১২ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

যেমন দক্ষতা তেমন কাজ, পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য ‘স্কিল ম্যাপিং’ রাজ্যের

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: June 11, 2020 2:38 pm|    Updated: June 11, 2020 2:38 pm

An Images

সন্দীপ চক্রবর্তী: ভিন রাজ্য থেকে বাংলায় ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকদের চাকরি দিতে আলাদা মোবাইল অ্যাপ, ওয়েব পোর্টাল তৈরি করছে নবান্ন। এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত হবে তাঁদের নাম। সেখানেই স্পষ্ট উল্লেখ থাকবে যে কোন শিল্পতালিকায় তিনি অন্তর্ভুক্ত হবেন বা তাঁর দক্ষতা কতটা। অর্থাৎ দক্ষতা ও ট্রেডের ভিত্তিতে সেই পরিযায়ী শ্রমিক নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে চাকরি পাবেন।

গোটা প্রক্রিয়ার নাম, স্কিল ম্যাপিং। প্রাথমিকভাবে নবান্ন রাজ্য শ্রমদপ্তরকে গোটা বিষয় দেখভালের দায়িত্ব দিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই স্পষ্ট করেছিলেন, লকডাউনের মধ্যেই অতি কষ্টে চলে আসা এই শ্রমিকদের কাজ দেওয়া হবে। তার পরেই নির্দিষ্ট প্রস্তাব তৈরি হয়েছে শ্রমদপ্তরে। দপ্তর সূত্রে খবর, এঁদের সম্পর্কে এমপ্লয়মেন্ট এক্সচেঞ্জের মাধ্যমেও তথ্য জোগাড় করা হবে। এখনই যাঁরা এ ব্যাপারে নাম সংগ্রহ করেছেন তাঁরাও শ্রমদপ্তরকে তথ্য জানিয়ে দেবেন। পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য যে মডিউল তৈরি করা হবে সেখানে স্কিল প্রোফাইল ও এক্সপিরিয়েন্সের উপর জোর দেওয়া হবে। যাতে ওঁদের অবিলম্বে কোথাও কাজ দেওয়া সম্ভব হয় প্রশিক্ষিত শ্রমিক হিসাবে। দপ্তরের আধিকারিকরাও মনে করছেন, এমপ্লয়মেন্ট ব্যাংকের মাধ্যমে হলে পুরো বিষয়টি স্পষ্ট হবে। এছাড়া জব ফেয়ার বা জব ড্রাইভস করা যেতে পারে বলে মত দিয়েছেন আধিকারিকরা। পরে এঁদের সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্পে আনা হবে।

[আরও পড়ুন: আবাসন শিল্পে আশার মাঝেও চোরা আশঙ্কা, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে রাজ্যে ফেরা পরিযায়ী শ্রমিকরা]

প্রস্তাব রয়েছে, অল্প সময়ের ভিত্তিতে প্লেসমেন্ট লিংকড প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা। স্কিল ম্যাপিংয়ের পর বোঝা যাবে যে কোন ট্রেডে কত দক্ষ শ্রমিক রয়েছেন। সেই অনুযায়ী তখন অ্যাকশন প্ল্যান করা হবে। ট্রেড ও দক্ষতা অনুযায়ী ম্যাপিং করা হবে জেলা ধরে ধরে। আপাতত জেলাগুলিকেও পরিযায়ী শ্রমিকদের নাম তালিকাভুক্ত করতে বলা হয়েছে। আপাতত সমীক্ষা অনুযায়ী, নির্মাণ শ্রমিক, জরি বা জুয়েলারির কাজে, আসবাবপত্রের সঙ্গে যুক্ত, অ্যাপারেল অ্যান্ড টেলারিং, ছুতোর, হস্তশিল্পী, পেইন্টার, ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, ড্রাইভার, সেলস পার্সোনেল, গাড়ি ও মোটর সাইকেল মেকানিক, কলের মিস্ত্রি, ইলেকট্রিশিয়ান, কুকিং ক্ষেত্রকে আলাদা করা হবে বলে ঠিক হয়েছে।

[আরও পড়ুন: তথ্যপ্রযুক্তি কর্মীদের জন্য সুখবর, তাঁদের কথা ভেবে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement