Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
মালবাজার

নদী থেকে বালি-পাথর তোলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, উত্তপ্ত ওদলাবাড়ি

ট্রাক মালিকদের দু’পক্ষের মধ্যে অশান্তি৷

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৯, ১৫:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০১৯, ১৫:৩৫

options
link
নদী থেকে বালি-পাথর তোলা নিয়ে দ্বন্দ্ব, উত্তপ্ত ওদলাবাড়ি zoom
Advertisement

অরূপ বসাক, মালবাজার: নদী থেকে বালি ও পাথর তোলার রয়্যালটি থাকবে কোনও পক্ষের কাছে৷ এই ইস্যুতে ফের উত্তপ্ত ওদলাবাড়ি। মঙ্গলবার রয়্যালটির দরদাম ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকার পরিস্থিতি৷ গজলডোবায় বালি ও পাথর বোঝাই ট্রাকগুলি নিয়ে অবরোধে বসেন ট্রাক মালিকদের একাংশ৷ ওইদিন বিকালে মাল থানার ওসি ফজলুল হক অবরোধস্থলে পৌঁছে দু’পক্ষকে নিয়ে আলোচনার প্রস্তাব দেন৷ এরপরই অবরোধ তুলে নেন ট্রাক মালিকরা।

[ আরও পড়ুন: বিজেপি-পুলিশ সংঘর্ষে নানুরে বোমাবাজি, মাথা ফাটল ওসির]

Advertisement

একাংশের অভিযোগ, বালি, পাথর তোলাকে কেন্দ্র করে ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে৷ একশ্রেনীর ট্রাক মালিকদের সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে বালি পাথর পরিবহন করছে। জানা গিয়েছে, ওদলাবাড়ির চেল ও ঘিস দুটি নদী থেকে বালি, পাথর তোলার জন্য সরকারি ভাবে নদীঘাটগুলির অনুমোদন রয়েছে কয়েকটি রয়্যালটি লাইসেন্স হোল্ডারের৷ তাদের তরফে নীরজ সিং বলেন, ‘‘সরকারি কোষাগারে কয়েক কোটি টাকা অগ্রিম রাজস্ব জমা দিয়েছই৷ কয়েক মাস আগে ওদলাবাড়িতে নতুন করে নদীখাদান চালু করতে এসে দেখি, এই এলাকায় এক শ্রেণির দালালচক্রের মাধ্যমে বিনা রয়্যালটিতে বালি-পাথর তোলা হচ্ছে৷ কখনও রয়্যালটি চালান ছাড়াই আবার কখনও নিজেরাই ভুয়ো রয়্যালটি বানিয়ে রমরমিয়ে বালি-পাথর পাচারের অবৈধ কারবার চালাচ্ছে।’’

[ আরও পড়ুন: ‘কুরুচিকর রাজনৈতিক পোস্ট’, তৃণমূল সমর্থকদের পেজের মিম নিয়ে সমালোচনা রুদ্রনীলের ]

পাথরঝোড়া, তুড়িবাড়ি থেকে গজলডোবা পর্যন্ত নদীঘাটগুলোর বিভিন্ন জায়গায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে এই কারবার চলছে বলে তাদের অভিযোগ। নীরজ সিং জানিয়েছেন, স্বাভাবিকভাবেই সরকারি নিয়ম মেনে প্রতিটি লরিকে রয়্যালটি চালান কেটে বালি-পাথর পরিবহন করাতে তাদের বাঁধার সম্মুখীন হতে হয়েছে। বিষয়টি তিনি পুলিশকেও জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘‘বর্তমানে প্রতি ১০০ সিএফটি বালি-পাথর পরিবহণের জন্য ৬৫০ টাকা এবং ২০০ সিএফটির জন্য ১৩০০ টাকার রয়্যালটি চালান ইস্যু করা হচ্ছে। লরি মালিকরা নতুন এই রেট মেনে চলতে অস্বীকার করায়, ইদের আগে মাল থানায় ট্রাক মালিকদের সঙ্গে রয়্যালটি হোল্ডারদের একটি বৈঠক হয়।’’ ওদলাবাড়ি ট্রাক মালিকদের সংগঠনের সভাপতি শ্রবণ কুমার গুপ্তা বলেন, ‘‘মীমাংসা বৈঠকে প্রতি ১০০ সিএফটির জন্য ৩৭৫ টাকা এবং ২০০ সিএফটির জন্য ৭৫০ টাকার রয়্যালটি কাটা হবে সিদ্ধান্ত হয়েছিল। পরীক্ষামূলকভাবে বৈঠকের পর ১৫ দিন পর্যন্ত এই সিদ্ধান্ত বহাল থাকবে বলে ঠিক হয়েছিল৷’’ অভিযোগ, বৈঠকের পনেরো দিন পেরনোর আগেই গত সোমবার থেকে আবার পুরনো রেটে রয়্যালটি চালান কিনতে বাধ্য করা হচ্ছে।’’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.