BREAKING NEWS

১ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

৭ দিনে মজুত আলুর ৪০ শতাংশ বাজারে

Published by: Sangbad Pratidin Digital |    Posted: August 5, 2016 10:35 am|    Updated: August 5, 2016 10:35 am

An Images

স্টাফ রিপোর্টার: সাত দিনের মধ্যে হিমঘরে মজুত আলুর অন্তত ৪০ শতাংশ বাজারে ছাড়তে হবে৷ বৃহস্পতিবার নিজের দফতরে ডেকে হিমঘর মালিক ও আলু ব্যবসায়ীদের সাফ নির্দেশ দিলেন রাজ্যের কৃষি বিপণন মন্ত্রী তপন দাশগুপ্ত৷ এই নির্দেশ কতটা মানা হচ্ছে, তা দেখার জন্য প্রতি দিন হিমঘরগুলি পরিদর্শন ও নজরদারি চালাতেও বলে দেওয়া হল বিভাগীয় আধিকারিকদের৷
বাজারে আলুর দাম বেশ কিছুদিন ধরেই রীতিমতো চড়া৷ রাজ্য সরকার এই নিয়ে একাধিকবার উদ্যোগ নিলেও একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী ও হিমঘর মালিকদের যোগসাজসে দাম কমানো যাচ্ছে না৷ বর্তমানে খুচরো বাজারে জ্যোতি আলু বিক্রি হচ্ছে কেজি পিছু ২০ থেকে ২২ টাকা দরে৷ চন্দ্রমুখী আলুর বর্তমান বাজারদর ২৬ থেকে ২৭ টাকা৷ অথচ রাজ্য কৃষি বিপণন দফতরের মতে, এবার রাজ্যে যা আলু উৎপাদিত হয়েছে, তাতে বছরের এই সময়ে জ্যোতি আলুর দর কেজি প্রতি ১৫-১৬ টাকার বেশি হওয়া উচিত নয়৷
নবান্ন সূত্রে খবর, আলুর মতো অত্যাবশ্যকীয় পণ্যের চড়া দর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও বেশ অপ্রসন্ন৷ আলু নিয়ে ফড়ে-মজুতদার-ব্যবসায়ী-হিমঘর মালিকদের অসাধু আতাঁতের বিরু‌দ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতে নির্দেশও দিয়েছেন তিনি৷ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী প্রায় প্রতিদিনই কৃষি বিপণন মন্ত্রী হুগলি-বাঁকুড়া-বর্ধমান সহ বিভিন্ন জেলার হিমঘরে হানা দিচ্ছেন৷ আধিকারিকদেরও দৌড় করাচ্ছেন৷ কিন্তু তার পরেও দাম না কমায় এ দিন খাদ্য ভবনে নিজের দফতরে হিমঘর মালিক ও পাইকারি আলু ব্যবসায়ীদের ডেকে সাত দিনের চরম সীমা বেঁধে দিয়েছেন তপন দাশগুপ্ত৷
কৃষি বিপণন মন্ত্রী জানিয়েছেন, “আমাদের রাজ্যে এবার মোট ৯০ লক্ষ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হয়েছে৷ মাসিক ৫ লক্ষ মেট্রিক টন হিসাবে আমাদের বার্ষিক চাহিদা ৬০ লক্ষ মেট্রিক টন৷ সেই হিসাবে আলুর দর এত চড়া হওয়ার কোনও কারণই নেই৷ আজ বৈঠকে এটা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছি৷” তাঁর কথায়, “নিয়ম মতো বছরের এই সময়ে হিমঘরের মজুত আলুর এক-তৃতীয়াংশ বাজারে চলে যাওয়া উচিত৷ কিন্তু বিভিন্ন হিমঘরে হানা দিয়ে আমার নিজের অভিজ্ঞতা, অধিকাংশ হিমঘরই ১২ থেকে ১৫ শতাংশের বেশি আলু বাজারে ছাড়েনি৷ সেই কৃত্রিম সংকটের কারণেই এই পরিস্থিতি৷ তাই আমি আজ সাফ বলে দিয়েছি, আগামী ১০ আগস্টের মধ্যে মজুত আলুর ৪০ শতাংশ ছেড়ে দিতে হবে৷ আর ৩০ নভেম্বরের মধ্যে হিমঘর খালি করে ফেলতে হবে৷ না হলে কড়া ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হব৷ নির্দেশ যাতে মানা হয়, তা দেখার জন্য আমার দফতরের আধিকারিকরা হিমঘরগুলিতে নিয়মিত নজরদারি চালাবেন৷”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement