা। অপরদিকে তৃণমুলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মুখপাত্র মধুরিমা মণ্ডলের কথায়, “নিজেদের গোষ্ঠী কোন্দলকে ধামাচাপা দিতে তৃণমূলের পার্টি অফিসে হামলা চালিয়েছে বিজেপি। এমনকী সাংবাদিকদেরও বাদ দেয়নি।” অবিলম্বে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারির দাবি জানিয়েছেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ভুয়ো পরিচয় দিয়ে বিয়ে, ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি, পুলিশের দ্বারস্থ বধূ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement