Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৬ জুলাই ২০২৬

কুকুরের তাড়া খেয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু, হনুমানের জন্য শোকমিছিল

আদিখ্যেতা বলছেন কেউ কেউ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮, ১৬:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২, ২০১৮, ১৬:৩২

options
link
কুকুরের তাড়া খেয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু, হনুমানের জন্য শোকমিছিল zoom

শ্রীকান্ত দত্ত, ঘাটাল: গ্রামে কয়েক দিন ধরে বাসা বেধেছিল। অল্প সময়ে বাসিন্দাদের বন্ধু হয়ে উঠেছিল হনুমানটি। তবে অচেনা অতিথিকে পাত্তা দেয়নি গ্রামের কুকুরগুলো। মাঝেমধ্যেই তাড়া দিত। আর পালাতে গিয়ে হনুমানটি পড়ল একেবারে হাইটেনশন লাইনে। ঝলসে গিয়ে মৃত্যু। চার পেয়ের মৃত্যুতে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরের দুটি গ্রামের ছবিটা বদলে গেল। রামভক্ত হনুমানের মৃতদেহ নিয়ে গ্রাম পরিক্রমা হল। শোকমিছিলের পর শ্রদ্ধা জানানো হল হনুমানকে। তাকে স্মরণে রাখতে হনুমান মন্দির তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হল৷ তবে দাসপুরের বাসিন্দারা এমন কাণ্ড কারখানায় কেউ কেউ আদিখ্যেতা দেখছেন।

[ছেলে না হওয়ায় স্ত্রীকে কুপিয়ে খুনের চেষ্টা স্বামীর, চাঞ্চল্য রানাঘাটে]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সরস্বতী পুজোর সময় দলছুট হয়ে পূর্ণবয়স্ক পুরুষ হনুমান দাসপুরে ঢুকে পড়ে। এলাকার চাঁদপুর, চককৃষকবাটি গ্রামে সে ঘুরে বেড়াচ্ছিল৷ তবে হনুমানটি প্রকাশ্যে এলেই একদল কুকুর তাড়া করে বেড়াত বলে গ্রামবাসীরা জানিয়েছেন৷ এর ফলে হনুটি কার্যত লুকিয়ে বেড়াত। বৃহস্পতিবার সকালেও একদল কুকুর হনুমানটিকে তাড়া করেছিল বলে জানা গিয়েছে৷ প্রাণভয়ে পালাতে গিয়ে হনুমানটি একটি শিমুলগাছ থেকে লাফায়। কিন্তু এরপরই ঘটে যায় দুর্ঘটনা। ১১ হাজার ভোল্টের বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে যায় হনুমানটি৷ ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় অবলা প্রাণীটির৷ রামভক্ত হনুমানের এই অকাল মৃত্যুতে যেন স্বজন হারানোর যন্ত্রণা ওই গ্রামে।

[দৌলতাবাদের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে উদ্যোগ, জেলায় জেলায় ‘আপৎ মিত্র’]

হনুমানের মৃতদেহটি নতুন বস্ত্রে শায়িত করে শোক মিছিলের আয়োজন করেন গ্রামবাসীরা৷ হনুমানের নামে জয়ধ্বনিও দেওয়া হয়৷ ফুল মালা, ধূপ জ্বালিয়ে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন গ্রামবাসীরা৷ মৃতদেহে জড়িয়ে দেওয়া হয় রামনাম লেখা নামাবলি৷ খোল-করতাল সহযোগে মিছিল শেষে মৃতদেহটি যত্ন-সহকারে কবরস্থ করা হয়৷ গ্রামবাসীরা চাঁদা তুলে হনুমানটির সৎকারও করেন৷ হনুমানের অকালমৃত্যু যেন মিলিয়ে দিয়েছে তারক চট্টোপাধ্যায়, সুকুমার চট্টোপাধ্যায়, অনুপ ভট্টাচার্য, চিন্তামণি পালদের। অন্য বিষয়ে তাদের মতবিরোধ থাকলেও সবাই একবাক্যে জানালেন, হনুমানটি গ্রামের কারও কোনও ক্ষতি করত না৷ কুকুরের গ্রামবাসীরা চাঁদা তুলে শুধু সৎকার করেই থামেননি, হনুমানের জন্য একটি মন্দির বানানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷ শাস্ত্রমতে নামগান, শ্রদ্ধা, শান্তিযজ্ঞও করা হবে৷ নিমন্ত্রণ করা হবে গ্রামবাসীদের৷ হনুমানের স্মৃতিতে মন্দির বানাতে চাঁদা তুলতে শুরু করে দিয়েছেন তারকবাবুরা।

ছবি: সুকান্ত চক্রবর্তী

[পথের শিশুকে কোলে তুলে স্বপ্নপূরণ দম্পতির]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.