Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Jhargram

ক্লাসের বান্ধবী রাজনীতির ময়দানে প্রতিপক্ষ, ঝাড়গ্রামে দুই সহপাঠীর ভোটযুদ্ধ

কুকথা নয়, সৌজন্যের নজির রেখেই হবে লড়াই, বার্তা দুই বান্ধবীর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২১, ১৭:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৭, ২০২১, ১৭:৫২

options
link
ক্লাসের বান্ধবী রাজনীতির ময়দানে প্রতিপক্ষ, ঝাড়গ্রামে দুই সহপাঠীর ভোটযুদ্ধ zoom
Advertisement

সুনীপা চক্রবর্তী, ঝাড়গ্রাম: মুখোমুখি দু’পক্ষ। রাজনীতির লড়াই দুই বান্ধবীকে এনে দাঁড় করিয়েছে এক অপরের বিরুদ্ধে। ছোটবেলার দুই সহপাঠী এখন রাজনীতির ময়দানের নেমেছেন নিজেদের আদর্শের লড়াই নিয়ে। কুকথা, কটু বাক্য কিংবা ব্যক্তিগত আক্রমণ নয়। এই নীতিতে এখনও বিশ্বাসী দুই বান্ধবী। চান, লড়াই হোক সৌজন্য মেনেই। এঁদের একজন ঝাড়গ্রাম (Jhargram) বিধানসভা কেন্দ্রের নবাগতা তৃণমূল প্র্রার্থী বীরবাহা হাঁসদা, অপরজন সিপিএম প্রার্থী মধুজা সেনরায়।

হোম টাউন থেকেই দু’জনের লড়াই। ঝাড়গ্রাম বিধানসভা আসনে তৃণমূলের (TMC) হয়ে টিকিট পেয়েছেন অভিনেত্রী বীরবাহা হাঁসদা। আর একই আসনে লড়ছেন বাম প্রার্থী সিপিএমের  (CPM) মধুজা সেনরায়। দু’দলের দুই আদর্শ। কিন্তু দুই প্রার্থীই চাইছেন, মানুষের সামগ্রিক উন্নয়ন। নিজের শহর ঝাড়গ্রাম থেকে দুই শিবির দুই প্রর্থীদের নিয়ে প্রচারে ঝড় তুলছে শুরু থেকেই। রাজনীতির ময়দানে কেউ কাউকে জমি ছাড়বেন না। ঝাড়গ্রাম ৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাছুরডোবার বাসিন্দা বাম প্রার্থী মধুজা সেনরায়। অন্যদিকে, শহরের ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা তৃণমূল প্রার্থী অভিনেত্রী বীরবাহা হাঁসদা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: বন্দি মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত লেদার কমপ্লেক্স থানা, চলল ব্যাপক ভাঙচুর, জখম ৩ পুলিশকর্মী

দুই বান্ধবীর পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে, তাঁরা ঝাড়গ্রামে রানি বিনোদ মঞ্জুরী রাষ্ট্রীয় বালিকা বিদ্যালয়ে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একসঙ্গে লেখাপড়া করেছেন। দু’জনের মধ্যে বন্ধুত্বও ছিল বেশ।তবে পরবর্তী ক্ষেত্রে লেখাপড়া-সহ অন্যান্য কারণে দু’জনের জীবনের গতিপথ বদলেছে। আর তার সঙ্গে দেখা, সাক্ষাৎ, যোগাযোগও কমেছে। তবে মাঝে দীর্ঘ অদেখার পর আবার তাঁরা একই ক্ষেত্রে এসে পড়েছেন। তবে এবার ক্ষেত্র একই হলেও দু’জন দু’ প্রান্তে দাঁড়িয়ে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। একজন রাজ্যের শাসক দলের হয়ে গলা ফাটাবেন আর অন্যজন তাঁর বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলবেন। ময়দান এক হলেও এরা এখন প্রতিপক্ষ। তবে দু’জনেই বিশ্বাস করেন, সৌজন্যের রাজনীতিতে। তৃণমূল প্রার্থী বীরবাহা হাঁসদা বলেন, “আমরা স্কুলে প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একসঙ্গে পড়তাম। অনেকদিন দেখা হয়নি। তবে চিনতে পেরেছি ওকে। নীতির প্রশ্নে আমরা ময়দানে। সেখানে জমি ছাড়ার প্রশ্ন নেই।তবে সৌজন্য বজায় রেখেই লড়াই।এতে আমাদের বন্ধুত্বে কোনও প্রভাব পড়বে না।”

[আরও পড়ুন: ‘বাংলা নয়, পরিবর্তন হবে দিল্লিতে’, শিলিগুড়ি থেকে মোদির উদ্দেশে হুঙ্কার মমতার]

অন্যদিকে বাম প্রার্থী মধুজা সেনরায় বলেন, “আমার ছোটবেলার বন্ধু।একটা কথাই বলব কোন কুকথার চাষ চাই না। ও ভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাস করে। সেই মতাদর্শ থেকে ভোটে দাঁড়িয়েছে। ছোটবেলা থেকে আমি যে পরিমণ্ডলে বড় হয়েছি, রাজনীতি করেছি। সেই মতাদর্শ থেকেই লড়াই। লড়াই সেই পর্যায়ে যাবে না যেখানে ব্যক্তিগত আক্রমণ হবে।” সবমিলিয়ে বলা যেতেই পারে, ঝাড়গ্রাম বিধানসভায় এই সৌজন্যের লড়াই বেশ জমে উঠেছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.