২৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৪ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  বুধবার ১১ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, দুর্গাপুর: আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এবার পুলিশের জালে বিজেপির দুই নেতা। জানা গিয়েছে, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে পান্ডবেশ্বরে বিজেপির হয়ে মনোনয়ন পত্র দাখিলও করেছিল ধৃতরা। যদিও  অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাটি তৃণমূলের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের দাবি গোটা ঘটনাটি তৃণমূল ও পুলিশের চক্রান্ত।

[আরও পড়ুন: তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে জ্বলল বাইক, উত্তপ্ত পাথরপ্রতিমায় ইটের ঘায়ে জখম পুলিশ]

একজন পান্ডবেশ্বরের ডিভিসি পাড়ার বাসিন্দা প্রদীপ পাল। বর্তমানে বিজেপির পান্ডবেশ্বর ওবিসি মোর্চা সেলের সভাপতিও। ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে পান্ডবেশ্বর পঞ্চায়েত সমিতিতে দলের হয়ে মনোনয়নও দাখিল করে। অন্যজন, দিবাকর পাল পান্ডবেশ্বরের কুমারডিহির বাসিন্দা। বর্তমানে বিজেপির ১২৬ নম্বর বুথ কমিটির সভাপতি। দিবাকরবাবুও দলের হয়ে গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে গ্রামপঞ্চায়েতে লড়াইও করেছিলেন। এমনকী দ্বিতীয় স্থান দখল করেছিলেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। একসময় তৃণমূলেও যোগ দেন প্রদীপ পাল। পরে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়র হাত ধরে ফের বিজেপিতেও ফেরেন। এহেন দুই দাপুটে বিজেপি নেতার ঘর থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করল পুলিশ। পান্ডবেশ্বর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে ওই দুই নেতার বাড়িতে হানা দেয় পুলিশ। তাদের জেরা করেই উদ্ধার করা হয় দুটি ৯ এমএম পিস্তল এবং ৯ রাউন্ড কার্তুজ।

পুলিশি জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, সম্প্রতি বীরভূম থেকে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি এনেছিল তারা। তবে গোটা ঘটনাটি তৃণমূলের চক্রান্ত বলেই দাবি করেছেন স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপির জেলা সভাপতি লক্ষণ ঘড়ুই জানান, “লোকসভা নির্বাচনের আগে-পরে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মিথ্যা অভিযোগে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। সেই চক্রান্ত এখনও চলছে। এইসব তৃণমূলের দেউলিয়াপনা রাজনীতি। এইভাবে জনগণের থেকে বিজেপিকে কোনভাবেই বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।”

[আরও পড়ুন: কাটমানির ভুয়ো অভিযোগ পঞ্চায়েত প্রধানের বিরুদ্ধে, ক্ষমা চেয়ে মুচলেকা প্রৌঢ়ের]

তৃণমূলের জেলা সভাপতি জিতেন্দ্র তেওয়ারি জানান, “শিল্পাঞ্চলের মানুষ জানেন এবং দেখছেন বিজেপি কাদের নিয়ে সংগঠন চালাচ্ছে। পুলিশ ও প্রশাসন যারাই অন্যায় করবে তাদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।” আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশের ডিসি-১(পূর্ব) অভিষেক গুপ্তা জানান, “ সম্ভবত সন্ত্রাস ছড়াতেই আগ্নেয়াস্ত্র আনা হয়েছিল বলে অনুমান করা হচ্ছে। ধৃতদের হেফাজতে নিয়ে বিস্তারিত জেরা করা হবে। তারপরই গোটা বিষয়টি স্পষ্ট হবে। ”

ছবি: উদয়ন গুহরায়

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং