Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Nawsad Siddique

ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন, এবার নিজেকে নওশাদের স্ত্রী বলে দাবি সেই ‘নির্যাতিতা’র

রক্তদান শিবিরেই উপস্থিত ছিলেন ওই মহিলা। সেখানেই এই দাবি করেন রহস্যময়ী ওই মহিলা। অভিযোগের প্রেক্ষিতে কী বলছেন আইএসএফ বিধায়ক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৪, ২১:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৬, ২০২৪, ২১:৩৫

options
link
ধর্ষণের অভিযোগ করেছিলেন, এবার নিজেকে নওশাদের স্ত্রী বলে দাবি সেই ‘নির্যাতিতা’র zoom

দেবব্রত দাস, বারুইপুর: রক্তদান শিবিরে এসে এক মহিলা সংবাদ মাধ্যমের সামনে নিজেকে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির স্ত্রীর মর্যাদার দাবি করলেন। এর আগে ওই মহিলা নিউটাউন থানায় নওশাদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। পুরো বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন। তার পরই এই দাবি রাজনৈতিকভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। শাসকদল বিষয়টি নিয়ে কটুক্তি করতে ছাড়ছে না।

শনিবার ভাঙড়ের চিনেপুকুর গ্রামে এক রক্তদান শিবিরের আয়োজন করে একটি ফেসবুক কমিউনিটি গ্রুপ। ওই রক্তদান শিবিরেই উপস্থিত ছিলেন ওই মহিলা। পরে তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে নিজেকে বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির স্ত্রীর মর্যাদা দাবি করলেন। তিনি বলেন, প্রায় তিন বছর আগে মুসলিম শরিয়ত অনুযায়ী নওসাদ সিদ্দিকির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। যদিও তাঁদের বিয়ে রেজিস্ট্রি করে হয়নি। তিনি আরও বলেন, নওশাদ যদি তাঁকে স্ত্রীর মর্যাদা না দেন, তাহলে নওশাদ কোন সম্পর্কের অধিকারে তাঁর সঙ্গে ছিলেন। তিনি বলেন, “আমি ভাঙড়ে অন্যভাবে আসতে চেয়েছিলাম। কিন্তু সেটা হয়নি। তাই একটি অরাজনৈতিক ও সামাজিক রক্তদান শিবিরে যোগ দিতে ভাঙড়ে এসেছি।” পরে সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, আগামী দিনে আইএসএফের বিরুদ্ধে তথা বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকির বিরুদ্ধে কি ভোটে দাঁড়াবেন। তিনি উত্তরে বলেন, “এখনই এরকম কোনও ভাবনাচিন্তা নেই। তবে সময় কথা বলবে।” তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লড়াকু মনোভাব তাঁকে সাহস জুগিয়েছে। তিনি মুখ্যমন্ত্রী আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে তাঁর সঙ্গে থাকতে চান।

Advertisement

এ বিষয়ে আইএসএফের চেয়ারম্যান তথা ভাঙড়ের বিধায়ক নওসাদ সিদ্দিকী বলেন, “এটা বালখিল্যতা ছাড়া আর কিছু নয়। যখন রাজনৈতিকভাবে শাসকদল আমার সঙ্গে পেরে উঠছে না, তখন এ ধরনের ষড়যন্ত্র করছে। রাজ্যে যখন আমার গ্রহণযোগ্যতা এবং মর্যাদা তৈরি হয়েছে, তখন কেউ আমার নামের সঙ্গে নিজের নাম জড়িয়ে পরিচিতি পেতে চাইছে। যিনি আমার বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেছিলেন, এখন তিনিই দাবি করছেন আমার স্ত্রী বলে। যেহেতু বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন তাই এর থেকে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়।”

এ বিষয়ে ভাঙড়ের পর্যবেক্ষক শওকত মোল্লা বলেন, “এতদিন যারা আর জি করের ঘটনা নিয়ে ‘ইউ ওয়ান্ট জাস্টিস’ বলে গলা ফাটাচ্ছিলেন, এখন তাঁরা কোথায়? ওই মহিলা গরিব বলে কি তিনি ন্যায় বিচার পাবেন না? একজন বিধায়ক যিনি দিনের পর দিন এরকম একজন গরিব মহিলার উপর নির্যাতন করেছেন এবং এখন তাকে অস্বীকার করে ছুঁড়ে ফেলতে চাইছেন। আমরা তা হতে দেব না। ওই মহিলা যাতে ন্যায় বিচার পান এবং স্ত্রীর মর্যাদা পান তার জন্য আমরা সব রকম ভাবে ওই মহিলার পাশে থেকে সহযোগিতা করব।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.