Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Bengal SIR

পাননি এনুমারেশন ফর্ম, বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা হুগলির বধূর মৃত্যু এসএসকেএমে

পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১৮:০৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১০, ২০২৫, ১৮:০৬

options
link
পাননি এনুমারেশন ফর্ম, বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করা হুগলির বধূর মৃত্যু এসএসকেএমে zoom

সুমন করাতি, হুগলি: এনুমারেশন ফর্ম না পাওয়ায় ছয় বছরের মেয়েকে নিয়ে বিষ খেয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ধনিয়াখালির বাসিন্দা আশা সোরেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়। আজ সোমবার সেখানই মৃত্যু হল আশার। তবে তাঁর মেয়ের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। মেয়ের মৃত্যুর খবর গ্রামে পৌঁছতেই কান্নায় ভেঙে পড়ে পরিবার। শোকের ছায়া এলাকায়। ঘটনার খবর পেয়েই মৃতের বাড়িতে ছুটে যান ধনিয়াখালির বিধায়ক অসীমা পাত্র। তিনি জানান, ”অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিষয়টি জানার পরই দুজনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। সব রকম সহযোগিতার আশ্বাস দেন।” এই অবস্থায় পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তৃণমূল বিধায়ক।

ধনেখালি থানার অন্তর্গত সোমসপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের কানানদী এলাকার বাসিন্দা আশা সোরেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, বছর আট আগে হরিপালে বিয়ে হয় আশার। কিন্তু স্বামীর সঙ্গে অশান্তির জেরে বাপের বাড়িতেই থাকত সে। পরিবারের দাবি, গত কয়েকদিন আগেই আশার বাপের বাড়ির সদস্যদের এসআইআর সংক্রান্ত সমস্ত কাগজ দিয়ে যান বিএলওরা। কিন্তু তিনি পাননি বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু শেষ ভোট দিয়েছিলেন শ্বশুরবাড়িতে থেকে। ফলে এসআইআর ফর্ম পাওয়া নিয়ে আশা আতঙ্কে ছিলেন বলে অভিযোগ পরিবারের।

Advertisement

শুধু তাই নয়, শ্বশুরবাড়ি থেকে কোনরকম সহযোগিতা পাওয়া যাবে না বলেও মানসিক অবসাদ বছর ২৭ এর আশাকে গ্রাস করছিল বলে দাবি পরিবারের। এর মধ্যেই শনিবার ছয় বছরের শিশুকে নিয়ে কীটনাশক খেয়ে সে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন আশা। প্রথমে স্থানীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁকে এসএসকেএমে ভর্তি করা হয়।

কিন্তু শেষরক্ষা হল না! আজ সোমবার এসএসকেএমে মৃত্যু হল ধনিয়াখালির বাসিন্দা আশা সোরেন। তাঁর দাদা অমর মুর্মু জানান, ”বিয়ের পর থেকে শ্বশুর বাড়িতে থেকেই সেখানে ভোট দিয়েছিলেন। এখানে কিছু না থাকায় ফর্ম পাননি। অনলাইনে বের করে দেব বলেছিলাম।” কিন্তু বোনের দুশ্চিন্তা কাটেনি বলেই জানান দাদা অমর মুর্মু।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.