অরিজিৎ গুপ্ত, হাওড়া: হেলফ ক্নিনিকের আড়ালে কিডনি পাচার! হাওড়ার জগাছা থেকে এক মহিলাকে গ্রেপ্তার করল উত্তরাখণ্ড পুলিশ৷ ধৃতকে ট্রানজিট রিমান্ডে সে রাজ্যে নিয়ে যাওয়া হবে৷
[ মোদির প্রশংসা করে ফেসবুকে পোস্ট ছেলের, মাকে খাওয়ানো হল প্রস্রাব]
ধৃতের নাম চন্দনা গুড়িয়া৷ আদি বাড়ি হাওড়ার বাগনানে৷ বছর খানেক জগাছার জিআইপি কলোনিতে বাড়ি ভাড়া নেন চন্দনা৷ একাই থাকতেন তিনি৷ স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, জগাছায় বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় নিজেকে নার্স বলে পরিচয় দিয়েছিলেন চন্দনা৷ বস্তুত, এক বছর আগে বাড়ির কাছে একটি হেলফ ক্নিনিকও খোলেন তিনি৷ এলাকাবাসীদের দাবি, ক্নিনিকটি দিনের বেশিরভাগ সময়েই বন্ধ থাকত৷ দরজা-জানালাও পর্দা দিয়ে ঢেকে রাখা হত৷ ফলে ক্নিনিক ভিতরে কী চলছে, তা টের পাননি তাঁরা৷ শনিবার রাতে হাওড়া সিটি পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালিয়ে ভাড়াবাড়ি থেকে চন্দনা গুড়িয়াকে গ্রেপ্তার করল উত্তরাখণ্ড পুলিশ৷ তদন্তকারী জানিয়েছেন, গত বছর হরিদ্বারে দুই ব্যক্তির কিডনি বিক্রি করে দেওয়া হয়৷ তদন্তে নেমে বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার করে উত্তরাখণ্ড পুলিশ৷ ধৃতদের জেরা করেই জগাছার চন্দনা গুড়িয়ার নাম জানা যায়৷ তাঁকে ধরতে অবশ্য রীতিমতো বেগ পেতে হয় উত্তরাখণ্ড পুলিশকে৷ শেষ পর্যন্ত হাওড়া সিটি পুলিশের সঙ্গে যোগযোগ করে তারা৷ অভিযুক্ত ট্রানজিট রিমান্ডে উত্তরাখণ্ড নিয়ে যাবেন তদন্তকারীরা৷
কাশ্মীরে কাজ করতে গিয়ে কিডনি পাচারকারীদের খপ্পরে পড়েছিলেন বীরভূমের তিন যুবক৷ বছর পাঁচেক তাঁদের কোনও খোঁজ ছিল না৷ গ্রামবাসীদের দাবি, পঞ্চায়েত প্রধানকে চিঠি দিয়ে ওই তিন যুবকের কিডনি বিক্রির কথা জানানো হয়৷ ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছিল রামপুরহাটের মাড়গ্রামে৷ পূর্ব মেদিনীপুরের এগরায় আবার কৃষিঋণ মেটানোর টোপ দিয়ে কিডনি পাচারের অভিযোগ ওঠেছে৷
[ দাদার সঙ্গে হাত মিলিয়ে প্রেমিককে খুন, দোষীদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড]
সর্বশেষ খবর
-
রাজ্যে আম্বানিদের বিনিয়োগ! রিলায়েন্স কর্তাদের সঙ্গে নবান্নে বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর, বললেন, ‘ঢপবাজি বন্ধ, এবার শুধু কাজ’
-
নজিরের ছড়াছড়ির রাতে উজ্জ্বল গিল, রোহিত এখনও ‘হিট’, বোলারদের বধ্যভূমিতে সিরিজ জয় ভারতের
-
ধর্মীয় ভাবাবেগ ও পরিবেশ দু’টোই গুরুত্বপূর্ণ! বাজি পোড়ানোয় নিষেধাজ্ঞায় ‘না’ সুপ্রিম কোর্টের
-
অক্টোবরে সরকারি কর্মীদের ছুটিই ছুটি, ক্যালেন্ডার বলছে, পুজোর মাসে ১৭ দিনই ‘অফ ডে’!
-
নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে রনজিতে নামতে পারেন শুভমান-রাহুল, ভাবনায় বুমরাহও