Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Dilip Ghosh

‘২ মে-র পর শুধুই ছবি আঁকতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে’, ‘চায়ে পে চর্চা’ থেকে মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের

'বীরভূম থেকে গুন্ডারা এসে বর্ধমানে অশান্তি ছড়াচ্ছে', অনুব্রতকে নিশানা দিলীপের।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২১, ১২:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৪, ২০২১, ১২:৫২

options
link
‘২ মে-র পর শুধুই ছবি আঁকতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে’, ‘চায়ে পে চর্চা’ থেকে মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের zoom
Advertisement

সৌরভ মাজি, বর্ধমান: ধরনাস্থলে বসে ছবি আঁকা নিয়ে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। বললেন, “২ মের পর শুধুই ছবি আঁকতে হবে মুখ্যমন্ত্রীকে। আর কোনও কাজ থাকবে না। তাই উনি অভ্যেস করুন।” বুধবার সকাল বর্ধমানের নীলপুরে ‘চায়ে পে চর্চা’য় উপস্থিত ছিলেন দিলীপ। সেখান থেকেই এই মন্তব্য করলেন তিনি।

মঙ্গলবার রসিকপুরে দিলীপ ঘোষ ব়্যালিতে হামলা হয়। এদিন সেই প্রসঙ্গেও প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। বলেন, “বিভিন্ন জায়গাতেই গন্ডগোল পাকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে গুন্ডারা। কিন্তু ভয় দেখিয়ে এবার আর ভোটারদের প্রভাবিত করা যাবে না। আমরা কারও দলীয় কার্যালয়ে হামলা করি না।” মঙ্গলবারের ঘটনার জন্য নাম না করেই তৃণমূলকে বিঁধলেন তিনি। দিলীপ ঘোষের কথায়, “কালকে ওরা হামলার চেষ্টা করেছিল। আমাদের ছেলেরা আটকেছে। তারপর সাধারণ মানুষ যা করার করেছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন : ভয়াবহ হচ্ছে করোনা পরিস্থিতি, তারকেশ্বর মন্দিরের গর্ভগৃহে প্রবেশে ফের জারি নিষেধাজ্ঞা]

একইসঙ্গে তাঁর হুঁশিয়ারি, “শুধু বর্ধমান কেন রাজ্যের কোথাওই এই গুন্ডামির রাজনীতি আমরা চলতে দেব না। জঙ্গলমহলে দিদিমণির দোকান বন্ধ হয়েছে, এবার বর্ধমানের দোকানটা বন্ধ করে দেব। বিরোধী হিসেবে দু একটা সিট ছেড়ে দেব আমরা।” বীরভূম থেকে গুন্ডা এসে বর্ধমানে অশান্তি ছড়াচ্ছে বলে অভিযোগ করেন দিলীপ। বলেন, “বীরভূম থেকে গুণ্ডারা এসে এখানে অত্যাচার করছে। বর্ধমানের মানুষ বহু অত্যাচার সহ্য করেছে।”

শীতলকুচির ঘটনা নিয়ে মন্তব্যের জেরে বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে নোটিস দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে দিলীপ বলেন, “যারা শীতলকুচি করেছিল, তারা হেরে গিয়েছে। প্রতি বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। কোনও ভোটারকে কেউ আটকাতে পারবে না। ভোটদানে বাধা দিতে পারবে না। যদি কেউ মারপিট করতে যায় তবে তো তাকে তো ফল ভুগতেই হবে।” তাঁর কথায়, “কেউ যদি ভাবে তারা তাদের মতো ভোট করে নেবে, সেটা হবে না। কেন্দ্রীয় বাহিনী এলে যাদের অসুবিধা হয় তাদের একটু কষ্ট হচ্ছে।” জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাসী দিলীপ ঘোষ আরও বলেন, “সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চাইছেন। যারা সেই পরিবর্তনে বাধা দিতে চাইছে তারাই আমাদের কর্মসূচিতে গোলমাল করছে।”

[আরও পড়ুন : প্রেমে বাধা, ডায়মন্ড হারবারে খুন যুব তৃণমূল নেতা, দেহ ভেসে উঠল খালের জলে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.