৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি:  সরকারি প্রকল্পের ঘর পাওয়ার জন্য কাটমানি দিতে হয়েছিল। টাকা ফেরত চাইতে গিয়ে শেষ কিনা গণধর্ষণের শিকার হলেন এক গৃহবধূ! ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ময়নাগুড়িতে। তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য-সহ চারজনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতিতা। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: মিড ডে মিল কাণ্ডে তৎপর বিকাশ ভবন, চুঁচুড়ায় স্কুল পরিদর্শনে যাচ্ছেন প্রজেক্টের ডিরেক্টর]

ময়নাগুড়ির সাপ্টিবাড়ি পঞ্চায়েত এলাকায় থাকেন নির্যাতিতা ওই গৃহবধূ। তাঁর আর্থিক অবস্থা একেবারেই ভাল নয়। থাকার জন্য একটি বাড়িও করে উঠতে পারেননি তিনি। নির্যাতিতার দাবি, সরকারি প্রকল্পের বাড়ি পাওয়ার জন্য তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যকে সাত হাজার টাকা কাটমানি দিয়েছিলেন। কিন্তু বছর ঘুরে গেলেও বাড়ি পাননি। এদিকে খোদ দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল জনপ্রতিনিধিদের কাটমানি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। গত ১৪ আগস্ট তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে টাকা ফেরত চাইতে গিয়েছিলেন ময়নাগুড়ির সাপ্টিবাড়ির বাসিন্দা ওই গৃহবধূও। অভিযোগ, টাকা ফেরত চাইতে গেলে তাঁকে গণধর্ষণ করেন পঞ্চায়েত সদস্য ও তার অনুগামীরা। ঘটনাটি জানাজানি হতেই শোরগোল পড়ে যায়।

সাপ্টাবাড়ি পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত তৃণমূল সদস্য-সহ চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছেন নির্যাতিতা গৃহবধূ। এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। অভিযোগকারিণীর মেডিক্যাল টেস্ট করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তদন্তকারীরা।

লোকসভা ভোটের ফলপ্রকাশের পর কাটমানি ইস্যুতে তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়ে দেন, সরকারি প্রকল্পের কাটমানি নেওয়ার তো প্রশ্নই নেই। যদি দলের কোনও নেতা বা জনপ্রতিনিধি কাটমানি নিয়ে থাকেন, তাহলে টাকা ফেরতে দেওয়ার নির্দেশ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এরপরই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে কাটমানি ফেরতে চেয়ে বিক্ষোভ তুঙ্গে ওঠে।  এমনকী,  কোথাও কোথাও আবার বিজেপি নেতাদেরও বিরুদ্ধে কাটমানি পোস্টার পড়ে। সেই বিক্ষোভে এখন কিছুটা ভাঁটা পড়েছে ঠিকই। তবে বিক্ষোভ যে একেবারেই স্তিমিত হয়ে গিয়েছে, তা কিন্তু নয়। 

[আরও পড়ুন: ব্যারেজের ছাড়া জলে বিপদ সুবর্ণরেখার তীরে, ঝাড়গ্রামের একাংশে প্লাবনের আশঙ্কা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং