Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জয়েন্ট এন্ট্রান্স

জয়েন্টে চমক দুর্গাপুরের, মেধাতালিকায় একই জেলার ৩ পড়ুয়া

কলকাতার পাঁচ পড়ুয়াও জায়গা করে নিয়েছে মেধাতালিকায়৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৯, ১৫:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২০, ২০১৯, ১৫:০০

options
link
জয়েন্টে চমক দুর্গাপুরের, মেধাতালিকায় একই জেলার ৩ পড়ুয়া zoom

রিংকি দাস ভট্টাচার্য: রাজ্যের জয়েন্ট এন্ট্রান্সে চমক দিল দুর্গাপুর। প্রথম দশের মেধাতালিকায় তিন পড়ুয়া শিল্পনগরী দুর্গাপুরের। প্রথম হয়েছেন সোহম মিস্ত্রি। এই ছাত্র দুর্গাপুরের হেমশিলা মডেল স্কুলে পড়তেন। দ্বিতীয় স্থানে সাউথ পয়েন্ট স্কুলের ছাত্র তমোজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয় স্থানে আছেন দুর্গাপুর হেমশিলা মডেল স্কুলের ছাত্র কৌস্তভ সেন। একই স্কুলের ছাত্র শুভজ্যোতি ঘোষ আছেন মেধাতালিকার দশ নম্বরে। কলকাতার পাঁচ পড়ুয়া মেধাতালিকায় আছেন। এবারের মেধা তালিকায় কোনও ছাত্রীর নাম নেই। ২০২০ সালের জয়েন্ট হবে ১৯ এপ্রিল। কাউন্সেলিং ২৪ জুন থেকে শুরু হয়ে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে শেষ হবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সফল ছাত্রছাত্রীদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। ফলপ্রকাশের পর তিনি টুইট বার্তায় বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষায় উত্তীর্ণ সকল ছাত্র-ছাত্রীকে আমার অনেক অভিনন্দন। তোমাদের অভিভাবকদেরও শুভেচ্ছা জানাই। তোমাদের ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হোক।’

[ আরও পড়ুন: বিরোধ ভুলে মমতার পাশে থেকে কাজ করতে চান কামদুনির প্রতিবাদী শিক্ষক]

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হয় রাজ্য জয়েন্ট এন্ট্রান্স পরীক্ষার ফল। এদিন বেলা ১টায় সাংবাদিক সম্মেলন করে ফলপ্রকাশ করে জয়েন্ট এন্ট্রান্স বোর্ড। দুপুর ২টো থেকে ওয়েবসাইটে ফলাফল জানতে পারছেন পরীক্ষার্থীরা। www.wbjeeb.nic.in/ www.wbjeeb.in ওয়েবসাইটে জয়েন্টের ফল জানানো হচ্ছে। এ বছর পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৯১২। পরীক্ষা হয়েছিল ২৬ মে। ৮০ হাজার ৯৭৯ জন পরীক্ষায় বসেন। ২৫ দিনের মাথায় এবারের জয়েন্টের ফল প্রকাশিত হল। ৮০ হাজার ৫৮০ জনের র‌্যাংক ঘোষণা করা হয়েছে। ৯৯.৫ শতাংশ পরীক্ষার্থীকে সফল ঘোষণা করা হয়েছে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: শ্রদ্ধাজ্ঞাপনই সার, ব্রিটিশ আমলে শহিদের পরিবার সুযোগসুবিধা থেকে বঞ্চিতই]

বোর্ডের চেয়ারম্যান মলয়েন্দু সাহা জানিয়েছেন, শূন্যর বেশি পেলেই প্রার্থীকে কাউন্সেলিংয়ে ডাকা হবে। ৩০২টি কেন্দ্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া পরীক্ষাকেন্দ্র ছিল অসম এবং ত্রিপুরাতে। লোকসভা নির্বাচনের জন্য এবারের পরীক্ষা পিছিয়ে গিয়েছিল। ফল প্রকাশের পরেই সরকারি ও বেসরকারি কলেজগুলোর কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া শুরু হবে। ইঞ্জিনিয়ারিং ও প্রযুক্তি, ফার্মাসি ও আর্কিটেকচার নিয়ে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ভরতি হতে পারবেন পড়ুয়ারা। তিন দফায় হবে কাউন্সেলিং। যাদবপুরে ৯০ শতাংশ ডোমিসাইল কার্যকর হবে। অর্থাৎ রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য ৯০ শতাংশ আসন সংরক্ষিত।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.