অরূপ বসাক, মালবাজার: হাতির তাণ্ডব লেগেই আছে মালবাজার মহকুমায়। দুদিন আগে বড়দিঘি চা-বাগানে তাণ্ডব চালায় হাতি। সেদিন অল্পের জন্য রক্ষা পায় তিন জন চা-শ্রমিক। এবার মঙ্গলবার গভীর রাতে বুনো দাঁতাল তাণ্ডব চালাল মালবাজার ব্লকের কুমলাই গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। এলাকার কুমারপড়া গ্রামে তাণ্ডব চালিয়ে বুনো দাঁতাল ভেঙে দিল ৭টি বাড়ি। খেয়ে নিল চাল, ধান, আটা।
[ফের ‘মানুষখেকো’ চিতাবাঘের হামলা, জখম বৃদ্ধ]
স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, গতকাল গভীর রাতে লাটাগুড়ি জঙ্গল থেকে একটি দাঁতাল হাতি এই গ্রামে চলে আসে খাবারের সন্ধানে। এরপর একে একে সাতটি বাড়িতে হামলা চালায় হাতিটি। ভেঙে দেয় সাতটি বাড়ি। আতঙ্কে ঘর ছেড়ে পালান এলাকার মানুষ। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান মালবাজার বনদপ্তরের কর্মীরা। রাতেই বনকর্মীরা হাতিটিকে জঙ্গলে ফেরান। বনদপ্তর আক্রান্তদের ক্ষতিপুরণের আশ্বাস দিয়েছে। তবে মাঝেমধ্যেই যেভাবে হাতি গ্রামে ঢুকে যাচ্ছে তাতে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ।
[মাদারিহাটে দুধের শিশুর উপর হামলাকারী চিতাবাঘ শেষমেশ খাঁচাবন্দি]
উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই ওই এলাকায় গ্রামবাসীদের নিয়ে একটি শিবির করেছিল বনদপ্তর, পুলিশ। কিন্তু তারপরও হাতির আক্রমণের হাত থেকে বাঁচানো গেল না ঘরবাড়ি। বনদপ্তরের মালবাজারের বিট অফিসার রাজকুমার শাহ বলেন, ‘আমরা খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে গিয়ে হাতিটিকে লাটাগুড়ি জঙ্গলে ফেরাই। তবে ৩ ঘণ্টা তাণ্ডব চালায় হাতিটি। ভেঙেছে ৭টি বাড়ি। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে বনদপ্তরের পক্ষ থেকে ক্ষতিপুরণ দেওয়া হবে।’
সর্বশেষ খবর
-
ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের অফিস খালি করার নোটিস দমকলের, আদালতের স্থগিতাদেশেও কাটছে না জট
-
নাচে-গানে হুল্লোড়! হাতি তাড়াতে মধ্যরাতে বসছে আসর, এক অন্য ছবি লালগড়ে
-
অত্যাধুনিক একে-২০৩ রাইফেলের গুলি সরবরাহ করবে আদানির সংস্থা, বিরাট চুক্তি সম্পন্ন
-
উথাল-পাথাল গঙ্গা, ভাসল ভূতনি দ্বীপের অন্তত ১৯টি গ্রাম, জলবন্দি প্রায় ২ লক্ষ মানুষ
-
দিমাগি নকশালের পর এবার ‘নারাজ ফুফা’, জিডিপি বিতর্ক উড়িয়ে বিরোধীদের তোপ মোদির