Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
West Bengal Assembly Election

এবার স্ট্যাম্প পেপার, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে গিয়ে নয়া সংকটে ‘ডিলিট’ হওয়া ভোটাররা

সুশীল কুমার গুহ বলেন, প্রতি সপ্তাহে সরকারি ভাবে পাঁচশো থেকে ছয়শো স্ট্যাম্প হাতে পান। সেখানে দৈনিক চাহিদা দাড়িয়েছে হাজার থেকে দেড় হাজার।

Advertisement
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৭:০২

link
শান্তনু কর
শান্তনু কর

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৮, ২০২৬, ১৭:০২

options
link
এবার স্ট্যাম্প পেপার, ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে গিয়ে নয়া সংকটে ‘ডিলিট’ হওয়া ভোটাররা zoom
ফাইল ছবি।

ভুল সংশোধনীর ঠেলায় ঘুম উধাও জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের উকিল, মহুরি, টাইপিস্ট ও স্ট্যাম্প ভেন্ডারদের। এদিকে প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প না থাকায় এভিডেভিড করতে এসে চরম হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বিচারাধীন থাকার পরেও নাম ডিলিট হয়ে যাওয়া ভোটারদের। ভোটার হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার জন্য আপিল ট্রাইবুনালে আবেদন করবেন। ভুল ত্রুটি সংশোধন করে আবেদন জানাবেন তার জন্য এভিডেভিড করতে স্ট্যাম্পের প্রয়োজন। আর সেই স্ট্যাম্পের জন্য সকাল থেকে দাঁড়িয়ে থেকেও হতাশ বদনে ফিরতে হচ্ছে বহু ডিলিট ভোটারকে। কারন প্রয়োজনীয় স্ট্যাম্প নেই! যেটুকু পাওয়া যাচ্ছে, তাও কর্পুরের মতন ভ্যানিশ হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করলেন জলপাইগুড়ি জেলা আদালতের স্ট্যাম্প ভেন্ডার সুশীল কুমার গুহ। এই অবস্থায় চরম হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।

সুশীল কুমার গুহ বলেন, প্রতি সপ্তাহে সরকারি ভাবে পাঁচশো থেকে ছয়শো স্ট্যাম্প হাতে পান। সেখানে দৈনিক চাহিদা দাড়িয়েছে হাজার থেকে দেড় হাজার। জলপাইগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অভিজিৎ সরকার জানান, সত্তুর আশি কিলোমিটার দূর থেকে মানুষ এভিডেভিড করানোর জন্য আসছেন। সবারই আশা এভিডেভিডের মাধ্যমে ভুল সংশোধন করে আপিল ট্রাইবুনালে জমা করলেই হয়তো নাম উঠে যাবে। কিন্তু তাতে সমস্যা দাড়াচ্ছে স্ট্যাম্পের ঘাটতি। প্রতিদিন না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন বহু মানুষ।

Advertisement

এস আই আর প্রক্রিয়ায় জলপাইগুড়ি জেলায় ১ লক্ষ ৮ হাজার ১৯২ জন ভোটারের নাম বিচারাধীন তালিকায় ছিলো। সূত্রের খবর, এর মধ্যে এলিজেবল বা যোগ্যতা অর্জন করেছেন ৭২ হাজার ৮৩৬ জন ভোটার। নন এলিজেবল বা অযোগ্য তালিকায় চলে গেছে ৩৫ হাজার ৩৫৬ জনের নাম। জলপাইগুড়ি বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক অভিজিৎ সরকার জানান, অনেকেরই সামান্য ভুল ত্রুটির কারনে নাম ডিলিট হয়েছে। এদের একটা বড় অংশই এভিডেভিড করানোর জন্য জেলা আদালতে ছুটে আসছেন। প্রতিদিন কয়েকশো মানুষের এভিডেভিড লিখতে টাইপিস্টদেরও আঙুল ব্যথা হয়ে যাচ্ছে। রাত পর্যন্ত কাজ হচ্ছে। যারা স্ট্যাম্প পাচ্ছেন না তারা দিনভর অপেক্ষার পর ফিরে যাচ্ছেন। তবে মানবিকতার খাতিরে সকলের জন্য পানীয় জল ও বসার ব্যবস্থা করেছে বার অ্যাসোসিয়েশন।

ডুয়ার্সের গয়েরকাটার তেলিপাড়া থেকে জলপাইগুড়ি আদালতে এভিডেভিডের জন্য এসে ছিলেন আনারুল মহম্মদ। জানান, দিন মজুরের কাজ করে সংসার চালান। নামের সামান্য ভুলের জন্য নাম ডিলিট হয়ে গেছে। সংশোধন করানোর জন্য এভিডেভিড করে ট্রাইবুনালে জমা করবেন।সোমবার স্ট্যাম্পের জন্য এসে পাননি।আজও না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন।এদিকে দিন যত এগোচ্ছে দুশ্চিন্তা বাড়ছে। 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.