Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৯ জুলাই ২০২৬

একই আসনে প্রার্থী পাঁচ! পুরুলিয়ায় মাথায় হাত তৃণমূলের

'বহিরাগত'কে হারাতে মনোনয়ন দাখিল 'গোঁজ' প্রার্থীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০১৮, ১২:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০১৮, ১২:২৫

options
link
একই আসনে প্রার্থী পাঁচ! পুরুলিয়ায় মাথায় হাত তৃণমূলের zoom

সুমিত বিশ্বাস, পুরুলিয়া: জেলা পরিষদের একটি আসন। আর সেই আসনে শাসকদলের প্রার্থী পাঁচ! আর এই পাঁচজনই হেভিওয়েট। দু’জন কর্মাধ্যক্ষ। একজন জেলা সম্পাদক। আরেকজন দলের শ্রমিক সংগঠনের জেলা সভাপতি। সোমবার মনোনয়নের শেষ দিনে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের পুরুলিয়া দু’নম্বর ব্লকের ২১ নম্বর আসনে শাসক দলের পাঁচ জনের মনোনয়ন দেখে চোখ কপালে উঠে গিয়েছে পুরুলিয়া জেলা তৃণমূলের। চার ‘গোঁজ’ প্রার্থীকে কিভাবে প্রত্যাহার করবে তা বুঝতে পারছে না দল। ওই ‘গোঁজ’ প্রার্থীদের অভিযোগ, দলীয় প্রার্থী ‘বহিরাগত’ বলেই তারা মনোনয়ন দাখিল করেছেন। সবে মিলিয়ে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের একুশ নম্বর আসন নিয়ে তৃণমূলের গোষ্ঠী কলহে রীতিমতো মাথায় হাত জেলা নেতৃত্বের।

[বাঁশের সাঁকোর গেরোয় জুটছে না পাত্রী, ভোটের ইস্যু তাই পাকা সেতু]

তবে দল এই আসনে প্রার্থী করে পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বন ও ভূমি স্থায়ী সমিতির বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ হলধর মাহাতোকে। তিনি তার পাশের আসন কুড়ি নম্বর থেকে গত পঞ্চায়েতে জেলাপরিষদে প্রার্থী হয়ে ওই কর্মাধ্যক্ষর পদ পান। ওই আসনটি এবার তফসিলি জাতির জন্য সংরক্ষিত হওয়ায় ওই কর্মাধ্যক্ষকে সাধারণের জন্য সংরক্ষিত এই একুশ নম্বর আসনে প্রার্থী করে দল। আর গত পঞ্চায়েতে এই আসন থেকে জয়লাভ করে জনস্বাস্থ্য ও পরিবেশ স্থায়ী সমিতির কর্মাধ্যক্ষ হন পুষ্প বাউরি। ফলে ওই চারজন ‘গোঁজ’-এর তালিকায় বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ পুষ্প বাউরি ছাড়া রয়েছেন দলের শ্রমিক সংগঠন তৃণমূল ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেসের জেলা সভাপতি প্রফুল্ল কুমার মাহাতো, দলের একসময়ের সহ-সভাপতি প্রয়াত বারিক মাহাতোর ছেলে তথা জেলা সম্পাদক সমরজিৎ মাহাতো, পুরুলিয়া দু’নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির বিদায়ী সভাপতি আনন্দ রাজোয়াড় ও ওই সমিতির বিদায়ী শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ সমীরন মুখোপাধ্যায়। দলের প্রার্থী হলধর মাহাতো-সহ পুষ্প বাউরি ও প্রফুল্ল মাহাতো আগেই তাদের মনোনয়ন জমা করেন। সোমবার মনোনয়ন দাখিল করেন সমরজিৎ মাহাতো, আনন্দ রাজোয়াড় ও সমীরন মুখোপাধ্যায়। তাঁরা বলেন, দল বহিরাগতকে প্রার্থী করায় স্থানীয় নেতৃত্ব মেনে নিচ্ছে না। তাই তাঁরা প্রার্থী হলেন। এদিন আনন্দ রাজোয়াড় ও সমীরন মুখোপাধ্যায় একসঙ্গেই মনোনয়ন দাখিল করেন। দলের জেলা সভাপতি তথা রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন বিভাগের মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো বলেন, “কোথাও কোন ‘গোঁজ’ প্রার্থী আমরা বরদাস্ত করব না। দলের ব্লক সভাপতিদেরকে তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
[কাকা তৃণমূলে, ভাইপো বিজেপির প্রার্থী! জমজমাট ভোটের লড়াই গলসিতে]

দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলা পরিষদের এই একুশ নম্বর আসনে দলের আরেক হেভিওয়েট জেলা সাধারণ সম্পাদক তথা একসময় মন্ত্রী শান্তিরাম মাহাতো ঘনিষ্ঠ নবেন্দু মাহালী এই আসনের দাবিদার ছিলেন। কিন্তু দল তাঁকে প্রার্থী না করায় ‘বহিরাগত’ বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ হলধর মাহাতোকে প্রার্থী করাতেই এই আসনে দলের গোষ্ঠী-কলহ ব্যাপক আকার ধারণ করে বলে বলছে স্থানীয় নেতৃত্ব। যদিও পুরুলিয়া দু’নম্বর ব্লক তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে বরাবরই মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায় জেলা নেতৃত্বের। এবার ভোট প্রার্থীকে ঘিরেও দলের সেই কলহ একেবারে সামনে চলে এসেছে। তবে দলীয় প্রার্থী বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ হলধর মাহাতো বলেন, “দল আমাকে প্রার্থী করেছে। আমি দলের নির্দেশ মেনে লড়াই করব। যারা ‘বহিরাগত’ তত্ত্ব আওড়াচ্ছে তারা এই বিষয়টি দলকে কেন বলছে না? এখানে কোন তত্ত্বই কাজ করবে না। কারণ আমি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী। ফলে তাঁর উন্নয়ন নিয়েই আমি বিপুল ভোটে জয়ী হব।”

[‘অনিশ্চিত’ ভোটের ঠেলায় থমকে গ্রাম-বাংলার বিয়ের অনুষ্ঠান]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.