Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Anandapur Fire

আনন্দপুর দুর্ঘটনায় দুর্নীতি তত্ত্ব শাহের, মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ

Amit Shah: মৃতদের পরিবারকে শাহের আশ্বাস, ছাব্বিশে বিজেপি ক্ষমতায় এলে দোষীরা শাস্তি পাবেই। 

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১৭:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬, ১৭:৩৯

options
link
আনন্দপুর দুর্ঘটনায় দুর্নীতি তত্ত্ব শাহের, মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ zoom

বারাকপুরের সভা থেকে আনন্দপুরের নাজিরবাদের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সরব হলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। মর্মান্তির ঘটনার জন্য তৃণমূলের দুর্নীতিকেই দায়ী করলেন তিনি। প্রশ্ন তুললেন এত মৃত্যু, এত মানুষ নিখোঁজ তারপরও কেন গ্রেপ্তার করা হল না মোমো সংস্থার মালিককে। মৃতদের পরিবারকে শাহের আশ্বাস, ছাব্বিশে বিজেপি ক্ষমতায় এলে দোষীরা শাস্তি পাবেই। 

ছাব্বিশকে পাখির চোখ করে বাংলায় প্রচারের ঝাঁজ বাড়িয়েছে বিজেপি। বারবার বঙ্গ সফরে আসছেন মোদি-শাহ। শুক্রবার রাতে কলকাতায় এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। শনিবার বারাকপুরের আনন্দপুরীতে কর্মী সম্মেলন করেন তিনি। সেখানে বক্তব্যের শুরুতেই আনন্দপুর দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারকে সমবেদনা জানান তিনি। এরপর চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রীকে। অগ্নিকাণ্ডের জন্য তৃণমূলের দুর্নীতিকেই দায়ী করেন তিনি। এরপরই মোমো সংস্থার মালিককে বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শাহ। বলেন, কেন মোমো সংস্থার মালিককে গ্রেপ্তার করা হল না? সম্প্রতি একটি ছবি প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে স্পেনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এক ছবিতে দেখা যাচ্ছে মোমো সংস্থার মালিককে। সেই প্রসঙ্গ তুলে এদিন শাহ বলেন, “উনি কার সঙ্গে বিদেশ সফরে যান? সেই কারণেই কী রাজ্য চুপ?” এরপরই তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যদি মৃতেরা অনুপ্রবেশকারী হল তাহলেও কি আপনার ভূমিকা এরকই হতো?” এখানেই থামেননি শাহ। গোটা ঘটনায় বিচারবিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।  

Advertisement

উল্লেখ্য়, প্রতিদিনের মতো গত রবিবার রাতেও আনন্দপুরের নাজিরাবাদের কারখানা, গুদামে কর্মীদের আনাগোনা লেগে ছিল। লেলিহান শিখা নিমেষে বদলে দিয়েছে সেই চির পরিচিত ছবি। এখন সেখানে শুধুই ধ্বংসস্তূপ আর পোড়া গন্ধ। তার মধ্যেও প্রিয়জনের খোঁজ চালাচ্ছেন নিখোঁজদের পরিবার। যদিও সময় যত গড়াচ্ছে ততই বাড়ছে উদ্বেগ। অন্যদিকে উদ্ধার হওয়া ২৫টি দেহাংশের পরিচয় নিশ্চিত করতে ডিএনএ ম্যাপিংয়ের কাজ শুরু হবে শীঘ্রই। নিহতদের সঠিক পরিচয় জানার ক্ষেত্রে এই প্রক্রিয়াকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে প্রশাসন। আর সেই কাজ সম্পন্ন হলেই দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হবে বলে খবর। বলে রাখা প্রয়োজন, ভয়াবহ এই অগ্নিকাণ্ডের প্রশ্নে মুখে ওয়াও মোমো। ঘটনার প্রায় ৬০ ঘণ্টা পর বুধবার এই বিষয়ে সংস্থার তরফে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। সোশাল মিডিয়া পোস্টে সংস্থার তরফে দায় চাপানো হয়েছে পাশের গুদামের উপর। নিহত ৩ কর্মীর পরিবারের পাশেও দাঁড়ায় মোমো প্রস্তুতকারক সংস্থা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.