Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২ জুলাই ২০২৬
Visva Bharati's professor Sudipta Bhattacharya discharged from his post

উপাচার্যের সঙ্গে ‘দুর্ব্যবহার’, বরখাস্ত অধ্যাপক, ৭ পড়ুয়াকে শোকজ করল বিশ্বভারতী

নির্দেশের বিরুদ্ধে আদালতে যাওয়ার হুঁশিয়ারি বরখাস্ত হওয়া অধ্যাপকের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২২, ২০:১১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ২৩, ২০২২, ২০:১১

options
link
উপাচার্যের সঙ্গে ‘দুর্ব্যবহার’, বরখাস্ত অধ্যাপক, ৭ পড়ুয়াকে শোকজ করল বিশ্বভারতী zoom

নন্দন দত্ত, বীরভূম: উপাচার্যের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও শারীরিক হেনস্তার অভিযোগে অর্থনীতি ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্যকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করল বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। এর আগেও উপাচার্যের বিরুদ্ধে আন্দোলনের নেপথ্যে থাকার অভিযোগে ১ বছর ৯ মাস সাসপেন্ড করা হয় তাঁকে। পরে শোকজ করা হয়। বরখাস্ত হওয়া অধ্যাপক সুদীপ্ত ভট্টাচার্য বলেন, “এই নির্দেশের বিরুদ্ধে তিনি আদালতে যাবেন।”

এছাড়া গত ২৩ নভেম্বর, উপাচার্যের অফিসে ১০ ঘন্টারও বেশি সময় ধরে আটকে রাখা, তাঁকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পত্তি ভাঙচুরের কারণে ৭ জন পড়ুয়াকে এক বছরের জন্য শোকজ করা হয়েছে। জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, পড়ুয়াদের শোকজ করা হয়েছে। তাদের কাছে কোনও প্রমাণ থাকলে আগামী ১০ দিনের মধ্যে জানাতে হবে যে পড়ুয়ারা দোষী নয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মক্কেল এত ভিআইপি! গর্ব হওয়া উচিত’, অনুব্রতর আইনজীবীর সঙ্গে মশকরা বিচারপতির]

উল্লেখ্য, বেশ কয়েকদিন ধরেই চরমে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের অশান্তি। পড়ুয়াদের অভিযোগ, গত পাঁচ বছর ধরে একনায়কতন্ত্র চালাচ্ছেন উপাচার্য। যাকে খুশি তাকে সাসপেন্ড করা, শোকজ করা, বদলি করা, কোনও কর্মীর বেতন বন্ধ করে দেওয়া যেন রোজনামচায় পরিণত করেছেন। বাদ যাননি পড়ুয়ারাও। উপাচার্যের রোষের শিকার হয়েছেন তাঁরাও। কাউকে হস্টেল থেক বহিষ্কার, তো কাউকে সাসপেন্ড করে শিক্ষাঙ্গন থেকে বাইরে রাখা হয়েছে। উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে তাঁর অফিসের সামনে যান পড়ুয়ারা। উপাচার্যের নির্দেশে নিরাপত্তারক্ষীরা পড়ুয়াদের দিকে কার্যত ধেয়ে আসেন। পড়ুয়ারাও তাঁদের দাবি জানাতে নাছোড়বান্দা। উপাচার্য নিরাপত্তারক্ষীদের পড়ুয়াদের উপর ‘গুলি চালানো’রও নিদান দেন বলেই অভিযোগ। এরপর পড়ুয়া ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

সেই ঘটনার পর থেকে উপাচার্যের পদত্যাগের বাসভবনের সামনে মঞ্চ করে আন্দোলন চালাচ্ছেন পড়ুয়ারা। যার জেরে গৃহবন্দি উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। মাঝে উপাচার্য বাড়ি থেকে বেরনোর চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে বাধা দেন পড়ুয়ারা, এমনটাই অভিযোগ। ফেরার সময়ও অশান্তি হয়। পড়ুয়াদের লক্ষ্য করে ঢিল ছোঁড়ার অভিযোগ উঠেছে উপাচার্যের বিরুদ্ধে। নিরাপত্তারক্ষীরা ধরনা মঞ্চের আলো ভেঙে দেয় বলেও অভিযোগ। এরপর অন্ধকারে খুলে দেওয়া হয় ধরনা মঞ্চ। সরিয়ে ফেলা হয় চেয়ার টেবিল। নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়ান আন্দোলনকারীরা। ধরনা মঞ্চ সরালেও লাভ হবে না বলেই সাফ বার্তা আন্দোলনকারীদের। এই পরিস্থিতিতেই নিরাপত্তার দাবি জানিয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য।

[আরও পড়ুন: হুগলিতে রাম-বাম ‘জোট’, দলীয় পতাকা হাতে বিজেপির মিছিলে শামিল সিপিএম কর্মী-সমর্থকরা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.