Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৩ জুলাই ২০২৬

অচল আধুলি, লক্ষ্মীর ঝাঁপির সঙ্গে কয়েন বিসর্জনের সিদ্ধান্ত অভিমানী বধূর

খুচরো সংকটের ছাপ লক্ষ্মীপুজোতেও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৫:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯, ১৫:০১

options
link
অচল আধুলি, লক্ষ্মীর ঝাঁপির সঙ্গে কয়েন বিসর্জনের সিদ্ধান্ত অভিমানী বধূর zoom

চন্দ্রশেখর চট্টোপাধ্যায়, আসানসোল: লক্ষ্মীপুজোর সময় নতুন ঝাঁপি কেনার চল রয়েছে গৃহবধূদের। একটু একটু করে যে ঝাঁপিতে সারাবছর ধরে পয়সা জমান গৃহস্থরা। সেই ঝাঁপিই কার্যত বাতিল হতে বসেছে বাজারে খুচরো পয়সা নিয়ে অলিখিত ফরমানে। গত কয়েকমাস ধরে বাজারে কয়েন অচল হয়ে পড়ায় বিপাকে পড়েছেন গৃহলক্ষ্মীরা। তাই কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর পর ঝাঁপির সঙ্গে কয়েনও বিসর্জন দিতে চান এবার গৃহবধূরা।

ASAN-ADHULI.jpg-2

Advertisement

[মা লক্ষ্মীই ‘পাহারাদার’, সিঁধেল চোরে ভয় নেই কুলটির নবপল্লির]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

আসানসোলের জে-কে রোপওয়ে কলোনির গৃহবধূ প্রতিমা গোপ প্রতিবছর জমানো পয়সা দিয়ে তৈরি করান মা লক্ষ্মীর গয়নার নানা সাজ। এবার ইচ্ছে ছিল ওই জমানো অর্থ দিয়ে মা লক্ষ্মীর সোনার নাকছাবি গড়িয়ে দেবেন। বাকি অর্থে লক্ষ্মী পুজোর খরচ চালাবেন। প্রতিমাদেবী জানান, এবার জমানো পয়সার পরিমাণ অন্যবারের তুলনায় অনেকটা বেশি। ১ টাকা বা ২ টাকা তো আছেই, ৫ ও ১০ টাকার কয়েনে ভরে গিয়েছে লক্ষ্মীর ঝাঁপি। প্রায় ১০ হাজার টাকার মতো জমানো টাকা নিয়ে বাজারে গিয়ে তিনি বেজায় বিপাকে পড়েন। এত খুচরো কেউ নিচ্ছেন না। সোনার দোকানদার, জামা কাপড়ের দোকান এমনকী, ব্যাঙ্ক থেকেও একরাশ বিরক্তি নিয়ে তাঁকে ফিরতে হয়েছে।

[লালন নাম সার্থক, কালীমন্দির গড়তে এগিয়ে এলেন মুসলিম প্রতিনিধি]

তাই কার্যত হতাশ হয়ে পুজোর থিম পালটে ফেলেছেন ইসিএল কর্মী ভূতনাথ গোপের স্ত্রী প্রতিমা গোপ। বাড়ির ছোট্ট মা লক্ষ্মীকে নতুন গয়নার পরিবর্তে সাজিয়ে তুলেছেন অচল পয়সা দিয়েই। ছোট্ট লক্ষ্মীমূর্তির সামনে পুজোর সামগ্রী, শঙ্খ, বেলপাতা, মিষ্টি আর কয়েনগুলি দিয়ে সাজিয়ে তোলেন তিনি। বাজারে অলিখিত ঘোষণায় কয়েন নিয়ে যে  সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে তার প্রতিবাদ জানাতেই গৃহবধূর সিদ্ধান্ত। পুজোর পর লক্ষ্মীমূর্তি বিসর্জনের সঙ্গে কয়েনগুলোকেও তিনি আর রাখতে চান না। লক্ষ্মীর সাজের সেই ছবি তুলে তিনি ফেসবুকেও পোস্ট করে দেন।

[লক্ষ্মীপুজোয় জাগে ‘ভূতের গ্রাম’, সেলফি তোলার হিড়িক নতুন প্রজন্মের]

প্রতিমাদেবী জানান, মানত অনুযায়ী সারা বছরের জমানো অর্থ দিয়ে তিনি লক্ষ্মীপুজোর খরচ চালান। ঝাঁপির অর্থ তিনি বাইরের অন্য কাজে ব্যবহার করেন না। এটাই রীতি। প্রতিমাদেবীর স্বামী ইসিএলের কর্মী, আর্থিকভাবে সচ্ছল। মায়ের পুজো বা গহনা গড়িয়ে দেওয়া তাঁর কাছে কোনও বড় ব্যাপার নয়। ভূতনাথ গোপ জানান, প্রথা ভেঙে তাঁরা ওই কাজ করবেন না। তাই মায়ের চরণে নিবেদন করে ঝাঁপি-সহ কয়েন বিসর্জন দিয়ে দেবেন। এই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর থেকে ঝাঁপিতে নোট বা টাকা জমাবেন তাঁরা।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.