Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২১ জুন ২০২৬
Namkhana

অসময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে জালে ধরা পড়ল ইলিশ, মুখে হাসি মৎস্যজীবীদের, কত দাম হবে বাজারে?

মরশুমের সময় তাদের জালে পড়ার অপেক্ষায় কার্যত প্রার্থনা করেন মৎস্যজীবীরা। রাতের পর রাত জলের দিকে তাকিয়েও কেটে যায় অনেকের। তবুও মরশুমের সময় পরিমাণমতো পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ মৎস্যজীবীদের অনেকের। এবার অসময়েই জালে ধরা পড়ল।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ২১:৩৭

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৬, ২০২৬, ২১:৩৭

options
link
অসময়ে ঝাঁকে ঝাঁকে জালে ধরা পড়ল ইলিশ, মুখে হাসি মৎস্যজীবীদের, কত দাম হবে বাজারে? zoom
মৎস্যজীবীদের জালে ইলিশ। নিজস্ব চিত্র

মরশুমের সময় তাদের জালে পড়ার অপেক্ষায় কার্যত প্রার্থনা করেন মৎস্যজীবীরা। রাতের পর রাত জলের দিকে তাকিয়েও কেটে যায় অনেকের। তবুও মরশুমের সময় পরিমাণমতো পাওয়া যায় না বলে অভিযোগ মৎস্যজীবীদের অনেকের। এবার অসময়েই জালে ধরা পড়ল। ঝাঁকে ঝাঁকে গঙ্গা মোহনায় মৎস্যজীবীদের জালে উঠল ইলিশ। স্বভাবতই খুশির রোশনাই মৎস্যজীবীদের চোখেমুখে।

সময়ে ইলিশ মেলেনি মৎস্যজীবীদের জালে। কিন্তু সকলকে অবাক করে দিয়ে এই শীতের মরশুমে গঙ্গার মোহনায় দেখা মিলছে মরশুমের সেই অদেখা ইলিশেরই। এবছর ইলিশের ভরা মরশুমে আবহাওয়া প্রায় সময়ই ছিল প্রতিকূল। সমুদ্রের রুপোলি শস্যকে সেভাবে জালবন্দি করতে না পারায় বিফল মনোরথে বারবারই উপকূলে ফিরতে হয়েছে ইলিশ শিকারীদের। সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানান, পূর্ণিমার কোটালের পর গত কয়েকদিন ধরেই গঙ্গা মোহনায় মিলছে সমুদ্রের ইলিশ। কখনও নামখানা, কখনও ফ্রেজারগঞ্জ এলাকায়, কখনও বা বিদ্যাধরী নদীতে, কখনও আবার সমুদ্র মোহনায় মৎস্যজীবীরা মহানন্দে জালবন্দি করছেন সেই ইলিশ। এখনও পর্যন্ত ১০-১২ টি ট্রলার গত কয়েক দিনে প্রায় ৪০০ কেজি করে সর্ব মোট প্রায় চার টন ইলিশ জালবন্দি হয়েছে। ইলিশের ওজনও নেহাত মন্দ নয়। গড়ে ৪০০ থেকে ৪৫০ গ্রাম ওজনের ইলিশই মৎস্যজীবীরা জালবন্দি করেছেন বলে জানান তিনি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অসময়ে ভাগ্য এমন সহায় হওয়ায় আনন্দের বন্যা মৎস্যজীবী মহল্লায়। ইলিশ নিয়ে ঘাটে ফেরা মৎস্যজীবীদের কথায়, “ইলিশের ভরা মরশুমে পর্যাপ্ত মাছ জালবন্দি না করতে পারার কষ্ট ছিলই। বহু টাকা দাদন নিয়ে সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে প্রচুর আর্থিক ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। ভাগ্যদেবী প্রসন্ন হওয়ায় তবু কিছুটা ক্ষতি পূরণ হওয়ায় স্বস্তি মিলেছে।” নামখানা, ফ্রেজারগঞ্জ ঘাটে ইলিশ নিয়ে ট্রলারগুলি ভেড়ানোর পর সেইসমস্ত ইলিশ ঝাঁকাভর্তি করে নিশ্চিন্তপুর ও ডায়মন্ডহারবার আড়তের পাইকারি বাজারে ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে নিলামের জন্য। মৎস্যজীবীদের আশা, আরও কয়েকটা দিন এভাবেই জালবন্দি হতে পারে আরও বেশ কিছু ইলিশ। বাজারে কত দাম হবে এই ইলিশের? সাধারণ বাসিন্দাদের সাধ্যের মধ্যে কি দাম থাকবে? সেই প্রশ্ন উঠেছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.