Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
চটুল নাচ

শিক্ষক দিবসে স্কুল ও কলেজে চটুল নাচ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে

ছাত্র-ছাত্রীদের নাচে মুখ পুড়েছে দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯, ২১:২৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৬, ২০১৯, ২১:২৪

options
link
শিক্ষক দিবসে স্কুল ও কলেজে চটুল নাচ, ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক তুঙ্গে zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: কোথাও ‘কোমরিয়া করে লাপালপ, ললিপপ লাগেলু…’। কোথাও আবার ‘লে ফোটু লে, ফোটু লে…’। শিক্ষক দিবসে এই চটুল গানেই নাচ ও অনুষ্ঠান করে বিতর্কে জড়াল পুরুলিয়ার বান্দোয়ানের একটি স্কুল ও কলেজ। যা সোশ্যাল সাইটে এখন রীতিমতো ভাইরাল। শিক্ষক দিবসের মঞ্চেই এমন গানে ছাত্র-ছাত্রীদের নাচে মুখ পুড়েছে ওই দুই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। সমালোচনার ঝড় বইছে ফেসবুকের ওয়ালে।

বৃহস্পতিবার ৫ সেপ্টেম্বর। দুপুরের দিকে সবে শেষ হয়েছিল পুরুলিয়ার বান্দোয়ান এএনঝা হাইস্কুলের শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান। তারপর ক্লাস রুমেই ‘কোমরিয়া করে লাপালপ…’ চটুল গানে স্কুলের পোষাকেই নাচতে থাকে ছাত্ররা। এই নাচের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সেখানে দেখা যাচ্ছে হাতে-হাত রেখে নাচছে ছাত্রীরাও। দেখে মনে হচ্ছে যেন ‘ক্রীসমাস’ বা ‘নিউ ইয়ার ইভ’-র পার্টি। একইভাবে ওই দিনই শিক্ষক দিবসের ম়ঞ্চে সেই অনুষ্ঠান শেষে বান্দোয়ান মহাবিদ্যালয়ে একটি অর্কেস্টা পার্টির নাচ চলে ‘লে ফোটু লে…’ গানে। সেই সঙ্গে নাচতে থাকে ছাত্ররাও। যাকে ঘিরে ওই অনুষ্ঠানেই ঝামেলা বেধে যায়। কিছুক্ষণের জন্য ওই অনুষ্ঠান বন্ধ হয়ে গেলেও পরে আবার যথারীতি ওই চটুল গানেই নাচ চলে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: স্ত্রীর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কের জেরে খুন, গোয়ালতোড়ে বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর তদন্তে ইঙ্গিত]

তবে এই অনুষ্ঠানের বিরোধীতা করে সেখান থেকে বেরিয়ে যান ওই কলেজ ইউনিটের অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের ছাত্ররা। ওই ছাত্র সংগঠনের কলেজ ইউনিটের আহ্বায়ক সুদীপ মাহাতো বলেন, “শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এমন গানে নাচ শোভনীয় নয়। আমাদের সংগঠনের ছাত্ররা ওই অনুষ্ঠানের প্রতিবাদ করে সেখান থেকে চলে আসে।” তবে ওই কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই মঞ্চে শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান শেষে তাদের নবীন বরনে ওই নাচের অনুষ্ঠান হয়। ওই কলেজের টিচার-ইন-চার্জ সঞ্জয় দাসের কথায়, “শিক্ষক দিবসের শেষে নবীন বরনে ওই অনুষ্ঠান হয়েছে আমাদের অনুপস্থিতিতে। তবে শিক্ষক দিবসে আমরা যে অনুষ্ঠান করলাম তার কোনও প্রচার নেই। ওই গানের নাচ নিয়ে নানা কথা উঠছে। তবে আমরা ঠিক করেছি এরপর থেকে কলেজে শিক্ষক দিবসে আর নবীন বরন অনুষ্ঠান করতে দেব না।”

dance

[আরও পড়ুন: বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের বিরদ্ধে কাটমানির পোস্টার, চাঞ্চল্য গাইঘাটায়]

অন্যদিকে বান্দোয়ান এএনঝা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সত্যেন্দ্রনাথ মাহাতোও স্বীকার করেছেন, শিক্ষক দিবস শেষে ওই গানে শ্রেণিকক্ষেই পড়ুয়াদের ওই নাচ করা একেবারেই উচিত হয়নি। তাঁর কথায়, “শিক্ষক দিবসের অনুষ্ঠান শেষে মাইক খোলার সময় এই ঘটনা ঘটে। আমরা পড়ুয়াদের সতর্ক করে দিয়েছি।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.