Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৭ জুলাই ২০২৬

ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় খামখেয়ালি আবহাওয়া, আজও জেলায় জেলায় বৃষ্টির সতর্কতা

রবিবার পর্যন্ত আকাশ মেঘলাই থাকবে, হবে ঝড়-বৃষ্টিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ১৮:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৭, ২০১৯, ১৮:২৯

options
link
ঘূর্ণাবর্তের জোড়া ফলায় খামখেয়ালি আবহাওয়া, আজও জেলায় জেলায় বৃষ্টির সতর্কতা zoom

স্টাফ রিপোর্টার: বোঝার উপায় নেই মাসটা চৈত্র নাকি শ্রাবণ! সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। দিনভর রোদের মুখ প্রায় দেখা যায়নি। চড়া রোদ্দুরের বদলে মনোরম দখিনা বাতাসে শরীর জুড়িয়েছে। শুক্রবার থেকে বৃষ্টিও হাজির। উত্তর ও দক্ষিণের প্রায় সব জেলাতেই কমবেশি মাটি ভিজেছে গতকাল। আজ, শনিবারও রাজ্যের একাধিক জেলায় হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে আগাম সতর্ক করেছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর। তবে আপাতত কালবৈশাখীর কোনও সম্ভাবনা নেই।

একইসঙ্গে আবহাওয়াতেও চরম ওলটপালট। দু’দিন আগে যে মহানগরে থার্মোমিটারের পারদ পৌঁছে গিয়েছিল প্রায় ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে, সেখানে শুক্রবার মেঘের দৌলতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমে এল স্বাভাবিকের তিন ডিগ্রি নিচে। ঘটনা হল, তড়িঘড়ি শীতের বিদায় ঘণ্টা বেজে যাওয়ার মওকায় কয়েকদিন ধরে আশপাশের রাজ্য থেকে গরম হাওয়া ঢুকে বাংলার আদুরে বসন্তকে তাতিয়ে দিচ্ছিল। ফুরফুরে দখিনা বাতাসের আমেজ উপভোগের বদলে তেতে-পুড়ে একশা হচ্ছিল দক্ষিণবঙ্গবাসী। শুক্রবারের মেঘলা আকাশ যথেষ্ট স্বস্তি দিয়েছে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা নেমেছে ৩০.১ ডিগ্রিতে। আলিপুরের পূর্বাভাসেও স্বস্তির বার্তা। হাওয়া অফিস বলছে, রবিবার পর্যন্ত এমনই মেঘলা আকাশ ও বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা মজুত। কারণ কী?

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[মাকে দাহ করে মাধ্যমিকে ছাত্র, তবু মিলল না বাড়তি সময়]

আলিপুরের ব্যাখ্যা, এর নেপথ্যে জোড়া ঘূর্ণাবর্ত। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের উপমহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরের উপর একটি বিপরীত ঘূর্ণাবর্ত অবস্থান করছে। আবার দক্ষিণ ওড়িশা ও সংলগ্ন এলাকায় রয়েছে আর একটি ঘূর্ণাবর্ত। এই ‘জোড়া ফলা’র টানে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে রাশি রাশি জলীয় বাষ্প বঙ্গে ঢুকছে৷ সেটাই বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি করে রাজ্যের উপকূলে বৃষ্টি নামাচ্ছে।

সঞ্জীববাবুর বক্তব্য, কালবৈশাখী হওয়ার জন্য জলীয় বাষ্পের সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রাও চড়তে হবে। কিন্তু প্রথম শর্তটি পূরণ হলেও দ্বিতীয় শর্তটি আপাতত অমিল। “জলীয় বাষ্পকে ঠেলে উপরে তোলার জন্য তাপমাত্রা বেশি থাকা দরকার। সেটি না থাকায় বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরির সম্ভাবনা খুব কম।”–মন্তব্য সঞ্জীববাবুর। আবহাওয়ার আচমকা ভোলবদলে স্বস্তি মিলেছে বটে, কিন্তু তার আড়ালে উঁকি মারছে রোগ-ভোগের আতঙ্ক। বিশেষত বয়স্ক ও শিশুদের ক্ষেত্রে আশঙ্কাটা বেশি। অনেক বাড়িতেই বাচ্চা ও বয়স্কদের ঠান্ডা লেগে জ্বর এসেছে৷ সঙ্গে গলাব্যথা, কাশি। ডাক্তাররা বলছেন, তাপমাত্রার আকস্মিক তারতম্যেই এই শারীরিক বিভ্রাট। রাতে ফ্যান-এসি না চালিয়ে গরম পোশাকে শরীর ঢাকার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা। আইসক্রিম, ঠান্ডা জল এড়িয়ে চলতে বলছেন।

[লক্ষ্য মাধ্যমিক পাশ, তাই চালকের আসনে বসেই পরীক্ষাকেন্দ্রে পরীক্ষার্থী]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.