Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬
Census

নিজেই নিজেকে গুনবেন! রাজ্যে স্ব-গণনায় বিশেষ পোর্টাল খুলে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের

আগস্টে রাজ্যে শুরু জনগণনা। কোন পোর্টালে, কীভাবে সেল্ফ-এনুমারেশন করবেন কীভাবে? জেনে নিন।

সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২১:৫৮

link
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: জুন ২৬, ২০২৬, ২১:৫৮

options
link
নিজেই নিজেকে গুনবেন! রাজ্যে স্ব-গণনায় বিশেষ পোর্টাল খুলে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের zoom
স্ব-গণনায় নতুন পোর্টাল খুলে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রের
Advertisement

ডিজিটাল ভারতে জনগণনাও ডিজিটাল! বান্ডিল-বান্ডিল কাগজ, নথিপত্র, ফাইলের পর ফাইলের দিন শেষ। এবার ২০২৭ সালে ভারতের জনগণনায় নিজের গণনা করতে পারবেন নিজেই! একেবারে ঘরে বসেই নিজের স্মার্ট ফোন থেকে se.census.gov.in পোর্টালে ৩৩ টি সহজ প্রশ্নমালায় ডিজিটাল ফর্মের মাধ্যমে এই কাজ করা যাবে। কেন্দ্রের এই বড় পদক্ষেপে যারা এই ‘সেল্ফ-এনুমারেশন’-এ আগ্রহী নন, তাঁদের বাড়ি চিহ্নিত করে সরকারি কর্মীরা গণনার কাজ করবেন। সেই কাজও একটি নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপে। যার পোশাকি নাম ‘এইচএলও’।

আগামী ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে দেশের যে কোনও নাগরিক ঘরে বসেই ওই পোর্টালের মাধ্যমে নিজের তথ্য নথিভুক্ত করতে পারবেন। নিজের বৈধ মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার পর ওই মোবাইলে ওটিপি যাবে যাচাইকরণের জন্য। সেই ওটিপি সেখানে দিলেই ওই পোর্টাল লগইন হয়ে যাবে।

দেশের বিভিন্ন রাজ্যে ১ এপ্রিল থেকে এই গণনার কাজ শুরু হলেও তৃণমূল জমানায় বাংলায় তা হয়নি বলে অভিযোগ। রাজ্যে পালাবদলের পর শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরেই বাংলায় জনগণনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। আগামী ১ আগস্ট থেকে ১৫ আগস্টের মধ্যে দেশের যে কোনও নাগরিক ঘরে বসেই ওই পোর্টালের মাধ্যমে নিজের তথ্য নথিভুক্ত করতে পারবেন। নিজের বৈধ মোবাইল নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার পর ওই মোবাইলে ওটিপি যাবে যাচাইকরণের জন্য। সেই ওটিপি সেখানে দিলেই ওই পোর্টাল লগইন হয়ে যাবে।

Advertisement

যাঁরা ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় এই কাজ করতে পারবেন না অথবা এই গণনায় বাকি থেকে যাবেন, তাঁদের বাড়ি চিহ্নিতকরণের প্রক্রিয়া বা ‘হাউস লিস্টিং’ চলবে ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই কাজ শেষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের এই কাজ চলবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। সমগ্র রাজ্যজুড়ে এই কাজ করতে দেড় লাখের বেশি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এনিউমারেটর বা তথ্য সংগ্রহকারীকে এই কর্মযজ্ঞে নামাচ্ছে রাজ্য।

যাঁরা ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় এই কাজ করতে পারবেন না অথবা এই গণনায় বাকি থেকে যাবেন, তাঁদের বাড়ি চিহ্নিতকরণের প্রক্রিয়া বা ‘হাউস লিস্টিং’ চলবে ১৬ আগস্ট থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এই কাজ শেষে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের এই কাজ চলবে ২০২৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। সমগ্র রাজ্যজুড়ে এই কাজ করতে দেড় লাখের বেশি বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এনিউমারেটর বা তথ্য সংগ্রহকারীকে এই কর্মযজ্ঞে নামাচ্ছে রাজ্য। ওই এনিউমারেটদের হাতের স্মার্টফোনই হবে ‘২৭-র জনগণনার মূল অস্ত্র। এই কাজে চলতি মাসেই শুরু হয়ে যাচ্ছে বিডিও-সহ ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রশিক্ষণ। সাধারণভাবে ৭ জুলাই থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত ‘ফিল্ড ট্রেনার’-দের প্রশিক্ষণ চলবে। তবে এই প্রশিক্ষণটি বিভিন্ন জেলায় একই সময় হবে না। এই ট্রেনাররাই পরবর্তী সময়ে বুথ স্তরের কর্মীদের ওই এইচএলও অ্যাপ ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত নানান বিষয়ের পাঠ দেবেন।

এই সমস্ত বিষয়টি তদারকি করার জন্য জেলায় জেলায় ‘ডেডিকেটেড সেন্সাস মনিটরিং রুম’ চালু করা হচ্ছে। যা ইতিমধ্যেই চালু হয়ে গিয়েছে পুরুলিয়ায়। জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, ‘‘কাগজ-কলমের জটিলতা এড়িয়ে নির্ভুল সেই সঙ্গে দ্রুতগতিতে দেশের মানুষের প্রকৃত পরিসংখ্যান তুলে আনা এই ডিজিটাল জনগণনার মূল লক্ষ্য। যে কাজে ভীষণভাবে সহায়ক হবে ওই মনিটরিং রুম।” এই হাইটেক মনিটরিং রুম থেকেই সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির সব প্রান্তের জনগণনার আপডেট সিএমএমএস (কম্পিউটারাইজড মেনটেন্যান্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) পোর্টালে উঠে যাবে।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.