রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে বিজেপির অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। রাজ্যে মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে শাসক দলের সন্ত্রাসের প্রতিবাদে বুধবার দুপুর থেকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখছেন বিজেপির নেতা-কর্মীরা। জেলায় জেলায় শাসক দলের গুণ্ডাবাহিনীর ভয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া যাচ্ছে না। এই অভিযোগে আজ নির্বাচন কমিশনের অফিস ঘেরাও কর্মসূচি নিয়েছে বিজেপি। বেলা ১২টা থেকে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই বিজেপির বহু নেতা-কর্মীরা এসে ভিড় কমিয়েছেন। মুকুল রায়ের নেতৃত্বে বঙ্গ বিজেপির নেতা-কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভে বসেছেন।
[মানুষ রাজ্যপালকে আর নিরপেক্ষ ভাবতে পারছেন না, দিলীপকে পালটা পার্থর]
হাঙ্গামার আশঙ্কায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনের দপ্তরের বাইরে ত্রিস্তরীয় পুলিশি নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। কোনওভাবেই যেন বিক্ষোভকারীরা দপ্তরের ভিতরে না ঢুকে পড়ে, সেদিকে সতর্ক নজর রাখছে পুলিশ। তবে খানিকক্ষণ পরে বিজেপির একটি প্রতিনিধি দল কমিশনারের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারে। কমিশনার নিজে আজ রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে কথা বলেছেন বলে সূত্রের খবর। মনোনয়নকে ঘিরে যাবতীয় অশান্তির খতিয়ান দিতে প্রতিনিধি দলকে নিয়ে রাজভবনে গিয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও। রাজ্যপালকে সব জানিয়েছেন তাঁরা। পরে দিলীপবাবু জানান, রাজ্যের পরিস্থিতি দেখে রাজ্যপাল মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবকে ডেকে এ ব্যাপারে কথা বলবেন। বিভিন্ন এলাকায় নমিনেশন ফাইল করতে গিয়ে যাঁরা বাধা পাচ্ছেন তাঁদের কলকাতায় ডেকে নমিনেশন জমা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’ সেই পরিকল্পনা মোতাবেক আজ এসডিও অফিসে নমিনেশনের ব্যবস্থার আবেদন জানাবে বিজেপি। তাঁর দাবি, ‘এভাবে কোনও রাজ্য চলে না। এখানে গণতন্ত্র, সংবিধান বলে কিছু নেই। শাসক দল ঠিকই করে নিয়েছে কাউকে নমিনেশন করতে দেবে না। তবু বিজেপি লড়াই চালিয়ে যাবে।’
এদিকে, আজই রাজ্যে সুষ্ঠু পঞ্চায়েত নির্বাচনের দাবিতে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপির লিগাল সেল। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, ‘এই পুলিশ, এই প্রশাসন ভোট সামলাতে পারবে বলে আমার বিশ্বাস নেই। আমাদের আর কোথাও যাওয়ার নেই। যে পুলিশ রানিগঞ্জ, আসানসোল সামলাতে পারে না, সেই পুলিশ এত বড় নির্বাচন সামলাতে পারবে বলে আমরা বিশ্বাস করি না।’ ইতিমধ্যেই বহু বিজেপি সমর্থক একত্রিত হয়েছেন কমিশনের দপ্তরের বাইরে। তাঁরা স্লোগান দিচ্ছেন। বিক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। বিক্ষোভকারীদের দাবি, বিরোধীদের উপযুক্ত নিরাপত্তা দিতে হবে। নিরাপদে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার অধিকার দিতে হবে। কিছুক্ষণের মধ্যেই এখানে চলে আসবেন বিজেপির অন্যান্য শীর্ষ নেতারাও। ঘটনাস্থলে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যে কোনও অশান্তি এড়াতেই সতর্ক প্রশাসন।
[ভোটের ময়দানে নয়া কৌশল, ‘হই’ দিলেই হাওয়া বিরোধীরা]
সর্বশেষ খবর
-
‘দোষীদের এভাবেই এনকাউন্টার করা হোক’, বারুইপুর কাণ্ডে অভিযুক্তের মৃত্যুতে বলছেন কামদুনির দুই প্রতিবাদী
-
ম্যাচ জিতিয়েও বাঁধ মানছে না কান্না! বিজয়াশ্রু নয়, মেসির চোখের জলের নেপথ্যে অন্য কাহিনি
-
মহারাজের জন্মদিনে ফিরল লর্ডসে জার্সি ওড়ানোর স্মৃতি! প্রকাশ্যে ফার্স্ট লুক, কবে মুক্তি?
-
‘চন্দ্রশেখর রাও ও তাঁর পুত্র আর্থিক সন্ত্রাসবাদী’, রাজ্যে বিরাট দুর্নীতির অভিযোগ তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর
-
‘একা মর্নিং ওয়াকে যাবে, যাক’, বারুইপুর কাণ্ডের প্রতিবাদে মমতার মিছিল নিয়ে মশকরা দিলীপের!