Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
খুন

সদ্যোজাতকে নদীতে ফেলে খুনের অভিযোগ, আটক বাবা-সহ ২

কলকাতা থেকে বাঁকুড়া ফেরার পথেই মৃত্যু হয়েছিল সদ্যোজাতের, দাবি অভিযুক্তদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ২১:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২৭, ২০১৯, ২১:১১

options
link
সদ্যোজাতকে নদীতে ফেলে খুনের অভিযোগ, আটক বাবা-সহ ২ zoom

টিটুন মল্লিক,বাঁকুড়া: জন্ম থেকেই শরীরে বাসা বেঁধেছিল একাধিক কঠিন রোগ। চিকিৎসা করিয়েও খুব একটা লাভ হয়নি। সেই কারণেই সদ্যোজাতকে গন্ধেশ্বরী নদীতে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল পরিবারের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ওই সদ্যোজাতের বাবা-সহ ২ জনকে আটক করেছে বাঁকুড়া থানার পুলিশ। যদিও অভিযুক্তদের দাবি, খুন নয়, শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলেই জলে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: জোর করে নাবালিকার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা, কাঠগড়ায় বিজেপি কাউন্সিলরের স্বামী!]

কয়েকদিন আগেই এক পুত্র সন্তানের জন্ম দেন পশ্চিম মেদিনীপুরের গোয়ালতোড়ের বাসিন্দা নির্মলা শতপথির স্ত্রী। জন্মের পর থেকেই কঠিন রোগে ভুগছিল শিশুটি। ফলে জন্মের পরই বেশ কিছুদিন শিশুটিকে বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিক্যাল কলেজ এবং পরে কলকাতার বেশ কয়েকটি হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলে। কিন্তু তাতেও পুরোপুরি সুস্থ হয়নি শিশুটি। এরপর শুক্রবার রাত দশটার নাগাদ শিশুটিকে পরিবারের সদস্যদের বাঁকুড়ার গন্ধেশ্বরী নদীর উপরের সেতু থেকে নীচে ছুঁড়ে ফেলে দিতে দেখেন স্থানীয়রা। বিষয়টি নজরে পড়তেই অভিযুক্তদের হাতেনাতে ধরে ফেলেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ ও উদ্ধারকারী দল পাঁচঘন্টা তল্লাশি চালিয়ে গন্ধেশ্বরী নদী থেকে উদ্ধার করে ওই শিশুটিকে। এরপরই শিশুটির বাবা-সহ দুজনকে আটক করে তদন্তকারীরা।

Advertisement

অভিযুক্তদের দাবি, অসুস্থ অবস্থায় কলকাতা থেকে বাঁকুড়া ফেরার পথেই মৃত্যু হয় শিশুটির। তাই আর দেহ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাননি তাঁরা। সেই কারণেই সেতু থেকে গন্ধেশ্বরী নদীবক্ষে সদ্যোজাতকে ছুঁড়ে ফেলা হয়। স্থানীয়দের দাবি, ফেলে দেওয়ার আগের মুহূর্তে শিশুটির কান্না শুনতে পেয়েছিলেন তাঁরা। অর্থাৎ সেই সময়ও প্রাণ ছিল সদ্যোজাতের। স্থানীয়দের অনুমান, শিশুর চিকিৎসা করাতে গিয়ে অর্থসংকটে ভুগছিলেন মা,বাবা৷ সেই কারণেই জীবন্ত শিশুটিকে নদীতে ফেলে খুনই করা হয়েছে৷  এ প্রসঙ্গে বাঁকুড়ার পুলিশ সুপার কোটেশ্বর রাও বলেন, “অভিযোগ পেয়ে দুজনকে আটক করা হয়েছে। দেহটিও ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। অবিলম্বে আসল ঘটনা প্রকাশ্যে আসবে।”

[আরও পড়ুন: ভাসুরের ছেলের সঙ্গে পরকীয়া! ৬ বছরের সন্তানকে ফেলে ঘরছাড়া গৃহবধূ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.