Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

প্রার্থী নেই! পঞ্চায়েতে জয় পেতে ঝাড়খণ্ডীদের সঙ্গে জোটে সিপিএম

জঙ্গলমহলের একদা লালদূর্গ এখন অতীত।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৮, ০৯:৩৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১, ২০১৮, ০৯:৩৪

options
link
প্রার্থী নেই! পঞ্চায়েতে জয় পেতে ঝাড়খণ্ডীদের সঙ্গে জোটে সিপিএম zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: প্রার্থী দিতে পারেনি। তাই পঞ্চায়েতে ক্ষমতা পেতে ঝাড়খণ্ডীদের সঙ্গেও জোট বাঁধল সিপিএম। তবে এই জোট শুধুমাত্র গ্রামপঞ্চায়েত ও সমিতিতে। কারণ জেলা পরিষদে বাম-কংগ্রেসের ঘোষিত জোট হওয়ার কথা থাকলেও শেষপর্যন্ত তা হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে যে ছবি দাঁড়িয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, এই জেলায় গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৯৪৪টি আসনের মধ্যে সিপিএম প্রার্থী দিতে পেরেছে ৯৯১টি আসনে। এছাড়া ফরওয়ার্ড ব্লক প্রার্থী দিয়েছে ১৬৯টি আসনে। সিপিআই সাতটি ও আরএসপি প্রার্থী দিয়েছে তিনটি আসনে। সবমিলিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে বামেদের প্রার্থীর সংখ্যা মোট ১১৬০টি। এছাড়া পঞ্চায়েত সমিতিতেও সব আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি সিপিএম। ৪৪৬টি আসনের মধ্যে সিপিএম প্রার্থী দিতে পেরেছে ২৮২টি আসনে। ফরওয়ার্ড ব্লক দিয়েছে ৫৩টি। সিপিআই ও আরএসপি একটি করে। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৩৩৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে বামেরা। বাকি আসনগুলিতে কংগ্রেস,  ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও ঝাড়খণ্ড দিশম পার্টির সঙ্গে জোট বেঁধেছে তারা। তবে জঙ্গলমহলে বিশেষ করে বান্দোয়ান এলাকাতেই তারা ওই ঝাড়খণ্ডী দলগুলির সঙ্গে জোট করেছে।

[রাজনৈতিক সংঘর্ষে উত্তাল তেহট্ট, জখম ১৫ জন রাজনৈতিক কর্মী]

cpm-purulia

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এই প্রসঙ্গে সিপিএমের জেলা সম্পাদক প্রদীপ রায় বলেন,“ যেখানে আমাদের প্রার্থী নেই সেখানে তৃণমূল ও বিজেপি কে হারাতে নির্দল, কংগ্রেস ও ঝাড়খণ্ডী দলগুলিকে সমর্থন করছি। আমাদের লক্ষ্য একটাই তৃণমূল ও বিজেপিকে কোনওভাবেই জিততে দেব না।” অথচ রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় এই ঝাড়খণ্ডী দলগুলিকেই বিচ্ছিন্নতাবাদী দল বলে প্রচার করত সিপিএম। আর এখন পঞ্চায়েতের ক্ষমতা পেতে সেই দলগুলির সঙ্গেই হাত মিলিয়েছে বামেরা। বান্দোয়ানের একাধিক গ্রামে দেওয়াল লিখনে সেই জোটের আভাস মিলেছে। বান্দোয়ানের তৃণমূল বিধায়ক রাজীবলোচন সরেন বলেন,  “এর থেকেই প্রমাণ সিপিএমেরও কোনও নীতি নেই। তারা পঞ্চায়েতের ক্ষমতা পেতে এভাবে জোট বেঁধেছে। সাধারণ মানুষ সব দেখছে। এর জবাব ব্যালটে দেবে।” যে জঙ্গলমহল একসময় সিপিএমের লাল দুর্গ ছিল সেখানেই এখন আর প্রার্থী দিতে পারছে না তারা। আসলে এই এলাকায় প্রার্থী তো দূর অস্ত কর্মীও নেই সিপিএমের। একদিকে ঢালাও উন্নয়ন অন্যদিকে সিপিএম ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করায় ধস নেমেছে তাদের সংগঠনে।

ছবি :অমিত সিং দেও   

[মনোনয়ন প্রত্যাহারের হিড়িক, নলহাটিতে ভাঙলেও মচকাতে নারাজ বাম নেতারা]

 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.