Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Jayrambati

মা সারদার ভিটে ছুঁয়ে বাঁকুড়া-জয়রামবাটিতে ছুটবে ট্রেন, জানুন সময়সূচি

বাঁকুড়া ও জয়রামবাটির মধ্যে ৮টি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। বাঁকুড়া থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ছিল। এবার ময়নাপুরের সঙ্গে বড়গোপীনাথপুর, জয়রামবাটি জুড়ে গেল।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৪:৪৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১৭, ২০২৬, ১৪:৪৯

options
link
মা সারদার ভিটে ছুঁয়ে বাঁকুড়া-জয়রামবাটিতে ছুটবে ট্রেন, জানুন সময়সূচি zoom

রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) স্বপ্নের প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। রেলপথে জুড়ে যাচ্ছে জয়রামবাটি (Jayrambati)। বাঁকুড়া থেকে এবার একটি ট্রেনে চেপেই পৌঁছে যাওয়া যাবে সারদা মায়ের স্মৃতি বিজড়িত জয়রামবাটি। বাঁকুড়া থেকে ময়নাপুরের মধ্যে যে লোকাল মেমু ট্রেনটি যাতায়াত করত, সেটির রুট সম্প্রসারিত হচ্ছে জয়রমবাটি পর্যন্ত।

১৮ তারিখ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ১৯ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত যাতায়াত করবে এই ট্রেন। তৃণমূলের দাবি, ২০০০-০১ অর্থবর্ষে রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই বিষ্ণুপুর তারকেশ্বর রেলপথের ঘোষণা করেছিলেন। সমীক্ষা শুরু হয়েছিল ২০০২-০৩ সালে। সেই প্রকল্পের অংশ উদ্বোধন করা নিয়ে বিজেপি কৃতিত্ব নিতে ব্যস্ত।

Advertisement

ট্রেনটি দিনে একবার করে বাঁকুড়া ও জয়রামবাটির (Jayrambati) মধ্যে যাতায়াত করবে। সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে বাঁকুড়া থেকে ছেড়ে রাত ৮ টায় পৌঁছবে জয়রামবাটিতে। রাত ৮টা ১০ মিনিটে জয়রামবাটি থেকে ছেড়ে রাত ১০টায় বাঁকুড়ায় পৌঁছবে। বিষ্ণুপুরের স্টেশন ম্যানেজার দীপককুমার পাল জানান, “বাঁকুড়া-ময়নাপুর মেমু ট্রেন জয়রামবাটি পর্যন্ত সম্প্রসারণের নির্দেশিকা এসেছে। ১৯ জানুয়ারি থেকে নিয়মিত যাত্রী পরিষেবা শুরু হবে। ভবিষ্যতে যাত্রীসংখ্যা ও চাহিদা অনুযায়ী সময়সূচি পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।”

জয়রামবাটিতে ট্রেন পৌঁছনো নিঃসন্দেহে ঐতিহাসিক। বাঁকুড়া ও জয়রামবাটির মধ্যে ৮টি স্টেশনে দাঁড়াবে এই ট্রেন। সেগুলি হল ভেদুয়াশোল, ওন্দাগ্রাম, রামসাগর, বিষ্ণুপুর, বিরসা মুণ্ডা, গোকুলনগর-জয়পুর, ময়নাপুর ও বড়গোপীনাথপুর। বাঁকুড়া থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ছিল। এবার ময়নাপুরের সঙ্গে হয়ে বড়গোপীনাথপুর জয়রামবাটি জুড়ে গেল।

সূত্রের খবর, এই অংশের রেলপথের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৫ কিমি। তারকেশ্বর-বিষ্ণুপুর রেল প্রকল্পের অংশও এটি। এই রেল সংযোগের ফলে জয়রামবাটি পর্যটন মানচিত্রে যেমন সুবিধা পাবে। তেমনই বাঁকুড়ে শহরে আসতেও সুবিধা হবে ওই এলাকার গ্রামের বাসিন্দাদের।

তৃণমূলের বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন, “বিষ্ণুপুর-তারকেশ্বর রেলপথের ঘোষণা করেছিলেন তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যিনি উদ্বোধন করছেন, তিনি প্রকল্পের ঘোষণাকারী নন। কৃতিত্ব নিজের নামে নিতে চাইছেন।” অন্যদিকে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, “মা সারদার জন্মভূমি জয়রামবাটিতে ট্রেন পৌঁছনো ঐতিহাসিক। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ১৮ জানুয়ারি বাঁকুড়াবাসীর স্বপ্নপূরণ করবেন।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.