বিধানসভা হোক কিংবা লোকসভা নির্বাচন, উত্তরবঙ্গের ভোটপ্রচারে এসে বারবার পাহাড়ের সমস্যাকে হাতিয়ার করে বক্তব্য রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কখনও গোর্খাল্যান্ড, আবার কখনও পাহাড়ে স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের কথা বলেছেন। স্বভাবতই এবারও অর্থাৎ ২৬ এর নির্বাচনে মোদির বক্তব্যে পাহাড় নিয়ে কোনও বক্তব্য রাখেন কিনা সেদিকে নজর ছিল। কিন্তু সবাইকে নিরাশ করেই পাহাড় ইস্যুতে স্পিকটি নট মোদি। তাৎপর্যপূর্ণভাবে এদিন মোদির মঞ্চে থাকা গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার বিমল গুরুং, রোশন গিরি-সহ জিএনএলএফের মন ঘিসিং ও নীরজ জিম্বাদের সামনেও পাহাড় নিয়ে একটা শব্দও খরচ করলেন না। স্বভাবতই মন খারাপ পাহাড়ের। হতাশ পাহাড় থেকে আসা বহু গোর্খা সম্প্রদায়ের মানুষ।
এই বিষয়ে আরও খবর
প্রথমদফার ভোটের বাকি আর কয়েকটা দিন। আগামী ২৩ এপ্রিল উত্তরবঙ্গ-সহ উত্তরবঙ্গের একাধিক আসনে ভোট রয়েছে। তার আগে আজ, রবিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন। কিন্তু পাহাড় নিয়ে স্পিকটি নট ছিলেন মোদি। বিজেপির সংকল্পপত্র হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সাংবাদিক সম্মেলন সবেতেই অখণ্ড বাংলার কথা বলা হয়েছে। এদিন মোদিও কিছু না বলে যেন ওইদিকেই ইঙ্গিত করলেন! প্রশ্ন উঠছে।
রবিবার শিলিগুড়ির কাওয়াখালিতে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা নিয়ে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সরব হন। কিন্তু পাহাড় নিয়ে স্পিকটি নট ছিলেন মোদি। বিজেপির সংকল্পপত্র হোক কিংবা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সাংবাদিক সম্মেলন সবেতেই অখণ্ড বাংলার কথা বলা হয়েছে। এদিন মোদিও কিছু না বলে যেন ওইদিকেই ইঙ্গিত করলেন! প্রশ্ন উঠছে।
প্রধানমন্ত্রী এদিন বক্তব্যে বলেই দিলেন উত্তরবঙ্গ সবক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়েছে। তা পর্যটন হোক কিংবা শিল্প কিংবা যোগাযোগ। কেন্দ্র টাকা পাঠালেও তা সিন্ডিকেটের লোকজন ভাগ করে নিয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে উত্তরবঙ্গকে উপেক্ষা করা হয়েছে। আদিবাসী, রাজবংশীরা উপেক্ষিত। চা বাগানের শ্রমিকরা জমির মালিকানা পাচ্ছেনা। উত্তরে ভেদাভেদের রাজনীতি করে চলেছে তৃণমূল। মাদ্রাসার জন্য ওরা ৬হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করে অথচ উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য কোনও বরাদ্দ করেনা। ১৫বছর দুর্নীতি করেই কাটিয়ে দিয়েছে। একটা ভয়ের পরিবেশ তৈরি করে রেখেছে। অনুপ্রবেশকারীদের সাহায্য করছে। অথচ এই উত্তরের দুই মেয়ে মান্তু ঘোষ ও রিচা ঘোষ যারা দেশের নাম উজ্জ্বল করেছে। তাদের মতই এই এলাকার মহিলাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে হবে। তবে এত কিছু বললেও পাহাড় নিয়ে কিছুই বললেন না! পাহাড়ে কোনও কাজ হবে কিনা। কিংবা পাহাড়ের দাবি স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান হবে কিনা তা নিয়ে কোনও শব্দ খরচ করল না। অথচ এদিন মোদি যখন এই সমস্ত কথা বলছেন, সেই সময় মঞ্চে বসে পাহাড়ের প্রথমসারির নেতারা।
তবে এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমরা উত্তরের জন্য স্পোর্টস বিশ্ববিদ্যালয় বানাবো। আর ১৫বছরে তৃণমূল যে দুর্নীতি করেছে তার সব হিসেব নেওয়া হবে। লুটেরাদের ছাড় দেওয়া হবেনা। তার জন্য বিজেপিকে একটা সুযোগ দিতে হবে। আর উত্তরকে ঢেলে সাজানো হবে। যেভাবে উত্তর উপেক্ষিত তার জবাব এই এলাকার মানুষদের দিতে হবে।” প্রসঙ্গত পাহাড় থেকে আসা গোর্খার বেশ হতাশ হয়ে ফিরে যান। বক্তব্যে আদিবাসী, রাজবংশীর কথা বললেও তাদের কথা বলেনি মোদি।
এই বিষয়ে আরও খবর
সর্বশেষ খবর
-
‘তুষ্টিকরণে চাপা পড়েছিল উন্নয়ন’, সনাতনীদের অনুষ্ঠানে বাংলার ইতিহাস স্মরণ শুভেন্দুর
-
মেয়রের ইস্তফার পরেই বিধাননগর পুরনিগমে বসল প্রশাসক, হাওড়া পুরসভাতেও নয়া কমিশনার
-
তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেপ্তার তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য, ‘চোর’ স্লোগান জনতার
-
ঝড়-বৃষ্টি, হড়পা বানে বিপর্যস্ত উত্তরের বিস্তীর্ণ এলাকা, সিকিমে ভূমিধসে মৃত ১, নিখোঁজ ৪
-
বঙ্গে সাংগঠনিক রদবদলের পথে বিজেপি, দিল্লিতে শমীক-বনসল দীর্ঘ বৈঠক



