Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
GI Tag

গৌরবের তালিকায় চন্দননগরের জলভরা-জনাইয়ের মনোহরা, বাংলার ঝুলিতে ১২ নতুন জিআই ট্যাগ

শুক্রবার ভারত সরকারের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টি-ফিকেশন ওয়েবসাইটের রেজিস্ট্রার্ড তালিকায় রাজ্যের ১২টি নতুন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।

সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৪:৩৬

link
সৌরভ চক্রবর্তী
সৌরভ চক্রবর্তী

শেষ আপডেট: জুন ২৭, ২০২৬, ১৪:৩৬

options
link
গৌরবের তালিকায় চন্দননগরের জলভরা-জনাইয়ের মনোহরা, বাংলার ঝুলিতে ১২ নতুন জিআই ট্যাগ zoom
জিআই স্বীকৃতির ক্ষেত্রে আরও এক বড় সাফল্য পেল বাংলা।
Advertisement

জিআই স্বীকৃতির ক্ষেত্রে আরও এক বড় সাফল্য পেল বাংলা। শুক্রবার ভারত সরকারের জিওগ্রাফিক্যাল আইডেন্টি-ফিকেশন ওয়েবসাইটের রেজিস্ট্রার্ড তালিকায় রাজ্যের ১২টি নতুন ঐতিহ্যবাহী পণ্যের নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। এর ফলে শুধু এই শিল্প ও পণ্যগুলির স্বাতন্ত্র্যই আইনগত স্বীকৃতি পেল না, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও বাংলার সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের পরিচিতি আরও সুদৃঢ় হল।

নতুন জিআই স্বীকৃতি প্রাপ্ত পণ্যের তালিকায় রয়েছে চন্দননগরের জলভরা, জনাইয়ের মনোহরা। বীরভূম থেকে রয়েছে শান্তিনিকেতনের বাটিক এবং শান্তিনিকেতনের একতারা। এছাড়া বাঁকুড়া থেকে বেলিয়াতোড়ের মেচা সন্দেশ, হটোগ্রামের শাঁখা শিল্প ও বিক্রমপুরের বেঙ্গল সিঙ্গিং বোল, হুগলি থেকে বলাগড়ের নৌকা ও জনাইয়ের মনোহরা, চন্দনগরের জলভরা, কলকাতার কলকাত্তি গয়না, পুরুলিয়ার লাক্ষা, মুর্শিদাবাদের সিল্ক, মালদহের আশাপুরের বেগুন এবং পূর্ব বর্ধমানের নতুন গ্রামের কাঠের পুতুল জিআই ট্যাগ পেয়েছে। পাশাপাশি এখনও বিবেচনাধীন রয়েছে মালদহের নবাবগঞ্জের বেগুন, পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষীরপাইয়ের বাবরশা মিষ্টি এবং শান্তিনিকেতনের আলপনার আবেদন। সংশ্লিষ্ট মহলের আশা, খুব শীঘ্রই এই তিনটিও জিআই স্বীকৃতি লাভ করবে।

Advertisement

এই জিআই আবেদন প্রক্রিয়ার সামগ্রিক দায়িত্বে ছিলেন পশ্চিমবঙ্গ আইন বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি রাইটস চেয়ার প্রফেসর পিনাকী ঘোষ এবং তাঁর সহকারী গবেষক দল। তাঁদের সক্রিয় উদ্যোগে পশ্চিমবঙ্গের মোট ১৫টি ঐতিহ্যবাহী পণ্যের জন্য আবেদন করা হয়েছিল, যার মধ্যে ১২টি ইতিমধ্যেই সফলভাবে জিআই স্বীকৃতি অর্জন করেছে।

এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে গবেষণা-সহযোগী হিসেবে কাজ করেছেন বীরভূমের বাসিন্দা অধ্যাপক শুভদীপ মণ্ডল। তথ্য সংগ্রহ, নথিপত্র প্রস্তুত, ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক প্রমাণ উপস্থাপনসহ আবেদন প্রক্রিয়ার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে তাঁর সক্রিয় ভূমিকা ছিল। শুভদীপ বলেন, “জিআই ট্যাগ প্রাপ্তির ফলে এই পণ্যগুলির মৌলিক পরিচয় আইনগত সুরক্ষা পাবে। পাশাপাশি স্থানীয় শিল্পী ও কারিগরদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বাজার সম্প্রসারণ এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণে এই স্বীকৃতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।” একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমাদের জেলার বাটিক আর একতারার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে রয়েছে রবি ঠাকুরের অবদান। এই সরকারি স্বীকৃতি রবি ঠাকুরের সেই পরম্পরাকে এক অন্য মাত্রা এনে দিল। বীরভূমের ছেলে হিসাবে এই কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পেরে আমি খুবই গর্বিত।”

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.