BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

বড়দিনে বাঙালির শীতভাগ্য কেমন? জানালেন হাওয়া অফিসের কর্তারা

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: December 18, 2017 11:41 am|    Updated: September 18, 2019 5:43 pm

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: পশ্চিমি ঝঞ্ঝার গেরো কাটিয়ে ফের হিমেল পরশ শহরে! তবে সোমবার বেলা বাড়তে তাপমাত্রা একটু বেড়েছে। তাপমাত্রার পারদ রয়েছে ১৫.৩ ডিগ্রির ঘরে। যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি। আলিপুর হাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামিকালও হিমেল পরশ অনুভব করতে পারবেন শহরবাসী। তারপর ফের দু’তিনদিন তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

[লোকসান আটকাতে ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রোর ন্যূনতম ভাড়া হবে ১০ টাকা]

কেন তাপমাত্রার বৃদ্ধি?

আবহবিদদের ব্যাখ্যা, জম্মু-কাশ্মীরে নতুন একটি পশ্চিমি ঝঞ্ঝা হানা দিতে চলেছে। ঝঞ্ঝা শক্তিশালী হলে, তার প্রভাবে রাজস্থান-হরিয়ানার উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়। ক্রমশ পূর্ব অভিমুখে এগোতে থাকে দু’টিই। শীতের এই সময়টার মধ্যে পূর্ব ভারতে একটি উচ্চচাপ বলয় থাকে। হিমেল হাওয়া পূর্ব ভারতে পৌঁছে দেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করে। কিন্তু ঘূর্ণাবর্ত-ঝঞ্ঝার ঠেলায় সেই উচ্চচাপ বঙ্গোপসাগর উপকূলে চলে আসে। আর সেটিও জলীয় বাষ্প ঢুকিয়ে দেয় পরিমণ্ডলে। যার ফলে শহরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। এই দফায় কলকাতার তাপমাত্রা ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করবে।

[দশম সন্তানকে খুন করে দেহ গায়েবের চেষ্টা, হাতেনাতে ধৃত বাবা]

বড়দিনে বাঙালির শীতভাগ্য কেমন?

পশ্চিমি ঝঞ্ঝার প্রভাবে কাশ্মীর ও তার লাগোয়া এলাকায় ঠিক কতটা তুষারপাত হচ্ছে, তার উপর বড়দিনের শীত নির্ভর করবে। ঝঞ্ঝাটি তুষারপাত ঘটিয়ে সরে যেতেই ওই এলাকায় হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়বে। উত্তুরে হাওয়ার কিছুটা প্রভাব এ রাজ্যেও শীতের কাঁপন ধরাবে।

আবহাওয়ার এই খামখেয়ালিপনায় নানা রোগের পসরা সাজিয়ে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়ারা হাজির হয়েছে গেরস্তের দুয়ারে। ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে ভাইরাল ফিভার। হচ্ছে সর্দি, কাশি, গলাব্যথা তো রয়েছেই। জ্বরের সঙ্গে থাকছে গা-হাত-পা ব্যথা, সারা শরীরে অস্বস্তিবোধের মতো উপসর্গ। হজমের গন্ডগোল, পেটের রোগে ভুগছে আট থেকে আশি। তাই চিকিৎসকরা এই সময় সাবধানে থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন। পারলে বাইরের খাবার বিশেষ করে জল না খাওয়ার অনুরোধই জানিয়েছেন তাঁরা। আর শীত পড়ুক না পড়ুক শীতের পোশাক অবশ্যই সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

[শীতের রাতে হাঁড়িয়ার টানে হাজির ‘জগাই-মাধাই’, নাজেহাল গ্রামবাসী]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement