Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১০ জুন ২০২৬
Fishermen

গ্যাস সংকটে মাঝসমুদ্রে রান্না হবে কীসে? অনিশ্চিত মৎস্যজীবীদের সাগরযাত্রা

সিলিন্ডার বর্তমানে অপ্রতুল হওয়ায় সমুদ্রে মাছ ধরতে বেরোনোয় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অনেক ট্রলার সাত-আট দিনের পরিবর্তে দু-তিন দিন ফিশিংয়ের পরেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছে!

Advertisement
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:১৮

link
সুরজিৎ দেব
সুরজিৎ দেব

শেষ আপডেট: মার্চ ১৪, ২০২৬, ১৮:১৮

options
link
গ্যাস সংকটে মাঝসমুদ্রে রান্না হবে কীসে? অনিশ্চিত মৎস্যজীবীদের সাগরযাত্রা zoom
গ্যাসের অভাবে সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে পারছে না ট্রলারগুলি। নিজস্ব চিত্র

এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকে জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত মাছ ধরায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা থাকে। দু’মাস মৎস্যজীবীদের উপার্জন কার্যত বন্ধ থাকে! গোঁদের উপর বিষফোঁড়ার মতো গ্যাসের সংকট ক্রমশ তীব্র হচ্ছে। তাতেই সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার জন্য সমস্যায় পড়েছেন মৎস্যজীবীরা। ওয়েস্ট বেঙ্গল ইউনাইটেড ফিশারমেন ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সম্পাদক বিজন মাইতির আশঙ্কা, এই পরিস্থিতি চলতে থাকলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া প্রায় হাজার দুয়েক ট্রলারের সংখ্যা ক্রমেই কমতে থাকবে।

মৎস্যজীবীরা গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়ে ৭-৮ দিন ধরে ফিশিং করেন। এক একটি ট্রলারে ১৪ থেকে ১৮ জন মৎস্যজীবী থাকেন। এতদিন ধরে ট্রলারে থাকার জন্য এক-একটি ট্রলারে রান্নার জন্য প্রয়োজন হয় তিন থেকে চারটি গ্যাসের সিলিন্ডার। সেই সিলিন্ডার বর্তমানে অপ্রতুল হওয়ায় সমুদ্রে মাছ ধরতে বেরোনোয় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। অনেক ট্রলার সাত-আট দিনের পরিবর্তে দু-তিন দিন ফিশিংয়ের পরেই ফিরতে বাধ্য হচ্ছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিজন মাইতি বলেন, “১৫ এপ্রিল থেকে ১৪ জুন পর্যন্ত এমনিতেই সরকারিভাবে সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়া নিষিদ্ধ। নিষেধাজ্ঞার সেই সময়ও এগিয়ে এসেছে। সেই টানা দু’মাস উপার্জন বন্ধ হওয়ার আগেই গোদের উপর বিষফোঁড়ার মতো, এই সংকট মৎস্যজীবী মহল্লায় চরম হতাশার ছায়া ফেলেছে।” সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক সংগঠনের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র জানান, “এক একটি ট্রলারে ১৪ থেকে ১৮ জন মৎস্যজীবী থাকেন। তাঁরা গভীর সমুদ্রে আট থেকে দশ দিন ধরে টানা ফিশিং করেন। বাণিজ্যিক গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে অনেক বেশি দাম দিয়ে মৎস্যজীবীদের সিলিন্ডার কিনে ট্রলারে তুলতে হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ফের রান্নার জন্য মৎস্যজীবীরা সুন্দরবনের কাঠের জ্বালানি ব্যবহার করতে উদ্যত হতে পারেন। আগের সেই অবস্থা ফিরে এলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতিই।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.