BREAKING NEWS

১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৭  রবিবার ২৯ নভেম্বর ২০২০ 

Advertisement

আগামী ৪৮ ঘণ্টা চলবে বৃষ্টি, দিনের মাঝামাঝি আসতে পারে ঘূর্ণিঝড়

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: November 5, 2016 9:06 am|    Updated: November 17, 2020 12:46 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: স্থলভাগে আছড়ে পড়ার আগেই ‘কিয়ান্ত’-এর মতোই সমুদ্রে মিলিয়ে যেতে পারে ‘নাডা’৷
শুক্রবার এমনই ইঙ্গিত দিল আবহাওয়া দফতর৷ জানিয়ে দিল, ঘূর্ণিঝড়ের নাম লেখা নিম্নচাপ উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে সরে এখন বঙ্গোপসাগরের পশ্চিম-মধ্য অংশে অবস্থান করছে৷ নটি ক্রমশ শক্তিসঞ্চয় করছে৷ তবে, তা শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে কি না তা স্পষ্ট নয়৷ হলে তা অন্ধ্র, ওড়িশা ও গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের উপকূল ঘেঁষে বাংলাদেশে আছড়ে পড়বে৷ তবে এই নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গে আজ, শনিবার ঝড়-বৃষ্টি হবে৷
এই নিম্নচাপের জন্য বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছিল কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায়৷ শুক্রবারও সকাল থেকে ঝিরঝিরে বৃষ্টি শুরু হয়৷ তবে বৃহস্পতিবারের মতো অত দাপট ছিল না৷ হালকা বৃষ্টি মাথায় নিয়েই সবাই বাইরে বেরিয়েছেন৷
মেঘলা আকাশের জন্য সকাল থেকেই অন্ধকার নেমে আসে শহরের বুকে৷ দৃশ্যমানতা কম থাকায় ট্রেন কিছুটা দেরিতে চলে৷ দুর্ভোগে পড়েন হাওড়া এবং শিয়ালদহ শাখার নিত্যযাত্রীরা৷ আগামী ৪৮ ঘণ্টায় এই নিম্নচাপের প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে৷ তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী অঞ্চলে ভারী বৃষ্টির সতর্কতাও রয়েছে৷ রাজ্য প্রশাসনের তরফে উপকূলবর্তী জেলাগুলোতে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে৷ মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে৷ উৎসবের মরশুমে, বিশেষ করে জগদ্ধাত্রী এবং ছটপুজোর মুখে রাজ্যের আবহাওয়ার এমন পরিবর্তন রীতিমতো শঙ্কা জাগিয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে৷
আলিপুর আবহাওয়া দফতর বিকেলে জানিয়ে দেয়, নিম্নচাপটি শক্তি সঞ্চয় করছে ঠিকই তবে তা ঘূর্ণিঝড়ে রূপান্তরিত হবে কি না তা এখনই বলা যাবে না৷ হলে শনিবারের মধ্যে এ রাজ্য ও বাংলাদেশের মাঝে উপকূলবর্তী এলাকায় প্রায় ৬০ কিলোমিটার গতিবেগে এই ঘূর্ণিঝড় আছড়ে পড়বে৷ এমনটাই আশঙ্কা মৌসম ভবনের৷ দক্ষিণবঙ্গের উপকূলবর্তী এলাকা-সহ দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি ও দুই মেদিনীপুরে বিশেষ সতর্কতা জারির পাশাপাশি সম্ভাব্য সব এলাকায় জরুরি বিভাগগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে৷ সেচ দফতরের পাশাপাশি কলকাতা পুরসভা ও সংশ্লিষ্ট এলাকার পুরসভাগুলিতেও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে৷ তৈরি রয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা দলও৷ এদিকে পরপর দু’টি নিম্নচাপের ফাঁসে দফরফা হয়েছে উত্তুরে হাওয়ার৷ ফলে, ঝুলে রয়েছে বঙ্গের শীতভাগ্য৷ কালীপুজোর আগে ঘূর্ণিঝড় কিয়ন্তেরও একই দশা হয়েছিল৷ সাড়া জাগিয়ে শক্তি সঞ্চয় করলেও তা স্থলভাগে আছড়ে পড়েনি৷ মিলিয়ে গিয়েছিল বঙ্গোপসাগরে৷ আবহাওয়াবিদদের অনুমান, কিয়ন্তের মতোই দশা হতে পারে নাডার৷

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement