Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৩ জুলাই ২০২৬

২১ জুলাই ‘অঙ্গীকার দিবস’ হিসাবে পালন করবে তৃণমূল

শহিদদের সম্মান জানিয়ে উনিশের লড়াই!

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ১৯:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ৭, ২০১৮, ১৯:০৯

options
link
২১ জুলাই ‘অঙ্গীকার দিবস’ হিসাবে পালন করবে তৃণমূল zoom

ধ্রুবজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়: একুশে জুলাইয়ের পঁচিশে পা। উনিশের লড়াইয়ের আগে পঁচিশ বছরের পথচলায় শহিদদের সম্মান জানাতে ২১ জুলাইকে এবার ‘অঙ্গীকার দিবস’ হিসাবে পালন করবে তৃণমূল কংগ্রেস।

২০১৯-এ দিল্লিতে বড় লড়াই। জাতীয় স্তরে সেই লড়াইয়ে একের বিরুদ্ধে এক প্রার্থী দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটও আবর্তিত হচ্ছে অনেকটাই মমতার ফর্মুলায় ভরসা করে। বিগত দিনে বেশ কয়েকটি নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতির ভবিষ্যৎও নির্ধারিত হয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে মমতার গুরুত্ব অপরিসীম। স্বাভাবিকভাবেই তাঁর প্রস্তাবকেও মান্যতা দিয়েছে দেশের একটা বড় অংশের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। এর মধ্যে তাঁর দল তৃণমূল জানিয়ে দিয়েছে, দেশে পরিবর্তনের লড়াই শুরু হবে বাংলার মাটি থেকে। ফলে জাতীয় স্তরের লড়াইটা যে এ রাজ্য থেকেই নিয়ন্ত্রিত হবে, তা একপ্রকার পরিষ্কার। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে দাঁড়িয়ে কার্যত লড়াইয়ের চরম বার্তাটা দেবেন তৃণমূলনেত্রী। সে কারণেই এই দিনটিকে ‘অঙ্গীকার দিবস’ হিসাবে পালন করবে দল। দলের এক রাজ্য নেতার কথায়, “দলের সমস্ত কর্মসূচি যেমন নেত্রী নিজে ঠিক করে দেন, এই কর্মসূচিও অনেক আগে থেকে প্রস্তুত রেখেছিলেন তিনি। জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তৈরি তাঁর দলও।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[কিশোরকে মারধর ছেলের, পুলিশের কাছে ব্যবস্থা নেওয়ার আরজি কাউন্সিলরের]

বস্তুত, এক বছর আগেই ২১ জুলাইয়ের এই কর্মসূচি নির্ধারণ করে দেন তৃণমূলনেত্রী। মঞ্চে দাঁড়িয়ে তখনই তিনি বলেছিলেন, “আগামী বছর ২১ জুলাইয়ের ২৫ বছর হবে। আগামী বছর এই দিনটা আমরা অঙ্গীকার দিবস হিসাবে পালন করব।” শহিদদের সম্মান জানিয়ে মমতা আরও বলেছিলেন, “পঁচিশ বছর শহিদ দিবস। পঁচিশ বছর পর এটা অঙ্গীকার দিবসে রূপান্তরিত হবে। সব শহিদকে সম্মান জানিয়ে।”

শহিদদের সম্মান জানিয়ে প্রথম থেকেই এবার সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় তুলেছে তৃণমূল। মমতার নেতৃত্বে ১৯৯৩-এর ২১ জুলাই যে আন্দোলন হয়েছিল, তাকে প্রতিনিয়ত তুলে ধরা হচ্ছে। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনের প্রধান হাতিয়ার করা হয়েছে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর লড়াইকে। কখনও মমতার সেই লড়াইয়ের ভিডিও, কখনও সেই আন্দোলনের সময়ে মমতার পোস্টার আঁকার ছবি ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়ে গিয়েছে দলের ফেসবুক পেজে। তা নিয়ে ইভেন্টও তৈরি হয়েছে। সেই সূত্রেই প্রত্যেক শহিদের বাড়ি গিয়ে এই প্রথম তাঁদের পরিবারের মুখে তুলে আনা হচ্ছে সেদিনের স্মৃতিকথন। শহিদের পরিবারই বলে দিচ্ছে সেদিনের দুর্বিষহ ঘটনার কথা। ছোট ছোট ‘স্টোরি’ আকারে সেইসব তুলে ধরছে তৃণমূলের মিডিয়া সেল। সেসবই অঙ্গীকার দিবসের মঞ্চে দেখানো হবে। সব লড়াইয়েরই একটা প্রস্তুতি থাকে। অস্ত্রে শান দেওয়া থাকে। দলের আরেক নেতা বলছেন, “গত একটা বছর ধরে সেইসব অস্ত্রে শান দেওয়ার কাজ চলেছে। পঞ্চায়েত নির্বাচন ছিল মূল লড়াইয়ের আগে ছোট একটা ছায়াযুদ্ধ। একুশের মঞ্চে মূল বার্তাটা দেবেন নেত্রী। মন্ত্রের মতো সেই বার্তা নিয়েই লড়াইয়ে নেমে পড়বেন তৃণমূলের সৈনিকরা।”

[প্রবেশিকা বিতর্কে এখনও উত্তাল যাদবপুর, দাবিপূরণ না হওয়ায় অনশন পড়ুয়াদের]

সেই প্রস্তুতি কেমন হয়েছে, তার গোটা দায়িত্ব যুবর সভাপতি ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর। ইতিমধ্যে দলের সেই কর্মসূচি নিয়ে উন্মাদনা শুরু হয়ে গিয়েছে। কর্মীরা বিভিন্ন জেলা থেকে আসতে শুরু করছেন। তাঁদের থাকার বন্দোবস্ত কেমন হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে আজ বেশ কিছু এলাকা ঘুরে দেখবেন অভিষেক। প্রথম দফায় মিলনমেলা প্রাঙ্গণে যাওয়ার কথা তাঁর। পরে বসার কথা তৃণমূল ভবনে। কর্মসূচির প্রস্তুতি কেমন হয়েছে, তার চূড়ান্ত ছবি নিয়ে আসছেন কর্মীরা। তাঁদের সঙ্গেই কথা বলবেন অভিষেক৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.