Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ২০ আগস্ট ২০২৬
WB Panchayat Election

মোদি-শাহ-নাড্ডা বাদ, পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্য সফরে নেই বিজেপির কোনও কেন্দ্রীয় নেতাই

জুন ও জুলাই মাসে কেন্দ্রীয় নেতাদের বঙ্গ সফর আপাতত বাতিল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৩, ২০:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০২৩, ২০:৪০

options
link
মোদি-শাহ-নাড্ডা বাদ, পঞ্চায়েত ভোটের আগে রাজ্য সফরে নেই বিজেপির কোনও কেন্দ্রীয় নেতাই zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের (Panchayat Election) আগে রাজ্যে আসছেন না বিজেপির কোনও কেন্দ্রীয় নেতাই। বাংলায় যা যা কর্মসূচি ছিল দিল্লির নেতাদের, তার সবটাই পিছিয়ে গিয়েছে জুলাই পর্যন্ত। পঞ্চায়েত ভোট পর্ব শেষের আগে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi), অমিত শাহ (Amit Shah) তো বটেই, আসবেন না বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডাও। সফর বাতিল অন্যান্য কেন্দ্রীয় নেতারও। এমনকী মোদি সরকারের নবম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে বঙ্গে প্রচারের জন্য যে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছিল, তাও বাতিল আপাতত। জুলাইয়ের পর নতুন করে পরিকল্পনা করা হবে বলে খবর বিজেপি সূত্রে। দিল্লির শীর্ষ নেতৃত্বের বার্তা, পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারের দায়িত্ব নিতে হবে রাজ্য নেতৃত্বকেই।

চব্বিশের লোকসভা ভোটের (Loksabha Election)অনেক আগে থেকে অঘোষিত প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে বিজেপির। বিভিন্ন রাজ্যে মোদি-শাহদের সফরসূচি অনেকটাই চূড়ান্ত। বাংলাতেও প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দিয়ে প্রচার করানোর পরিকল্পনা নিয়েছিল রাজ্য বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব। মুরলিধর সেন লেন সূত্রে খবর ছিল, জুনের মাঝামাঝি রাজ্যে আসবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। তার পরপরই অমিত শাহ ও জে পি নাড্ডার আসার কথা। উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণবঙ্গে তাঁদের দিয়ে তিনটি জনসভা করার তোড়জোড়ও চলছিল। কিন্তু এরই মাঝে আচমকা ৮ জুলাই রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট ঘোষণা হয়েছে। ১১ জুলাই ফলাফল। সেই কারণে তাঁরা নিজেদের সমস্ত সফরসূচি বাতিল করেছেন বলে খবর।

Advertisement

[আরও পড়়ুন: চরম গরমেও শীতপোশাকে কুচকাওয়াজ! রাজকুমারের সামনেই জ্ঞান হারালেন ৩ ব্রিটিশ সেনা]

আগেই দিল্লির তরফে বঙ্গের গেরুয়া ব্রিগেডকে বার্তা দেওয়া হয়েছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনে নিজেদের জোরেই লড়তে হবে। বাংলার বেশ কিছু বুথেই বিজেপি সাংগঠনিকভাবে দুর্বল। সেসব জায়গায় জোর দিতে বলা হয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar), বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীদের (Suvendu Adhikari)। এর মধ্যে বেশি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সুকান্ত মজুমদারকে। এছাড়া নিজের নিজের লোকসভা ও বিধানসভা এলাকায় প্রচার করবেন সাংসদ, বিধায়করা। গ্রামবাংলার নির্বাচনের অ্যাসিড টেস্টের পরই আগামী লোকসভা ভোটের নীল নকশা ছকতে শুরু করবে বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব। তার আগে পর্যন্ত এ রাজ্যের কর্মসূচি নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ দিল্লির নেতারা।

[আরও পড়়ুন: সেনা জওয়ানের স্ত্রীকে অর্ধনগ্ন করে ১২০ জন মিলে মার! চাঞ্চল্য তামিলনাড়ুতে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.