সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দক্ষিণ কাঁথির সভা থেকে অধিকারীদের তুলোধোনা করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বললেন, “এদের হাত থেকে মেদিনীপুরকে মুক্ত করতে হবে। তবেই মেদিনীপুর স্বাধীন হবে।” আবেগপ্রবণ হয়ে আবার বললেন, “অনেক ভালবাসতাম। ঘরে বসে সিঁদ কাটল।”
শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর তাঁর বাবা সাংসদ শিশির অধিকারীর রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। সেই জল্পনায় সিলমোহর পড়ে রবিবার। বিজেপির এগরার সভায় অমিত শাহের (Amit Shah) পাশেই দেখা যায় শিশিরবাবুকে। অধিকারী পরিবারের দলবদল স্বাভাবিকভাবেই আবেগপ্রবণ করে তুলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। কাঁথি দক্ষিণের সভা থেকে এদিন ফের অধিকারীদের প্রতি তাঁদের ভালবাসা, স্নেহের কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি। বলেন, “অনেক ভালবাসতাম। বাড়িতে গিয়ে মা তারার ছবি দিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু ঘরে বসে সিঁদ কাটল। গদ্দারি করল।” মুহূর্তে আবেগ সামলে অধিকারীদের হাত থেকে মেদিনীরপুরকে মুক্ত করার ডাক দেন মমতা।
[আরও পড়ুন: ‘শুভেন্দু যা বলছে, তাই হবে’, ছেলের উপর আস্থা রেখেই শাহর সভায় রওনা শিশিরের]
২০১৪ সাল থেকে বিজেপির সঙ্গে শুভেন্দুর যোগ প্রসঙ্গে এদিন মমতা বলেন, “অনেকেই বহুদিন ধরে বিজেপির সঙ্গে চুপি চুপি যোগাযোগ রেখেছে, গল্প করেছে। আমার তাঁদের চাই না। ওদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে চাই না।” পাশাপাশি তৃণমূল নেত্রী বলেন, “আজ আমি মুক্ত। কাঁথিতে আসার জন্য আমাকে আর কারও অনুমতি নিতে হবে না।” নাম না করে এদিনের সভা থেকে নন্দীগ্রাম আন্দোলনে অধিকারীদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেন মমতা। দাবি করেন, গুলি চলার দিন তিনি প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নন্দীগ্রাম গেলেও অধিকারীরা সেখানে ছিলেন না। এমনকী তিনি ডাকলেও কারও পাত্তা পাওয়া যায়নি। অধিকারীদের পাশাপাশি এদিন বিজেপিকেও তুলোধোনা করেন মমতা। আশ্বাস দেন রাজ্যবাসীর পাশে থাকার।
[আরও পড়ুন: শরীরে এখনও নিমতিতা কাণ্ডের ক্ষত, অ্যাম্বুল্যান্সে মনোনয়ন দিতে যাবেন জাকির হোসেন]
সর্বশেষ খবর
-
নদিয়ায় ‘পুরুষ অন্নপূর্ণা’র খোঁজ, গ্রামীণ চিকিৎসকের অ্যাকাউন্টে ঢুকল টাকা
-
থেমেও থামছে না বিতর্ক! অভিষেককে ফের ‘আক্রমণ’ সিএবি কোষাধ্যক্ষের
-
মহারাষ্ট্রে বিকোচ্ছে ‘মেড ইন পাকিস্তান’ বেডশিট! খতিয়ে দেখছে পুলিশ
-
তৃণমূল নেতার পুকুরে অস্ত্রভাণ্ডার! বেপাত্তা শাহজাহান ঘনিষ্ঠ ‘দাস ব্রাদার্স’
-
মা হচ্ছেন সোহিনী, শোভনের সঙ্গে দ্বিতীয় বিবাহবার্ষিকীর আগেই সুখবর