স্টাফ রিপোর্টার, বাঁকুড়া: ফের সমবায় সমিতির নির্বাচনে সবুজ ঝড়। বাঁকুড়া ২ ব্লকের বিকনা গ্রাম পঞ্চায়েতের সেন্দড়া ও কোতুলপুর সমবায় সমিতির নির্বাচনে এককভাবে দখল নিল শাসকদল। তবে চোখ এখন বাঁকুড়া ২ ব্লকের জুনবেদিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের শালবনি কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতিতে। সেখানে হবে ত্রিমুখী লড়াই। যেখানে ১২ আসনের সবকটিতে শাসকদল প্রার্থী দিলেও বিজেপি ৮ আসনে এবং সিপিএম ৭আসনে প্রার্থী দিয়েছে।
বিজেপির জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, “মানুষ গোপনে পরিবর্তনের অঙ্ক কষছে।” সিপিএম জেলা সম্পাদক দেবলীনা হেমব্রম বললেন, “কৃষকরা সেচ, সার, ঋণে বঞ্চিত। এই ক্ষোভই আমাদের শক্তি।” তৃণমূলের বক্তব্য অবশ্য উলটো। বাঁকুড়া ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিধান সিং বললেন, “সেন্দড়া, কোতুলপুর বিনা প্রতিদ্বন্দ্বীতায় জয়ের পরে বিরোধীরা একতরফা দখলদারির অভিযোগ তুলেছেন, অথচ শালবনিতে সবকটি আসনে প্রার্থীই দিতে পারেননি তাঁরা। আসলে মানুষ আমাদের উন্নয়নের কাজকে সমর্থন করেছেন, আমাদের উপর আস্থা রেখেছেন। সেন্দড়া, কোতুলপুর তারই প্রমাণ। ১৮ সেপ্টেম্বর শালবনিতে ভোটের পরে নিশ্চিত হয়ে যাবে মানুষ কাদের পাশে রয়েছেন। অন্যদিকে বিকনা গ্রাম পঞ্চায়েতের সেন্দড়া কৃষি উন্নয়ন সমবায় সমিতিতে ন’টি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তৃণমূলের জয়ের পর চেয়ারম্যান হলেন জগন্নাথ মণ্ডল, সম্পাদক সৌমিত্র নন্দী। বোর্ড গঠনের আগেই উৎসবের আনন্দে মেতেছে তৃণমূল শিবির।
বাঁকুড়া ২ ব্লক তৃণমূল সভাপতি বিধান সিংয়ের দাবি, “মানুষ উন্নয়ন চেয়েছে, তাই প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে দাঁড়ানোর সাহসই পাইনি। এই জয় আমাদের উপর মানুষের আস্থা।” একই ছবি কোতুলপুরেও। ফার্মাস সার্ভিস ও কো-অপারেটিভ সমিতির মোট ৩২টি আসনেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। কোতুলপুর ব্লক সভাপতি তরুণ নন্দীগ্রামী বললেন, “মানুষ বিজেপি-সিপিএমকে বিশ্বাস করে না।” অন্যদিকে বিজেপি জেলা সভাপতি প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “সেন্দড়া প্রমাণ করেছে গণতন্ত্র এখানে মৃত। প্রশাসনিক সন্ত্রাসে প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি।”
সর্বশেষ খবর
-
গরুচোর সন্দেহে গণপিটুনি! মৃত্যু যুবকের, ভাঙচুর একাধিক গাড়ি, উত্তেজনা শিলিগুড়িতে
-
গোবিন্দাকে বিয়ে না করেও রাঙানো সিঁথি! ‘সিঁদুরের মাহাত্ম্য বোঝো?’ শুনেই কোমল বললেন ‘জ্ঞান দেবেন না’
-
‘কোনও ইঙ্গিতও দেয়নি’, আচমকাই সম্পর্কে ইতি টানেন মাস্ক! অভিযোগ চার সন্তানের মা শিভনের!
-
বৈভবকে আউট করে বাচ্চা দোলানোর ইঙ্গিত, এশিয়াড ফাইনালে বিতর্কে পাক স্পিনার
-
খাঁ খাঁ সোনাগাছি, পুজোর মুখে অর্ধেক গ্রাহক, দুশ্চিন্তায় যৌনকর্মীরা!