Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৪ জুলাই ২০২৬

মহম্মদবাজারে তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু, উদ্ধার বস্তাবন্দি দেহ

বেশ কিছুদিন ধরে মৃত্যুভয় পাচ্ছিলেন ওই তৃণমূল কর্মী।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ২০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০১৮, ২০:৪৮

options
link
মহম্মদবাজারে তৃণমূল কর্মীর রহস্যমৃত্যু, উদ্ধার বস্তাবন্দি দেহ zoom

নন্দন দত্ত, সিউড়ি: বাড়ি লাগোয়া বাঁশবাগান থেকে উদ্ধার তৃণমূল কর্মীর বস্তাবন্দি দেহ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বীরভূমের মহম্মদবাজারের লোহাবাজারের বেনেপাড়ায়। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম রামচন্দ্র গড়াই (৪৫)। এই ঘটনায় পরিকল্পিত খুনের অভিযোগ এনেছেন মৃতের পরিবার ও দলীয় কর্মীরা। তবে কে বা কারা রামচন্দ্রবাবুকে খুন করতে পারে, তা নিয়ে কোনও সদুত্তর মেলেনি। ঘটনার তদন্তে নেমেছে মহম্মদবাজার থানার পুলিশ।

[ঘুমের ওষুধ খাইয়ে রাশিয়ান তরুণীকে ধর্ষণ, চাঞ্চল্য তামিলনাড়ুতে]

জানা গিয়েছে, মহম্মদবাজারে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ের সর্বক্ষণের কর্মী ছিলেন রামচন্দ্র গড়াই। সমস্ত ধরনের কাজই তিনি দেখাশোনা করতেন। তবে বেশ কিছুদিন ধরে মৃত্যুর আতঙ্ক তাঁকে তাড়া করে ফিরছিল। পরিবার ও কাছের মানুষদের কাছে প্রায়ই বলতেন, খুন হয়ে যাব। কে বা কারা কেন তাঁকে খুন করবে জানতে চাইলে নিরুত্তর থাকতেন রামচন্দ্র গড়াই। স্ত্রীর কাছেও মৃত্যুভয়ের কথা জানিয়েছিলেন তিনি। এহেন ভয়ের মধ্যেই তাঁর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[স্বামীর ইচ্ছেয় সর্বদা যৌনতায় নাও রাজি হতে পারেন স্ত্রী, রায় আদালতের]

মৃতের স্ত্রী জানান, সোমবার বাড়ি ফিরে রাতে একটি ফোন এসেছিল। কারও সঙ্গে কথা বলতে তখনই তিনি বেরিয়ে যান। সেদিন রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। বেশি রাতের দিকে বাঁচাও বাঁচাও আর্তনাদ শুনেছেন। তবে তা যে রামচন্দ্রবাবুরই গলা তা বুঝতে পারেননি। মঙ্গলবার মহম্মদবাজার থানায় নিখোঁজের অভিযোগও দায়ের করেন। বুধবার সকালে বাড়ির কাছে বাঁশবাগানেই বস্তাবন্দি ক্ষতবিক্ষত দেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। সঙ্গেসঙ্গে থানায় খবর দেওয়া হয়। পুলিশ এসে বস্তা খুলতেই দেখা যায় রামচন্দ্র গড়াইয়ের দেহ। কিন্তু দুদিন ধরে নিখোঁজ ব্যক্তি খুন হলেন। তাঁর দেহ বাঁশবাগানে পড়ে রইল। পাশেই পুকুরঘাটে চলাচলের পথ। অথচ কেউ বস্তাবন্দি দেহ দেখতেই পেলেন না! গোটা ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমেছে। খুনের তদন্তে নেমেছে পুলিশ। পরিবার, প্রতিবেশী, দলীয় কর্মীদের একটাই দাবি রামচন্দ্রবাবুর প্রকৃত খুনিকে খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিক পুলিশ।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.