Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১০ জুলাই ২০২৬

বাম-কংগ্রেস জোটের ছাপও পড়ল না গ্রামীণ হাওড়ায়, জয় তৃণমূলেরই

জোটের নির্দল প্রার্থীকেও হারিয়ে ক্ষমতায় তৃণমূল।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৮, ১৭:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০১৮, ১৭:৩৭

options
link
বাম-কংগ্রেস জোটের ছাপও পড়ল না গ্রামীণ হাওড়ায়, জয় তৃণমূলেরই zoom
ফাইল ছবি

সন্দীপ মজুমদার, উলুবেড়িয়া: পঞ্চায়েত নির্বাচন উপলক্ষে বিভিন্ন এলাকায় তলে তলে জোট হল। তাতেও কোনওরকম আঁচড় কাটতে পারল না বাম-কংগ্রেস জোট। নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্ব শ্যামপুর, বাগনান, আমতায় অলিখিত জোট গঠন করে। বাগনান-এক পঞ্চায়েত সমিতির বাইনান গ্রাম পঞ্চায়েতে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট প্রার্থীরা  যৌথভাবে দেওয়াল লিখনও করে। একই ধরনের দেওয়াল লিখনের ছবি দেখা যায় শ্যামপুর-দুই পঞ্চায়েত সমিতির বাছরি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতে। তবে এখানেই শেষ নয়, গ্রামীণ হাওড়ায় দারুণভাবে জোটের খবর ছড়িয়ে পড়ে। তালিকায় রয়েছে শ্যামপুরের বাণেশ্বরপুর, রাধাপুর, বাগনানের বাকসীহাট, কল্যাণপুর ও আমতার কিছু এলাকা। এই জায়গাগুলিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচনে জোটবদ্ধ ভাবে অংশ নেয় বাম-কংগ্রেস। যেখানে প্রার্থী দিয়ে বেগ পেতে হতে পারে বুঝেছেন দুই দলের নেতারা, সেখানে নির্দ্বিধায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে নির্দল প্রার্থী দাঁড় করিয়েছেন। নিয়েছেন নয়া রণকৌশল। ভোটের আগে দু’দলকে একসঙ্গে প্রচারেও দেখা গিয়েছিল।

[ভোটগণনা কেন্দ্রে হামলা, একাই লড়াই করে ছাপ্পা রুখলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক]

এদিকে নিচুতলায় জোটের প্রসঙ্গ অস্বীকার করেছেন সিপিএমের হাওড়া জেলার সম্পাদক বিপ্লব মজুমদার। কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্র কিন্তু বিপ্লববাবুর রাস্তায় হাঁটেননি। তিনি জোট প্রসঙ্গ স্বীকার করে নিয়ে জানিয়েছেন, তৃণমূলের সন্ত্রাসের মোকাবিলা করতেই বাম-ডান কর্মীরা এক হয়েছেন। অন্যদিকে এই জোটের প্রভাব যে কোথাও পড়েনি নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরেই তা স্পষ্ট হল।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বলাবাহুল্য, বাগনান-এক নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত বাকসীহাট গ্রাম পঞ্চায়েতটি কংগ্রেসের। জেলার একমাত্র কংগ্রেস বিধায়ক অসিত মিত্রের খাসতালুক বলে পরিচিত বাকসীহাট। এই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৮টি আসনের মধ্যে ১৩টিতে বাম ও ডান নেতৃত্ব জোটে এক কাট্টা ছিলেন। তাই নিজেদের প্রতীক ছেড়ে নির্দল প্রার্থীদের দাঁড় করেছিলেন। বাকি পাঁচটি আসনে মতানৈক্য না হওয়ায় তাঁরা কোনও প্রার্থী দেননি। তৃণমূল কংগ্রেস তাই আগেই ওই পাঁচটি আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়। যে ১৩টি আসনে বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্ব নির্দল প্রার্থীদের সমর্থন করেছিলেন সেগুলির সবকটিতেই তৃণমূল জয়ী হয়েছে। এর পাশেই বাইনান গ্রাম পঞ্চায়েতের ২১টি আসনের মধ্যে সবগুলিতেই তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। যার ফলে বাকসীহাট ও বাইনান গ্রাম পঞ্চায়েত দুটি পুরোপুরি বিরোধীশূন্য হয়ে পড়ে। ২০১৩-র প্রবল তৃণমূল ঝড়ের মধ্যেও বাইনান গ্রাম পঞ্চায়েতের একটি আসনেও শাসকদল জয়ী হতে পারেননি। সেখানে এবার বাম-কংগ্রেস জোটও তৃণমূল প্রার্থীদের কোনও রকম বেগ দিতে পারল না। অন্যদিকে শ্যামপুর-এক পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত বাণেশ্বরপুর-এক গ্রাম পঞ্চায়েতর ১১টি আসনের মধ্যে ন’টি তৃণমূল কংগ্রেস দখল করেছে। একটিতে বিজেপি ও অন্যটিতে সিপিএম প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন। এই পঞ্চায়েতটি তৃণমূলের তিন বারের বিধায়ক কালিপদ মণ্ডলের হোম পঞ্চায়েত হিসাবে চিহ্নিত। যদিও ২০১৩-র নির্বাচনে কালীপদবাবুর হাত ছাড়া হয়েছিল এই পঞ্চায়েত। দখল করে বামেরা। এবার সেখানে বাম ও কংগ্রেস জোটবদ্ধ হলেও পঞ্চায়েত তৃণমূল কংগ্রেসের হাতেই থাকল।

[প্রধান পদের লড়াইয়ে বাম ঘরে পদ্ম, তবুও হল না শেষরক্ষা]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.