Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬
ভারতমাতা

ভারতমাতা পুজোর জেরে হাওড়ায় আটক বিজেপি নেতা! লিলুয়ায় হামলা মণ্ডপে

শাসকদলের মদতেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ বিজেপির।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০১৯, ১৮:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৫, ২০১৯, ১৮:৫৯

options
link
ভারতমাতা পুজোর জেরে হাওড়ায় আটক বিজেপি নেতা! লিলুয়ায় হামলা মণ্ডপে zoom
লিলুয়ায় ভারতমাতা পুজো মণ্ডপের অবস্থা
Advertisement

অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: স্বাধীনতা দিবসে ভারতমাতার পুজোকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়াল হাওড়া জেলার দুটি এলাকায়। হাওড়ার শিবপুরে ভারতমাতা পুজোর জন্য স্থানীয় বিজেপি নেতাকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখার অভিযোগ উঠছে। আর লিলুয়ায় অভিযোগ উঠেছে ভারতমাতা পুজোর জন্য তৈরি মণ্ডপ ভাঙচুরের।

[আরও পড়ুন: ওষুধের পরিবর্তে ডেঙ্গু রোগীকে ঝাড়ফুঁক, বিডিও’র তৎপরতায় শুরু চিকিৎসা]

বিজেপির অভিযোগ, স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে হাওড়ার শিবপুরে ভারতমাতা পুজোর আয়োজন করেছিলেন স্থানীয় ক্লাব ক্ষেত্রমিলনীর সদস্যরা। এর জেরে বুধবার রাতে শিবপুর থানার পুলিশ বিজেপির স্থানীয় এক নেতাকে থানায় আটকে রাখে। যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ। উলটে তাদের দাবি, স্বাধীনতা দিবস পালনের জন্য অনুমতি নেওয়া হলেও পুজোর জন্য কোনও অনুমতি নেওয়া হয়নি। ওই ব্যক্তি এবং আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মদ খেয়ে অভব্য আচরণের অভিযোগ উঠেছিল। তাই তাঁদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। এর সঙ্গে ভারতমাতা পুজোর কোনও সম্পর্ক নেই।

Advertisement

Bharat mata pandel, Howrah

বুধবার রাতেই আরেকটি ঘটনা ঘটেছে হাওড়ার কোনা ব্রিজের কাছে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ছাত্র সংগঠন এবিভিপির পক্ষ থেকে সেখানে ভারতমাতা পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল। অভিযোগ, রাতের অন্ধকারে অজ্ঞাত পরিচয়ের কিছু দুষ্কৃতী ওই পুজো মণ্ডপে হামলা চালায়। ভারতমাতার মূর্তি ভেঙে দেয়। এই ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠছে তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে। লিলুয়া থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর ঘটনাটির তদন্ত শুরু
করেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: এখনও চাকরি মেলেনি, সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিলেন পুলওয়ামায় শহিদের বোন]

পুজোর উদ্যোক্তাদের অভিযোগ, পুজো করার জন্য তাঁরা আগেই লিলুয়া থানায় আবেদন জানিয়েছিলেন। কিন্তু, সেখান থেকে তাঁদের হাওড়া পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো হয়। পুলিশ কমিশনার আবার লিলুয়া থানায় পাঠান। অনেক হয়রানির পর পুজোর অনুমতি মেলে। তারপরও রাতের অন্ধকারে, প্রশাসনের মদতে শাসকদলের দুষ্কৃতীরা ভারতমাতার মূর্তি ভেঙে জঞ্জালে ফেলে রেখে যায়।

যদিও তৃণমূলের দাবি, তাদের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত নয়। খবরে আসার জন্য বিজেপির লোকজন এই সব মিথ্যে প্রচার করছে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.